Connect with us

টিপস

মোবাইল পানিতে পরে গেলে কিভাবে ভাল করবেন? – Janajorui

Published

on

অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সঙ্গে থাকা সবচেয়ে প্রিয় মোবাইল পানিতে পরে গেলে কিভাবে ভাল করবেন?

• তাত্ক্ষণিকভাবে সেটটি বন্ধ করে দিন

• সিমকার্ড ও ব্যাটারি খুলে ফেলুন

• প্রয়োজনে কেসিংও খুলে ফেলুন

• শুকনো কাপড় বা টিস্যু দিয়ে ডিসপ্লে মনিটর, সার্কিট ব্যাটারি, কিপ্যাড, কেসিং ভালোভাবে মুছে নিন

• ভুলেও ফোনে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে বা ওভেনে শুকাতে যাবেন না

• এতে ফোনের পার্টস গলে যেতে পারে, ঘটতে পারে বড় দুঘর্টনা

• কিছু  সময় রোদে রাখতে পারেন ফোনটি।

• ভালোভাবে শুকিয়ে নিয়েই ফোন চালু করুন।

সেটে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে নিদির্ষ্ট সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করুন।

 

আরো পড়ুন: ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরত পাবেন যেভাবে

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঘুম

ঘুম রেগুলার কম হলে যে সমস্যাগুলো হয় !

Published

on

By

ঘুম রেগুলার কম হলে

রাত হলে সময় মতো বিছানায় যান ঠিকই কিন্তু ঘুম আসে না কিছুতেই! ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে করতে রাতের প্রায় অর্ধেকটাই পার হয়ে যায় বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে করতে। এমন সমস্যায় যারা আছেন, তারা অনেকেই ঘুমানোর জন্য ঘুমের ওষুধের সাহায্য নিয়ে থাকেন। কিন্তু ঘুমের ওষুধের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাও শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

ঘুম মূলত আমাদের শরীরের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ ও শক্তি সঞ্চয়ের একটি পন্থা। কিন্তু নিয়মিতভাবে ঘুম কম হলে শরীরে নানা রোগব্যাধি বাসা বাঁধে এবং শরীর গতি হারিয়ে ফেলে। অকালে বৃদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিও অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। এবার জেনে নেওয়া যাক, কম ঘুমের জন্য শরীরে কী কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে.

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বৃদ্ধি করে:
দিনে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বা কম হলে বাড়তে পারে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। চিকিত্সকদের মতে আমরা না ঘুমালে আমাদের শরীরের ‘লিভিং অরগানিজম’গুলো ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। নষ্ট হতে পারে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য। বাড়তে পারে উচ্চ রক্তচাপ, হাইপার টেনশনের মতো সমস্যা।

হার্টের সমস্যা বৃদ্ধি করে:
আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের হৃদপিণ্ড এবং রক্তনালী কিছুটা হলেও বিশ্রাম পায়। কিন্তু ঘুম না হলে বা কম হলে প্রতিনিয়ত কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা বাড়তে থাকে। এর ফলে হার্টের সমস্যা বাড়তে থাকে।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়:
দীর্ঘদিন রাতে না ঘুমানো বা কম ঘুমানোর ফলে শরীরে ইনসুলিন উত্‍পাদন ব্যাহত হয়। যার ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে।

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে:

যখন আমরা ঘুমাই, তখন আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ‘লিভিং অরগানিজম’ কাজ করতে থাকে। কিন্তু আমরা না ঘুমালে এই ‘লিভিং অরগানিজম’গুলো কাজ করতে পারে না। ফলে ক্রমশ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয়:
মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ওরেক্সিন উত্‍পাদনের গতি মন্থর হয়ে যায়। মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা কমতে থাকে। মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম না পেলে অতিরিক্ত বিষণ্ণতা, হ্যালুসিনেশনের, স্মৃতিভ্রংশের মতো একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। দিনে দিনে নিজের বিচার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও লোপ পেতে পারে।

হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে:
প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বাড়তে পারে হজমের সমস্যাও। আমরা না ঘুমালে আমাদের শরীরের পাচন ক্রিয়ায় সাহায্যকারী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে খাবার হজমে সহায়ক পাচক রস উপযুক্ত মাত্রায় নিঃসরণে বাধা পায়। তাই হজমের নানা সমস্যা শুরু হয়।

