শিমের বিচির উপকারিতা

শিমের বিচির উপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম, আজকে আমরা জানবো শিমের বিচির উপকারিতা নিয়ে। অনেকেরই পছন্দের সবজির তালিকায় আছে শিমের নাম। এটি খুবই সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। শিম, শিমের বিচি এবং শিমের পাতাও শাক হিসেবে খাওয়া যায়।

শিমের বিচির পুষ্টিগুণ:

এই শিমের বিচিতে রয়েছে উচ্চমানের ফাইবার প্রোটিন, যা শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। এতে কোনো কোলেস্টেরল নেই। এনার্জি বা শক্তির জন্য শিমে রয়েছে শতকরা ২০ ভাগ প্রোটিন ও উচ্চমাত্রার কার্বোহাইড্রেট।

শিমের বিচির উপকারিতা:

আমিষের ঘাটতি পূরণ:

আমিষের ঘাটতি হলে শিম ও শিমের বিচি খেলে তা পূরণ হয়। শীমের বিচি স্নেহ জাতীয় পদার্থ।

বমি ভাব:

শিমের বীজ খেলে অগ্নিমান্দ্য বমি ভাব কেটে যায়।

জ্বর নিরাময়ে:

শিমের বীজ বালিতে ভেজে , খোসা ছাড়িয়ে গুঁড়ো করে নিয়ে এক কাপ গরম পানিতে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে দিনে  ৩-৪ বার করে কয়েক দিন খেলে জ্বরের ঝিমুনি ও অরুচি ভাবে কেটে যায়।

আরো পড়ুন: শালগমের উপকারিতা

ক্যান্সার প্রতিরোধ :

সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয় যে শিমের বিচি কোলন ক্যান্সারে সহায়ক কোলন অ্যাডেনোমার বিপরীতে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে থাকে।

হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য :

শিমের বিচিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উভয় উপাদানই রয়েছে যা হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করে।

স্বাস্থ্য উপযোগিতা :

কালো শিমের বিচি মানবদেহে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্লাইকোজেন সরবরাহ করে। দেহে কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিনের মাত্রা ঠিক রাখে। এছাড়া হজমে সহায়তা করে।

আরো পড়ুন: শিমের উপকারিতা ও অপকারিতা

চর্বি নিয়ন্ত্রণ :

কালো শিমের বিচিতে মোটামুটিভাবে ২-৩ শতাংশ চর্বি রয়েছে তবে কোলেস্টরেল একেবারেই নেই। এটি শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করে থাকে এবং স্বাস্থ্যোপযোগি ফ্যাট প্রদান করে থাকে।

স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য :

শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬ বা ফোলেট আছে। স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য এই উপাদানটির উপরে নির্ভরশীল যেটি শরীরে অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি করে কাজ সম্পাদন করে। গর্ভবতী মহিলঅদের জন্য এই খাবারটি অত্যন্ত উপকারী।

আরো পড়ুন: ওলের উপকারিতা

Photo by Youtube

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *