Connect with us

ঘরোয়া উপায়

মাত্র একদিনে ব্রণ সারানোর উপায় – জানা জরুরি

Published

on

হঠাৎ জানলেন, পরদিন সকালে খুব বড় একটা ইভেন্টে যোগ দিতে হবে।  শুরু হলো তৈরির প্রস্তুতি।
আয়নার সামনে গিয়ে মনটাই খারাপ হয়ে গেল।  মুখ ভরে রয়েছে ব্রণে।

অনেকেই দামি ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার করতে শুরু করে হয়ত ব্রণ নিয়মন্ত্রণ করা যায়।  কিন্তু হাতে তো সময়ই নেই।  এক কাজ করুন, বাড়িতে হাতের কাছেইরয়েছে এমন অনেক উপাদান, যা দিয়ে অতি সহজেই সমাধান করা যায় এই সমস্যার।

জেনে নিন মাত্র একদিনে ব্রণ সারানোর উপায়:

  • শসা গ্রেট করে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখার পর ধুয়ে নিন

আরও পড়ুন| শ্যাম্পুর সাথে চিনি ব্যবহারের উপকারিতা

  • ফেসপ্যাকের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন টুথপেস্ট।  অতিরিক্ত তেল টেনে নেয়, ফলে ব্রণ কমাতে সাহায্য করে।  তবে শুধু ব্রণ জায়গায় খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন ।
  • গ্রিন টি গোটা বা ব্রণ বিরুদ্ধে খুবই কার্যকরী।  গরম গরম পানিতে গ্রিন টি বানিয়ে ঠান্ডা করে ব্রণ বা গোটার ওপর তুলোয় ভিজিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।  মিনিট ২০ রাখার পর ধুয়ে নিন।

আরও পড়ুন| দাগ মুক্ত ফর্সা ত্বকের জন্য ব্যবহার করুন পেয়াজ এর রস

  • জানেন কি? রসুন ব্রণ বড় শত্রু।  এটি ব্যবহার করাও খুব সহজ।  এক-দু কোয়া রসুন টুকরো করে কেটে রসটা ব্রণের ওপর লাগান।  মাত্র পাঁচ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।
Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঘরোয়া উপায়

রান্নাঘরের বিভিন্ন টিপস

Published

on

By

দিনের প্রায় সময় আমাদের কাটাতে হয় রান্নাঘরে।আমাদের নিত্যকার একটা প্রয়োজনীয় জায়গা বললেই চলে রান্নাঘরকে।রান্নাঘরে অনেক সমস্যা হয় আমাদের।।তাই আজ আমরা আলোচনা করব,রান্নাঘরে বিভিন্ন টিপস নিয়ে।যা আমাদের অনেক সমস্যা থেকে রেহাই দিবে।

চলুন জেনে নিই তাহলে, রান্নাঘরের বিভিন্ন টিপস।

বাদামের খোসা ছাড়ানোর উপায়ঃ

যদি কাজুবাদামের খোসা ছাড়াতে কষ্ট হয়, তাহলে বাদামগুলোকে গরম পানিতে অন্তত ১৫-২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। খোসা নরম হয়ে সহজেই উঠে আসবে।

পিঁপড়া থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়ঃ

চিনির বয়ামে খুব বেশী পিঁপড়া? বয়াম এর মুখ খুলে চিনির উপর ৩-৪ টি লবঙ্গ রেখে দিন। পিঁপড়ে বাপ বাপ করে পালিয়ে যাবে।

বিস্কুট মচমচে রাখার উপায়ঃ

আপনি যদি বিস্কুটের বয়ামের নিচে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রাখেন, তাহলে সেই বয়ামে রাখা বিস্কুট সহজে নষ্ট হবে না। বরং সেগুলো শুষ্ক ও মচমচে রাখতে পারবেন অনেক দিন ধরে।

আপেলে লালচে দাগ না হওয়ার উপায়ঃ

কাটা আপেলের উপর হালকা করে লেবুর রস লাগিয়ে দিন। আপেল লালচে হবে না। বরং ফ্রেশ দেখাবে অনেক দিন ধরে।

আরও পড়ুন, মুখের উজ্জ্বলতা ফেরাতে ব্যবহার করুন কয়েকটি ঘরোয়া টিপস!