সুতরাং, ঘুম আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি পন্থা। আমাদের দৈহিক প্রায় সকল কার্যকলাপই ঘুমের উপরে অনেকটাই নির্ভরশীল। তাই কোন রকম অবহেলা না করে নিয়মিত প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুমানো অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু যদি নিয়মিত স্বাভাবিকভাবে ঘুম না আসে, তাহলে ইচ্ছেমতো ওষুধ না খেয়ে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

এছাড়া শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম, খেলাধুলা ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। আর স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে চেষ্টা করুন। অবশ্যই ঘুমের সময়ে মোবাইল ঘাঁটাঘাটি থেকে দূরে থাকবেন।

Photo by Alexandra Gorn on Unsplash

Continue Reading

ঘরোয়া উপায়

রান্নাঘরের বিভিন্ন টিপস

Published

on

By

দিনের প্রায় সময় আমাদের কাটাতে হয় রান্নাঘরে।আমাদের নিত্যকার একটা প্রয়োজনীয় জায়গা বললেই চলে রান্নাঘরকে।রান্নাঘরে অনেক সমস্যা হয় আমাদের।।তাই আজ আমরা আলোচনা করব,রান্নাঘরে বিভিন্ন টিপস নিয়ে।যা আমাদের অনেক সমস্যা থেকে রেহাই দিবে।

চলুন জেনে নিই তাহলে, রান্নাঘরের বিভিন্ন টিপস।

বাদামের খোসা ছাড়ানোর উপায়ঃ

যদি কাজুবাদামের খোসা ছাড়াতে কষ্ট হয়, তাহলে বাদামগুলোকে গরম পানিতে অন্তত ১৫-২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। খোসা নরম হয়ে সহজেই উঠে আসবে।

পিঁপড়া থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়ঃ

চিনির বয়ামে খুব বেশী পিঁপড়া? বয়াম এর মুখ খুলে চিনির উপর ৩-৪ টি লবঙ্গ রেখে দিন। পিঁপড়ে বাপ বাপ করে পালিয়ে যাবে।

বিস্কুট মচমচে রাখার উপায়ঃ

আপনি যদি বিস্কুটের বয়ামের নিচে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রাখেন, তাহলে সেই বয়ামে রাখা বিস্কুট সহজে নষ্ট হবে না। বরং সেগুলো শুষ্ক ও মচমচে রাখতে পারবেন অনেক দিন ধরে।

আপেলে লালচে দাগ না হওয়ার উপায়ঃ

কাটা আপেলের উপর হালকা করে লেবুর রস লাগিয়ে দিন। আপেল লালচে হবে না। বরং ফ্রেশ দেখাবে অনেক দিন ধরে।

আরও পড়ুন, মুখের উজ্জ্বলতা ফেরাতে ব্যবহার করুন কয়েকটি ঘরোয়া টিপস!

পুড়ে গেলে জ্বলুনি কমার উপায়ঃ

যদি চামড়ায় কোথাও পুড়ে যায়, ঠান্ডা পানি ঢেলে দিন। এরপর পাকা কলা চ্যাপ্টা করে নিয়ে পোড়া স্থানে লাগিয়ে দিন। জ্বলুনি একদম কমে যাবে।

পোকার কামড়ের ব্যথা উপশমের উপায়ঃ

রান্নাঘরে পোকা কামড় দিতেই পারে। যদি হুলের যন্ত্রণা বেশি হয় তাহলে চুইংগাম চিবিয়ে তার সাথে ১ ড্রপ পানি মিশিয়ে হুল ফোটা স্থানে চেপে ধরুন।কয়েক মিনিটেই ব্যথা মিলিয়ে যাবে।

করলার স্বাদ বাড়ানোর উপায়ঃ

করলা মাঝখানে কেটে নিয়ে তার ভেতরে লবণ, ময়দা এবং দই এর মিশ্রণ ঢুকিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন। এরপর কেটে রান্না করুন, স্বাদ বেড়ে যাবে দ্বিগুণ!

