Connect with us

খাবার

স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির খাবার – JanaJoruri

Published

on

শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও অনেক জরুরী। মানসিক চাপ,উদ্বেগ,স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া ইত্যাদি কারণে মস্তিষ্কের ক্রিয়াকলাপে ক্ষতি হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কিছুটা সংযোজন বিয়োজন করলে আপনার বুদ্ধি খুলবে এবং স্মৃতিশক্তিও আগের চেয়ে বাড়বে।

জামের মিল্ক শেক:

দুধের উপকারিতার কথা আমাদের বলার অপেক্ষা রাখে না। দুধের সাথে জাম মিশিয়ে মিল্ক শেক বানিয়ে খেলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। জাম ব্লাড প্রেসারের পরিমাণ ঠিক রাখে শরীরে। সেই সাথে কোলেস্টোরেলের পরিমাণ কমায়। এতে করে মস্তিষ্ক ভালো থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়

ডালিমের রস:

আরও পড়ুন| স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সহজ কয়েকটি উপায়

ডালিমে প্রচুর পরমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া ডালিম খেলে ব্লাড সার্কুলেশন স্বাভাবিক থাকে যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ করে। দুপুরে খাবারের আগে বা পরে ডালিমের শরবত খেলে মস্কিষ্ক সুস্থও স্বাভাবিক থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

কোকোয়া:

কোকোয়ার উপকারিতার কথা একবারে বলে শেষ করা যাবে না। হার্টের অবস্থার উন্নতি,স্মৃতিশক্তি বাড়াতে, রক্তচাপ কমাতে ম্যাজিকের মত কাজ করে কোকোয়া। এছাড়া স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। খাবার তালিকায় কোকোয়ার শরবত রাখলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত হয়। তবে চিনি ,ক্রিম বা অতিরিক্তি দুধ কোনটাই যোগ করবেন না কোকোয়ার সাথে এতে করে ভালো গুণটি চলে যেতে পারে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য

সকালে উঠে খালি পেটে কোন খাবার বেশি স্বাস্থ্যকর? – জানা জরুরি

Published

on

By

শরীর ভালো রাখতে এবং সুস্থ থাকতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল খাবার। খাবার ঠিকঠাক না পেলে শরীর পুষ্ট হবে না। ফলে সেখান থেকে হতে পারে আরও নানা বিপত্তি। দৈনন্দিন জীবনে আমরা সবাই ব্যস্ত। সারাদিন ছুটে চলেছি। ফলে ঠিক সময়ে খাওয়ার কথা আমাদের মনে থাকে না। খিদে পেলে যা খুশি তাই খেয়ে নিই। সেখান থেকেই গ্যাস-অম্বল, হজম না হওয়ার মতো নানাবিধ সমস্যা দেখা যায়। রাতের খাবারের আর ব্রেকফাস্টের মধ্যে দীর্ঘ একটা সময়ের বিরতি থাকে। আর এই সময়ে ঠিকঠাক খাবার খাওয়া খুব জরুরি। কারণ খালি পেটে সঠিক খাবারই আমাদের সারাদিনের হজম ক্রিয়া ঠিক রাখে। বলা যায় শরীর সুস্থ রাখার এটাই হল চাবিকাঠি।

দেখে নিন, সকালে উঠে খালি পেটে কোন খাবার বেশি স্বাস্থ্যকর?

তাজা ফল– আমাদের অনেকের মধ্যেই এই ভুল ধারণা আছে যে ফল কখনই খালি পেটে খেতে নেই। খেলেই অ্যাসিড হয়। আর তাই দুপুরে খাওয়ার পর ফল খাওয়া উচিত। কিন্তু এই ভাবনা একেবারেই ভুল। ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, ফাইবার, জল থাকে। মোট কথা ফল পুষ্টিতে পূর্ণ। আর তাই সকালে খালি পেটে একটা আপেল কিংবা ন্যাশপাতি, কলা, শসা, পেঁপে যাই খাওয়া হোক না কেন তা শরীরের ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে শক্তি উৎপন্ন করে। যার ফলে ওজনও কমে আর সারাদিন কাজের পরও ক্লান্তি আসে না।