পুড়ে গেলে জ্বলুনি কমার উপায়ঃ

যদি চামড়ায় কোথাও পুড়ে যায়, ঠান্ডা পানি ঢেলে দিন। এরপর পাকা কলা চ্যাপ্টা করে নিয়ে পোড়া স্থানে লাগিয়ে দিন। জ্বলুনি একদম কমে যাবে।

পোকার কামড়ের ব্যথা উপশমের উপায়ঃ

রান্নাঘরে পোকা কামড় দিতেই পারে। যদি হুলের যন্ত্রণা বেশি হয় তাহলে চুইংগাম চিবিয়ে তার সাথে ১ ড্রপ পানি মিশিয়ে হুল ফোটা স্থানে চেপে ধরুন।কয়েক মিনিটেই ব্যথা মিলিয়ে যাবে।

করলার স্বাদ বাড়ানোর উপায়ঃ

করলা মাঝখানে কেটে নিয়ে তার ভেতরে লবণ, ময়দা এবং দই এর মিশ্রণ ঢুকিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন। এরপর কেটে রান্না করুন, স্বাদ বেড়ে যাবে দ্বিগুণ!

জিরা ফ্রেশ রাখার উপায়ঃ

জিরা ফ্রেশ রাখা খুবই সহজ।জিরাগুলোকে এলুমিনিয়াম ফয়েল পেপারে মুড়িয়ে নিশ্চিন্তে ফ্রিজের এক কোণায় রেখে দিন। এরপর ভুলে যান।যখন প্রয়োজন হবে, ফ্রেশ ফ্রেশ জিরা পাবেন।

আরও পড়ুন, ছোট্ট শিশুর ত্বকের যত্নে কয়েকটি টিপস

পাতিলের পোড়া দাগ দূর করার উপায়ঃ

পাতিলে যদি খাবারের পোড়া দাগ লেগে যায়, অনেক সময় ঘষেও তোলা যায় না।এই ক্ষেত্রে কী করবেন? রান্নাঘরে গিয়ে অল্প কিছু পেঁয়াজ কেটে নিন।এরপর খাবার পোড়া পাতিলে গরম পানি ঢেলে তাতে পেঁয়াজ কুচি রেখে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।তারপর পরিষ্কার করুন। দেখবেন পোড়া দাগ উঠে গেছে।

ধনে পাতা এবং পুদিনা পাতা ফ্রেশ রাখার উপায়ঃ

যদি তাজা ধনে পাতা কিংবা পুদিনা পাতা না পাওয়া যায়, আপনি বাজারে এর রেডিমেড গুঁড়ো কিনতে পাবেন।আর এই গুঁড়োকে তাজা এবং ফ্রেশ রাখতে চাইলে মসলিন কাপড়ে মুড়িয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। অনেক দিন ফ্রেশ থাকবে।

তেলাপোকা থেকে দূর করার উপায়ঃ

রান্না ঘরের সিংকের নিচে এবং কোণাগুলোতে বোরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা রান্নাঘর তো বটেই, বাড়ি ছেড়ে পালাবে।

নারকেলের শাঁস তোলার উপায়ঃ

পাকা নারকেলের শাঁস তুলতে আধ ঘন্টা পানিতে চুবিয়ে রাখুন।এরপর দেখবেন সহজেই উঠে আসছে।

ডিম নষ্ট না হওয়ার উপায়ঃ

খুব পোক্ত হাত না হলে ডিম ভাঙতে গিয়ে বেশি চাপ পড়ে ডিমের খোসা ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাওয়াটা বিচিত্র নয়৷ এই পরিস্থিতিতে গোটা ডিমটা ফেলে না দিয়ে ভাঙা খোসার একটা বড়ো টুকরো হাতে নিন৷ এবার এই টুকরোটার সাহায্য নিয়ে খোসার ছোট ছোট ভাঙা অংশগুলো তুলে ফেলুন ডিমের গোলা থেকে৷ খোসার বড়ো টুকরোটা চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে আনবে ছোট টুকরোগুলিকে৷ তাতে খুব বেশি ডিম নষ্ট হবে না৷