জিরা ফ্রেশ রাখার উপায়ঃ

জিরা ফ্রেশ রাখা খুবই সহজ।জিরাগুলোকে এলুমিনিয়াম ফয়েল পেপারে মুড়িয়ে নিশ্চিন্তে ফ্রিজের এক কোণায় রেখে দিন। এরপর ভুলে যান।যখন প্রয়োজন হবে, ফ্রেশ ফ্রেশ জিরা পাবেন।

আরও পড়ুন, ছোট্ট শিশুর ত্বকের যত্নে কয়েকটি টিপস

পাতিলের পোড়া দাগ দূর করার উপায়ঃ

পাতিলে যদি খাবারের পোড়া দাগ লেগে যায়, অনেক সময় ঘষেও তোলা যায় না।এই ক্ষেত্রে কী করবেন? রান্নাঘরে গিয়ে অল্প কিছু পেঁয়াজ কেটে নিন।এরপর খাবার পোড়া পাতিলে গরম পানি ঢেলে তাতে পেঁয়াজ কুচি রেখে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।তারপর পরিষ্কার করুন। দেখবেন পোড়া দাগ উঠে গেছে।

ধনে পাতা এবং পুদিনা পাতা ফ্রেশ রাখার উপায়ঃ

যদি তাজা ধনে পাতা কিংবা পুদিনা পাতা না পাওয়া যায়, আপনি বাজারে এর রেডিমেড গুঁড়ো কিনতে পাবেন।আর এই গুঁড়োকে তাজা এবং ফ্রেশ রাখতে চাইলে মসলিন কাপড়ে মুড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। অনেক দিন ফ্রেশ থাকবে।

তেলাপোকা থেকে দূর করার উপায়ঃ

রান্না ঘরের সিংকের নিচে এবং কোণাগুলোতে বোরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা রান্নাঘর তো বটেই, বাড়ি ছেড়ে পালাবে।

নারকেলের শাঁস তোলার উপায়ঃ

পাকা নারকেলের শাঁস তুলতে আধ ঘন্টা পানিতে চুবিয়ে রাখুন।এরপর দেখবেন সহজেই উঠে আসছে।

ডিম নষ্ট না হওয়ার উপায়ঃ

খুব পোক্ত হাত না হলে ডিম ভাঙতে গিয়ে বেশি চাপ পড়ে ডিমের খোসা ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাওয়াটা বিচিত্র নয়৷ এই পরিস্থিতিতে গোটা ডিমটা ফেলে না দিয়ে ভাঙা খোসার একটা বড়ো টুকরো হাতে নিন৷ এবার এই টুকরোটার সাহায্য নিয়ে খোসার ছোট ছোট ভাঙা অংশগুলো তুলে ফেলুন ডিমের গোলা থেকে৷ খোসার বড়ো টুকরোটা চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে আনবে ছোট টুকরোগুলিকে৷ তাতে খুব বেশি ডিম নষ্ট হবে না৷

কলা বা আম পাকানোর টিপসঃ

বাজার থেকে কলা/ আম কিনে এনে দেখলেন যে সেগুলি তখনও পাকেনি৷ কী করবেন? একটা বড়োসড়ো কাগজের ঠোঙায় ফলগুলি মুড়ে রেখে দিন৷ তাড়াতাড়ি পেকে যাবে৷ আর কাটা ফলের গায়ে দাগ ধরা আটকাতে চাইলে সামান্য লেবুর রস মাখিয়ে রেখে দিন ফ্রিজে৷

আরও পড়ুন, মাথাব্যথা ও টেনশন দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া টিপস

শক্ত মাখন গলানোর টিপসঃ

মাখন বের করে রাখতে ভুলে গিয়েছেন, কিন্তু এখনই ব্যবহার করতে হবে? শক্ত মাখনটা গ্রেট করে নিন৷ তার পর গরম টোস্টের উপর ছড়িয়ে দিলেই দেখবেন মাখন গলতে আরম্ভ করে দিয়েছে এবং বাটার নাইফ দিয়ে স্বচ্ছন্দে লাগানো যাচ্ছে৷

হাত থেকে আদা রসূনের গন্ধ দূর করার উপায়ঃ

হাত থেকে আদা-রসুন বা মাছের গন্ধ ছাড়তেই চাইছে না? লেবু বা বেকিং সোডা হাতের আঙুলে মাখিয়ে ঘষে ধুয়ে নিন৷ তাতেও গন্ধ থাকলে হাতটা একটা স্টেনলেস স্টিলের বাসনের গায়ে খানিকক্ষণ ঘষুন – হাতের গন্ধ বাসনটি টেনে নেবে

অন্যান্য টিপসঃ

১. লেটুস পাতার তাজা ভাব বজায় রাখার জন্য লেটুস পাতা ধোয়ার সময় পানিতে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিন লেটুস পাতা তাজা থাকবে।

২. বাঁধাকপি ও ফুলকপির সতেজভাব বজায় রাখার জন্য রান্নার সময় এক চা-চামচ লেবুর রস মেশান। দেখবেন সবজির সুন্দর সাদা রঙ বজায় থাকবে।