আরো পড়ুনঃ মটরশুঁটির উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

ভেজানো আমন্ড- আমন্ডের মধ্যে প্রচুর পরিমানে ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই, প্রোটিন, ফাইবার, ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। আর তাই যদি আমন্ড ঠিকভাবে না খাওয়া হয় তাহললে তার পুষ্টিগুণ থেকে বঞ্ছিত থাকবেন। সবসময় আমন্ড আগের রাতে ভিজিয়ে তবেই খাবেন। আর সকালে খালি পেটে আমন্ড খেলে তার অনেক উপকার।

ডিম- ডিমের পুষ্টিমূল্য অনেক। আর তাই যেভাবে খুশি ডিম খেতেই পারেন। খালি পেটে একটা ডিম সেদ্ধ খেতে পারলে উপকারই হবে। এমনকী সারাদিন খুব বোশি খিদে পাবে তা নয়। স্টাডি বলছে, যখন আপনি সকালে উঠে একটা ডিম সেদ্ধ খাবেন তখন কিন্তু সারাদিনের মোট খাবারের থেকে একটা ভালো পরিমাণ ক্যালোরি যায় আপনার শরীরে। আর যার ফলে সারাদিন তেমন ক্যালোরির চাহিদা থাকে না। এতে ফ্যাটও ঝরে তাড়াতাড়ি।

গরম জল এবং মধু-সকালে উঠেই খালি পেটে লেবু আর মধুর জল অনেকেই খান। কিন্তু শুধু যদি মধু দিয়ে খান তারও উপকার অনেক। মধুর মধ্যে শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ, ভিটামিন, উৎসেচক থাকে। যা শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে। আর খালি পেটে খেলে মেটাবলিজম রেট বাড়ে। শরীর থেকে টক্সিন বের হয়। এবং যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া ঠিক থাকে।

আরো পড়ুনঃ শিশুদের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য সাহায্য করে এই খাবারগুলো

ওটমিল পরিজ- ব্রেকফাস্টে ওটস অনেকেই খান। কেউ দুধ দিয়ে কেউ আবার টক দই দিয়ে। কিন্তু যদি পরিজ বানিয়ে নিতে পারেন তাহলে তা শরীরের জন্য ভালো। গরম জলে ওটস আর পাকা কলা দিয়েই বানাতে পারেন পরিজ। এরফলে শরীরে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের মাত্রা থাকবে নিয়ন্ত্রণে। কমবে কোলেস্টেরল। পরিজ বানাতে আগে শুকনো কড়াইতে ওটস নেড়ে নিন। এবার ওর মধ্যে দুকাপ জল দিন। এবার কিছুটা ঘন হলে হাফ কাপ দুধ দিন। এবার দু চামচ চিনি বা মধু দিন। বেশ ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হলে উপরে আমন্ড, কাজু ছড়িয়ে খান। ইচ্ছে হলে কলা, আপেল দিতে পারেন।

পেঁপে ও তরমুজ- এই দুই ফলের মধ্যে ফ্যাটের লেশমাত্র নেই। কিন্তু পুষ্টিতে ভরপুর। সেইসঙ্গে ওজনও কমায় খুব তাড়াতাড়ি। আর তাই সকালে উঠে একবাটি পেঁপে কিংবা তরমুজ খেলে শরীর সারাদিন থাকবে তরতাজা। এমনকী প্রয়োজনীয় সুগারেরও চাহিদা পূরণ হবে। ফলে সারাদিন মিষ্টি কম খাওয়া হবে এবং মিষ্টি খাওয়ার প্রবল ইচ্ছেটাও থাকবে না।

Continue Reading

ইউরিক এসিড

ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে কি খাবেন আর কি খাবেন না – জানা জরুরি

Published

on

By

বর্তমানে ইউরিক এসিড বৃদ্ধির সমস্যা অনেকেরই দেখা যায়। একটু সচেতন হয়ে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলে ইউরিক এসিড অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব

এবার একটু সংক্ষিপ্ত আকারে দেখে নেই ইউরিক এসিড কি এবং কেন বৃদ্ধি পায়আমাদের শরীরে দুই ধরনের এমাইনো এসিডের প্রয়োজন পড়ে। একটি আবশ্যক (এসেনশিয়াল) এমাইনো এসিড। আরেকটি অনাবশ্যক (নন এসেনসিয়াল) এমাইনো এসিড। এই নন এসেনসিয়াল এমাইনো এসিডের মধ্যে একটি হলো পিউরিন।