কলা বা আম পাকানোর টিপসঃ

বাজার থেকে কলা/ আম কিনে এনে দেখলেন যে সেগুলি তখনও পাকেনি৷ কী করবেন? একটা বড়োসড়ো কাগজের ঠোঙায় ফলগুলি মুড়ে রেখে দিন৷ তাড়াতাড়ি পেকে যাবে৷ আর কাটা ফলের গায়ে দাগ ধরা আটকাতে চাইলে সামান্য লেবুর রস মাখিয়ে রেখে দিন ফ্রিজে৷

আরও পড়ুন, মাথাব্যথা ও টেনশন দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া টিপস

শক্ত মাখন গলানোর টিপসঃ

মাখন বের করে রাখতে ভুলে গিয়েছেন, কিন্তু এখনই ব্যবহার করতে হবে? শক্ত মাখনটা গ্রেট করে নিন৷ তার পর গরম টোস্টের উপর ছড়িয়ে দিলেই দেখবেন মাখন গলতে আরম্ভ করে দিয়েছে এবং বাটার নাইফ দিয়ে স্বচ্ছন্দে লাগানো যাচ্ছে৷

হাত থেকে আদা রসূনের গন্ধ দূর করার উপায়ঃ

হাত থেকে আদা-রসুন বা মাছের গন্ধ ছাড়তেই চাইছে না? লেবু বা বেকিং সোডা হাতের আঙুলে মাখিয়ে ঘষে ধুয়ে নিন৷ তাতেও গন্ধ থাকলে হাতটা একটা স্টেনলেস স্টিলের বাসনের গায়ে খানিকক্ষণ ঘষুন – হাতের গন্ধ বাসনটি টেনে নেবে

অন্যান্য টিপসঃ

১. লেটুস পাতার তাজা ভাব বজায় রাখার জন্য লেটুস পাতা ধোয়ার সময় পানিতে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিন লেটুস পাতা তাজা থাকবে।

২. বাঁধাকপি ও ফুলকপির সতেজভাব বজায় রাখার জন্য রান্নার সময় এক চা-চামচ লেবুর রস মেশান। দেখবেন সবজির সুন্দর সাদা রঙ বজায় থাকবে।

আশা করি,রান্নাঘরে এই টিপস গুলো আপনাদের বাস্তব জীবনে অনেক কাজে লাগবে।এবং রান্নাঘরের বিভিন্ন টিপস গুলো জেনে আপনেরা অনেক সমস্যার সমধান করতে পারবেন।

 

 

Continue Reading

উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

ফিটকিরির উপকারিতা ও অপকারিতা

Published

on

By

আসসলামু আলাইকু।আজকে আমরা জানবো,ফিটকিরির উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে

আমরা জানি,পানিকে পরিশোধিত করতে ফিটকিরি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এই জিনিসটা আরও অনেক কাজে লাগে। তা হয়ত আমাদের অজানা।

আসুন তাহলে জেনে নিই, ফিটকিরির উপকারিতা ও অপকারিতা:

ফিটকিরির উপকারিতাঃ

১। মুখে ব্রণের জন্যঃ

ফিটকিরি ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ মুলতানি মাটি, দু‘চামচ ডিমের সাদা অংশ ও এক চামচ ফিটকিরি গুঁড়া দিয়ে প্যাক বানান।
প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই মিশ্রণ মুখে মাখুন।

২। ডিওড্র্যান্ট হিসেবেঃ

ফিটকিরির গুঁড়ার সঙ্গে গন্ধরস মেশান। গন্ধরস বা মস্তকি এক ধরনের গাছের আঠা বিশেষ।
এই দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি করে নিন নিজের ডিওড্র্যান্ট।

৩। দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়ার জন্যঃ

ফিটকিরি এই ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সক্ষম। এক গ্লাস পানি ফোটান। তার মধ্যে এক চিমটে লবণ আর ফিটকিরির গুঁড়া মেশান।
মিশ্রণ ঠাণ্ডা হলে, তা দিয়ে কুলকুচি করুন। নিয়মিত ঘুম থেকে উঠে আর ঘুমোতে যাওয়ার আগে এভাবে কুলকুচি করতে পারলে মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার থেকে দ্রুত মুক্তি মিলবে।