আশা করি,রান্নাঘরে এই টিপস গুলো আপনাদের বাস্তব জীবনে অনেক কাজে লাগবে।এবং রান্নাঘরের বিভিন্ন টিপস গুলো জেনে আপনেরা অনেক সমস্যার সমধান করতে পারবেন।

 

 

Continue Reading

উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

ফিটকিরির উপকারিতা ও অপকারিতা

Published

on

By

আসসলামু আলাইকু।আজকে আমরা জানবো,ফিটকিরির উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে

আমরা জানি,পানিকে পরিশোধিত করতে ফিটকিরি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এই জিনিসটা আরও অনেক কাজে লাগে। তা হয়ত আমাদের অজানা।

আসুন তাহলে জেনে নিই, ফিটকিরির উপকারিতা ও অপকারিতা:

ফিটকিরির উপকারিতাঃ

১। মুখে ব্রণের জন্যঃ

ফিটকিরি ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ মুলতানি মাটি, দু‘চামচ ডিমের সাদা অংশ ও এক চামচ ফিটকিরি গুঁড়া দিয়ে প্যাক বানান।
প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই মিশ্রণ মুখে মাখুন।

২। ডিওড্র্যান্ট হিসেবেঃ

ফিটকিরির গুঁড়ার সঙ্গে গন্ধরস মেশান। গন্ধরস বা মস্তকি এক ধরনের গাছের আঠা বিশেষ।
এই দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি করে নিন নিজের ডিওড্র্যান্ট।

৩। দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়ার জন্যঃ

ফিটকিরি এই ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সক্ষম। এক গ্লাস পানি ফোটান। তার মধ্যে এক চিমটে লবণ আর ফিটকিরির গুঁড়া মেশান।
মিশ্রণ ঠাণ্ডা হলে, তা দিয়ে কুলকুচি করুন। নিয়মিত ঘুম থেকে উঠে আর ঘুমোতে যাওয়ার আগে এভাবে কুলকুচি করতে পারলে মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার থেকে দ্রুত মুক্তি মিলবে।

৪। মুখের ভিতরে ঘা এর জন্যঃ

ঘা হলে ফিটকিরি লাগান। জ্বালা করতে পারে, কিন্তু মুখের ঘা তাড়াতাড়ি শুকোবে।
তবে এই সময় মুখের লালা গিলে ফেলবেন না।

৫। মুখে, চেহারায় বয়সের ছাপ দূর করার জন্যঃ

এক টুকরা ফিটকিরি পানিতে ভিজিয়ে তা মুখে ভাল করে ঘষুন।
তার পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।ফুসকুড়ি, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চামড়া কুচকে যাওয়া রোধে ফিটকিরি ব্যবহার করা যায়।

৬। উকুন দূর করার জন্যঃ

পানিতে ফিটকিরি গুঁড়া মিশিয়ে তার মধ্যে একটু চা গাছের তেল (টি ট্রি অয়েল) মেশান।
এবার ১০ মিনিট ধরে মাথার ত্বকে (স্ক্যাল্পে) মাসাজ করুন। এর পরে শ্যাম্পু করে নিন। দ্রুত ফল মিলবে।

৭। টনসিলে আরামঃ

ঠাণ্ডা লেগে গলা ব্যাথা হলে বা গ্ল্যান্ড ফুলে গেলে গরম জলেমটি লবণ ও ফিটকিরি চূর্ণ মিশিয়ে দিনে কয়েকবার গার্গল করলে বেশ আরম পাওয়া যাবে।

আরো পড়ুন: আখরোটের উপকারিতা

৮। অধিক ঘাম ও প্রতিকারঃ

যারা বেশি ঘামেন, পরনের পোশাক ভিজে যায়, তাদের এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে এক টুকরো ফিটকিরি।
গোসলের সময় এক টুকরো ফিটকিরি জলে ভালোভাবে মিশিয়ে ওই জলে ঢালুন। এভাবে কয়েকদিন গোসল করলে স্বস্তি মিলবে।

৯।মাথা ব্যথা সারাতেঃ

লাল কাচা ফিটকিরি ১ গ্রাম ও ছোট এলাচি বীজ ৬ গ্রাম উভয় উপাদানকে পৃথক পৃথক কুটে পিষে কাপড়ে ছেঁকে নিতে হয়। অল্প কিছু জলসহ পান করলে মাথা ব্যথা দ্রুত সেরে যায়।