দেহের চাহিদার থেকে বেশি পরিমাণে প্রোটিন বা আমিষ খেলে বা বেশি বেশি এলকোহল জাতীয় খাবার খেলে, তা থেকে দেহে পিউরিন নামক নন এসেনসিয়াল এমাইনো এসিড তৈরি হয়। এই পিউরিন থেকেই ইউরিক এসিড তৈরি হয়। এই ইউরিক এসিড প্রথমে রক্তে চলে যায়। সেখান থেকে কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সঙ্গে দেহ থেকে বের হয়ে যায়। রক্তে যদি ইউরিক এসিডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পায় এই অবস্থাকে বলা হয় হাইপারইউরিসেমিয়া।

স্বাভাবিক অবস্থায় নারীদের ক্ষেত্রে রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা হলো ২.৪ থেকে ৬.০ মিলিগ্রাম পার ডিএল এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ৩.৪ থেকে ৭.০ মিলিগ্রাম পার ডিএল।

উচ্চ মাত্রার ইউরিক অ্যাসিডের উপস্থিতির কারণে হতে পারে গেঁটে বাত বা গিরায় গিরায় ব্যথা,  উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি অকেজো হওয়ার মতো সমস্যা।  কিছু কিছু খাবার আছে, যেগুলো খেলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায় আবার কিছু পুষ্টিকর খাবার আছে যেগুলি ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে ঔষধের মত কাজ করে । সুধি জন আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক শরীরে ইউরিক এসিড বৃদ্ধিতে কোন ধরনের খাবার খাবেন এবং কোন গুলি খাবেন না।

ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে যেসব খাবার পরিহার করতে হবে :

  • অর্গান মিট অর্থাৎ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জাতীয় মাংস যেমনঃ কলিজা, মগজ, জিহ্বা, ফুসফুস, কিডনি, ইত্যাদি খাওয়া যাবেনা।
  • অধিক চর্বিযুক্ত গরুর মাংস, খাসির মাংস, ভেড়ার মাংস বা মহিষের মাংস খাওয়া যাবে না। এইসব মাংস যদি খেতে চান তাহলে একেবারে চর্বি ছাড়া মাংস অল্প করে খাবেন।
  • সামুদ্রিক মাছ এবং শক্ত খোসাযুক্ত প্রাণী যেমন চিংড়ি, শামুক, কাকড়া ইত্যাদি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
  • সব রকমের ডাল, মটরশুটি, সিমের বিচি, কাঁঠালের বিচি ইত্যাদি খাওয়া পরিহার করতে হবে।
  • মধু, চিনির সিরাপ, চিনিযুক্ত পানীয়, বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত ফলের জুস, কোমল পানীয় একেবারেই খাওয়া যাবেনা।
  • কিছু কিছু শাকসবজি যেমন: পালং শাক, পুঁই শাক, ব্রকোলি, ফুলকপি এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়া মাশরুমও খাওয়া যাবে না।
  • চিনিযুক্ত পানীয়, এলকোহোল এবং ক্যাফেন জাতীয় পানীয় খাওয়া যাবে না।

ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে যেসব খাবার বেশি বেশি খাবেন:

  • অধিক আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। সবুজ সবজি-শাক এবং ফলমূলে প্রচুর খাদ্য আঁশ থাকে, এই আঁশ ইউরিক এসিড কে শরীর থেকে মল আকারে বের করে দেয়।
  • চর্বিহীন মাংস খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে মুরগির মাংস উত্তম। তবে চামড়া এবং পাখনা খাওয়া যাবেনা কারণ এতে প্রচুর চর্বি থাকে। তাছাড়া পরিমাণ মতো মাছ এবং কুসুম ছাড়া ডিম খাওয়া যাবে। ফ্যাট ছাড়া দুধ বা স্কিম মিল্কও খেতে পারবেন।
  • বেশি বেশি টক ফল বা ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেতে হবে। গ্রিন টি ইউরিক এসিড কমাতে সহায়তা করে। তাই ইউরিক এসিড কমাতে নিয়মিত গ্রিন টি পান করতে পারেন।
  • এই সময় চাহিদার তুলনায় বেশি পরিমাণ পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করবেন।
  • পানি দেহের যেকোনো ধরনের বিষকে দূর করতে সহায়তা করে। এ ক্ষেত্রে ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পানি।