৪। মুখের ভিতরে ঘা এর জন্যঃ

ঘা হলে ফিটকিরি লাগান। জ্বালা করতে পারে, কিন্তু মুখের ঘা তাড়াতাড়ি শুকোবে।
তবে এই সময় মুখের লালা গিলে ফেলবেন না।

৫। মুখে, চেহারায় বয়সের ছাপ দূর করার জন্যঃ

এক টুকরা ফিটকিরি পানিতে ভিজিয়ে তা মুখে ভাল করে ঘষুন।
তার পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।ফুসকুড়ি, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চামড়া কুচকে যাওয়া রোধে ফিটকিরি ব্যবহার করা যায়।

৬। উকুন দূর করার জন্যঃ

পানিতে ফিটকিরি গুঁড়া মিশিয়ে তার মধ্যে একটু চা গাছের তেল (টি ট্রি অয়েল) মেশান।
এবার ১০ মিনিট ধরে মাথার ত্বকে (স্ক্যাল্পে) মাসাজ করুন। এর পরে শ্যাম্পু করে নিন। দ্রুত ফল মিলবে।

৭। টনসিলে আরামঃ

ঠাণ্ডা লেগে গলা ব্যাথা হলে বা গ্ল্যান্ড ফুলে গেলে গরম জলেমটি লবণ ও ফিটকিরি চূর্ণ মিশিয়ে দিনে কয়েকবার গার্গল করলে বেশ আরম পাওয়া যাবে।

আরো পড়ুন: আখরোটের উপকারিতা

৮। অধিক ঘাম ও প্রতিকারঃ

যারা বেশি ঘামেন, পরনের পোশাক ভিজে যায়, তাদের এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে এক টুকরো ফিটকিরি।
গোসলের সময় এক টুকরো ফিটকিরি জলে ভালোভাবে মিশিয়ে ওই জলে ঢালুন। এভাবে কয়েকদিন গোসল করলে স্বস্তি মিলবে।

৯।মাথা ব্যথা সারাতেঃ

লাল কাচা ফিটকিরি ১ গ্রাম ও ছোট এলাচি বীজ ৬ গ্রাম উভয় উপাদানকে পৃথক পৃথক কুটে পিষে কাপড়ে ছেঁকে নিতে হয়। অল্প কিছু জলসহ পান করলে মাথা ব্যথা দ্রুত সেরে যায়।

১০।কান ব্যথাঃ

ফিটকিরি ভেজে গুড়া করে সামান্য একটু গুড়া কানে দিতে হয়। তারপর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস অথবা পেঁয়াজের রস কানে দিলে কান ব্যথা চলে যায়।

১১।পা ফাটা উপশমেঃ

ফিটকিরি খুব দক্ষতার সঙ্গে পা ফাটা আরোগ্য করতে পারে। পায়ের মরা চামড়া তুলে পা কে নরম ও মসৃণ করে তোলে। পায়ের ফাটা ভালো করতে একটা প্যাক তৈরি করুন।
একটা বাটিতে ২ চা চামচ ফিটকিরি গুঁড়া , ১ চা চামচ নারিকেল তেল ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। পা ভালো করে ধুয়ে, শুকিয়ে নিন।
এরপর প্যাক লাগিয়ে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর ১০-১৫ রেখে কুসুম গরম জলে ধুয়ে নিন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন।

১২।বলিরেখা দূর করতেঃ

ফিটকিরি ত্বককে টানটান করতে সাহায্য করে। ১চামচ ফিটকিরির গুড়াঁ ও ২ চামচ গেলাপজল বা জল মিশিয়ে মুখে লাগান ( চোখ বাদে)।
কিছুক্ষণ পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ফিটকিরির গুড়াঁ না থাকলে, একটা ফিটকিরির টুকরা ভেজা মুখে ঘষুন। কিছু সময় পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের বলি রেখা দূর করে, আপনাকে করে তুলবে সতেজ ও লাবন্যময়ী।