১০।কান ব্যথাঃ

ফিটকিরি ভেজে গুড়া করে সামান্য একটু গুড়া কানে দিতে হয়। তারপর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস অথবা পেঁয়াজের রস কানে দিলে কান ব্যথা চলে যায়।

১১।পা ফাটা উপশমেঃ

ফিটকিরি খুব দক্ষতার সঙ্গে পা ফাটা আরোগ্য করতে পারে। পায়ের মরা চামড়া তুলে পা কে নরম ও মসৃণ করে তোলে। পায়ের ফাটা ভালো করতে একটা প্যাক তৈরি করুন।
একটা বাটিতে ২ চা চামচ ফিটকিরি গুঁড়া , ১ চা চামচ নারিকেল তেল ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। পা ভালো করে ধুয়ে, শুকিয়ে নিন।
এরপর প্যাক লাগিয়ে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর ১০-১৫ রেখে কুসুম গরম জলে ধুয়ে নিন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন।

১২।বলিরেখা দূর করতেঃ

ফিটকিরি ত্বককে টানটান করতে সাহায্য করে। ১চামচ ফিটকিরির গুড়াঁ ও ২ চামচ গেলাপজল বা জল মিশিয়ে মুখে লাগান ( চোখ বাদে)।
কিছুক্ষণ পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ফিটকিরির গুড়াঁ না থাকলে, একটা ফিটকিরির টুকরা ভেজা মুখে ঘষুন। কিছু সময় পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের বলি রেখা দূর করে, আপনাকে করে তুলবে সতেজ ও লাবন্যময়ী।

আরো পড়ুন: কর্পূরের উপকারিতা

১৩। ক্রিয়াবিদের পায়ের যত্নেঃ

ফিটকিরিতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল উপাদান। এটা ক্রিয়াবিদের পায়ে ফাঙ্গাসকে মেরে ফেলে।
একারনে ক্রিয়াবিদের পায়ের যত্নে ফিটকিরি ব্যবহার করা যায়। গোলাপজলের সাথে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে পা ও পায়ের পাতাতে লাগিয়ে রাখুন।
শুকালে কুসুম গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। অন্যভাবে, হালকা গরম জলে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে পা কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে পা ধুয়ে, মুছে নিন।

এতে কোনও সন্দেহ নেই যে ফিটকিরি একটি ভাল পদার্থ, যা আপনি শরীরের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার জন্য ব্যবহার করতে পারেন,
তবে ফিটকিরি উপকারিতা ছাড়াও ফিটকিরি ক্ষতি অস্বীকার করা যাবে না।

ফিটকিরি কিছু অসুবিধাগুলির নীচে দেওয়া হলোঃ

ফিটকিরির অপকারিতাঃ

১। অনেকের ধারণা ফিটকিরি পানিকে ১০০% বিশুদ্ধ করে। নিয়মানুযায়ী পানিতে ফিটকিরি ব্যাবহার করলে পানির কিছু কিছু জীবাণু যেমন, ব্যাকটেরিয়া ও প্যারাসাইট ধ্বংস হয়। কিন্তু ভাইরাস ধ্বংস হয় না।

এ ক্ষেত্রে টাইফয়েড, ডায়রিয়া, আমাশয় ও কৃমি সংক্রামন জাতীয় রোগ থেকে রেহাই পাওয়া গেলেও হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং ‘ই’ ভাইরাস জনিত রোগ যা, আমাদের কাছে জন্ডিস বলে পরিচিত। (ফিটকিরির অপকারিতা) এ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না।

২। ফিটকিরি ব্যবহারের অসুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে পানির পিএইচ হ্রাসএবং অতিরিক্ত উপস্থিতি থেকে বিষাক্ত দ্রবীভূত অ্যালুমিনিয়ামের সম্ভাব্য উপস্থিতি।

আরো পড়ুন: সকালে হাঁটার উপকারিতা

৩। অতিরিক্ত ত্বকের জ্বালা এবং ফুসকুড়ি মুখের প্রয়োগের জটিলতা হিসাবে উপস্থিত হতে পারে।

৪। পানির সংস্পর্শে চোখের যোগাযোগ মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হতে পারে।

আশা করি বুঝতে পারছেন ফিটকিরি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কতটা(ফিটকিরির উপকারিতা )উপকারী এবং অপকারী।

Continue Reading

Trending

Copyright © 2017 Zox News Theme. Theme by MVP Themes, powered by WordPress.