আরও পড়ুন| পায়ের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

ঠোঁট গোলাপি করার উপায়

ওয়াই-ফাই স্পিড বাড়ানোর উপায়

Continue Reading

খাবার

চুল পড়া রোধ করে যে খাবার গুলি জেনে নিন

Published

on

By

চুল পড়ার অন্যতম কারণ হলো বাজে খাদ্যাভ্যাস। চুলের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেহে না পৌঁছালে চুল পড়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। একারণে চুলের পুষ্টি বজায় রাখতে খাদ্যতালিকার দিকে নজর দেওয় উচিত। তাহলে আসুন এবার দেখে নেই চুল পড়া রোধ করে যে খাবার গুলি

    • ডিম: ডিম হচ্ছে প্রাকৃতিক প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস। ডিম ভিটামিন বি১২, জিংক, আয়রন, প্রোটিন, বায়োটিন এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডের সব চাইতে ভালো উৎস যা চুলের জন্য বিশেষভাবে জরুরী। তাই খাদ্যতালিকায় রাখুন ডিম। এছাড়া চুল পড়া রোধ কিংবা চুলের বৃদ্ধির জন্য প্রোটিনযুক্ত খাবারেরও কোন বিকল্প নেই। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যাতে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার থাকে সেদিকেও মনোযোগ দিতে হবে। তাই  প্রতিদিন খাবারের তালিকায় ডিম রাখুন।
    • বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবার:
      বাদাম, ফ্লাক্স সীড, আখরোট, তিল প্রভৃতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা চুলের ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
    • মাছ:
      ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ মাছ চুলের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খাদ্য। ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিড চুলের গোঁড়া মজবুত করতে সহায়তা করে এবং চুল পড়া রোধ করে। তাই সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন খাদ্যতালিকায় মাছ রাখার চেষ্টা করুন।
    • সবুজ শাক সবজি:
      শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণে নিয়মিত পালং শাক এবং অন্যান্য সবুজ শাক সবজি খেতে পারেন। আয়রনের অভাবে অনেক সময় চুল পড়ে যায়। যখন শরীরে আয়রনের ঘাটতি হয় তখন চুলের গোড়ায় পুষ্টির অভাব হয়, চুলের গোড়া আলগা হয়ে চুল পড়া শুরু হয়। তাছাড়া সবুজ শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা চুলের গোঁড়া মজবুত করে, মাথার ত্বক ভালো রাখে।

  • ভিটামিন সি যুক্ত ফল:
    ভিটামিন সি চুলপড়া রোধ এবং বৃদ্ধির জন্য দারুন উপকারী। যদি নিয়মিত লেবুর রসের শরবত খাওয়া যায় তাহলে তা চুল পড়া রোধে দারুন কার্যকরী হবে। কমলাতেও প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
  • গাজর:
    গাজরে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ থাকে যা চুলের ফলিকলকে মজবুত করে এবং চুলকে পাতলা হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। পাতলা চুলের পড়ে যাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। তাই চুল পড়া রোধে নিয়মিত গাজর খান।
  • দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার:
    দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবারে প্রোটিনের পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম যা চুলের বেড়ে উঠা এবং নতুন চুল গজানোর জন্য সবচাইতে জরুরী। তাই চুলের সুস্থতা চাইলে প্রতিদিন দুধ পান করুন।

সম্মানিত পাঠক চুলের পুষ্টি বজায় রাখতে খাদ্যতালিকার দিকে নজর দেওয় উচিত। চুল পড়া প্রতিরোধে ওষুধ নয় বরং নিয়মিতভাবে এই খাবার গুলি খান। এতে আপনার মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়বে। এবং চুল ভেঙ্গে যাওয়া এবং চুল পড়াও কমবে

Continue Reading

Trending