আরো পড়ুন: কর্পূরের উপকারিতা

১৩। ক্রিয়াবিদের পায়ের যত্নেঃ

ফিটকিরিতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল উপাদান। এটা ক্রিয়াবিদের পায়ে ফাঙ্গাসকে মেরে ফেলে।
একারনে ক্রিয়াবিদের পায়ের যত্নে ফিটকিরি ব্যবহার করা যায়। গোলাপজলের সাথে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে পা ও পায়ের পাতাতে লাগিয়ে রাখুন।
শুকালে কুসুম গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। অন্যভাবে, হালকা গরম জলে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে পা কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে পা ধুয়ে, মুছে নিন।

এতে কোনও সন্দেহ নেই যে ফিটকিরি একটি ভাল পদার্থ, যা আপনি শরীরের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার জন্য ব্যবহার করতে পারেন,
তবে ফিটকিরি উপকারিতা ছাড়াও ফিটকিরি ক্ষতি অস্বীকার করা যাবে না।

ফিটকিরি কিছু অসুবিধাগুলির নীচে দেওয়া হলোঃ

ফিটকিরির অপকারিতাঃ

১। অনেকের ধারণা ফিটকিরি পানিকে ১০০% বিশুদ্ধ করে। নিয়মানুযায়ী পানিতে ফিটকিরি ব্যাবহার করলে পানির কিছু কিছু জীবাণু যেমন, ব্যাকটেরিয়া ও প্যারাসাইট ধ্বংস হয়। কিন্তু ভাইরাস ধ্বংস হয় না।

এ ক্ষেত্রে টাইফয়েড, ডায়রিয়া, আমাশয় ও কৃমি সংক্রামন জাতীয় রোগ থেকে রেহাই পাওয়া গেলেও হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং ‘ই’ ভাইরাস জনিত রোগ যা, আমাদের কাছে জন্ডিস বলে পরিচিত। (ফিটকিরির অপকারিতা) এ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না।

২। ফিটকিরি ব্যবহারের অসুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে পানির পিএইচ হ্রাসএবং অতিরিক্ত উপস্থিতি থেকে বিষাক্ত দ্রবীভূত অ্যালুমিনিয়ামের সম্ভাব্য উপস্থিতি।

আরো পড়ুন: সকালে হাঁটার উপকারিতা

৩। অতিরিক্ত ত্বকের জ্বালা এবং ফুসকুড়ি মুখের প্রয়োগের জটিলতা হিসাবে উপস্থিত হতে পারে।

৪। পানির সংস্পর্শে চোখের যোগাযোগ মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হতে পারে।

আশা করি বুঝতে পারছেন ফিটকিরি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কতটা(ফিটকিরির উপকারিতা )উপকারী এবং অপকারী।

Continue Reading

অ্যাসিডিটি

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির উপায় – গ্যাস্ট্রিক কমানোর উপায়

Published

on

By

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির উপায়:গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। খাবারে অনিয়ম, সচেতনতার অভাবে গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যা শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। আর একবার গ্যাস্ট্রিক হলে মুশকিল।

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির উপায়:

আদা:

প্রতিদিন অল্প করে আদা খান । দেখবেন অল্প সময়ে হজম ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটবেই, সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমবে।

লবঙ্গ:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে লবঙ্গে গ্যাস-অম্বলের বিরুদ্ধে কাজ করে ।  বেশি মাত্রায় খাবার খাওয়ার পর যদি বুক জ্বালা এবং ঢেঁকুর ওঠার সমস্যা, তাহলে ১-২ টি লবঙ্গ খেয়ে ফেলুন !

খাবার সোডা:

এক গ্লাসজলে ১ চামচ খাবার সোডা মিশিয়ে পান করুন। প্রতিদিন এই মিশ্রণটি পান করলে দেখবেন আর কোনোদিন অ্যাসিডিটি হবে না।

আরো পড়ুন: শরীরচর্চা করার উপকারিতা

দারুচিনি:

দারুচিনি একদিকে যেমন হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়, তেমনি পেটের সংক্রমণের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।  অল্প করে দারুচিনি দিয়ে  চা খেলে দারুণ উপকার মিলবে।

মৌরি:

মৌরিতে থাকা বিশেষ এক ধরনের তেল পাকস্থলির কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়ক পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজম এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না।

অ্যালোভেরা:

অ্যালোভেরায় উপস্থিত নানাবিধ খনিজ একদিকে যেমন ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

শুধু তাই নয়, অ্যালোভেরায় উপস্থিত অ্যাসিড, স্টমাকে তৈরি হওয়া অ্যাসিডের কর্যকারিতা কমিয়ে দেয়। ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

তুলসী পাতা:

গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমাতে তুলসী পাতা দারুণ কাজে আসে। ৩-৫ টি তুলসি পাতা পানিতে ভিজিয়ে, সেই পানি ফুটিয়ে খেয়ে ফেলুন। দেখবেন চোখের পলকে অ্যাসিডিটি কমে যাবে।

ডাবের জল:

স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ স্বাভাবিক করতেও ডাবের জল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

শুধু তাই নয়, শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত অ্যাসিডকে বের করে দিতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে।

তাই তো অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে দূরে থাকতে প্রতিদিন ডাবেরজল খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিত্‍সকেরা।

বাদাম:

আপনি কি প্রায়শই অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগেন? তাহলে খাবার পরপরই ২-৩ টি বাদাম খান।

বাদামে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং অ্যালকেলাইন কমপাউন্ড, যা স্টামক অ্যাসিডিটির জন্য দায়ি অ্যাসিডদের ক্ষতি করার ক্ষমতা একেবারে কমিয়ে দেয়।

রসুন:

অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে রসুনের কোনো বিকল্প হয় না । এক্ষেত্রে এক কোয়া রসুন খেয়ে ফেললেই স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক হতে শুরু করে। ফলে গ্যাস-অম্বল সংক্রান্ত নানা লক্ষণ ধীরে ধীরে কমে যেতে শুরু করে।

আরো পড়ুন: সকালে হাঁটার উপকারিতা

দই:

দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়। ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

  1. প্রতিদিন ২/৩ চামচ দই খেয়ে নিন।
  2. দই আমাদের পাকস্থলীকে `এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া` থেকে রক্ষা করে যা গ্যাস্ট্রিক হওয়ার অনতম কারণ। তাছাড়া দই আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  3. আপনি চাইলে কলা, দই ও মধু একসাথে পেস্ট করে খেতে পারেন দ্রুত গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার জন্য।

শসা:

শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

পেঁপে:

পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম, যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা:

দীর্ঘ বিরতি দিয়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে এর মাঝে কলা খেয়ে নিন। এটি আপনাকে গ্যাস্ট্রিকের হাত থেকে রক্ষা করবে।

ক্ষুধা অনুভব করছেন কিন্তু খাবার খাওয়ার সময় নেই, এমন অবস্থায় ঝটপট একটি কলা খেয়ে নিন।

কমলা:

কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কলার সল্যুবল ফাইবারের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা পেট পরিষ্কার রাখতে কাজ করে।

পুদিনা পাতা:

এক কাপ পানিতে পাঁচটা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।

আরো পড়ুন: মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট

এসিডিটি প্রতিরোধ এর উপায়:

সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণের কোন বিকল্প নেই, এসিডিটির সমস্যা থেকে দূরে থাকতে সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ করতে হবে।

1.একবারে পেট ভর্তি করে খাওয়া যাবে না। বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণ।

2.অতিমাত্রায় চিনিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

3.খেতে হবে টাটকা খাবার।

4.ফ্রোজেন ফুড যথাসম্ভব না খাওয়াই ভালো।

5.নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে যা শরীরকে টক্সিন মুক্ত রাখে।

6.ঘুমাতে হবে ঠিকঠাক, মানুসিক চাপমুক্ত থাকতে হবে।

7.রাতের খাবার ঘুমানোর অন্তত ২ঘন্টা আগে সেরে ফেলুন। খেয়েই শুয়ে পড়া অনুচিত, সামান্য হাঁটাহাঁটি করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

8.অতিরিক্ত ওজনকে না বলুন।

9.অবশ্যই ধূমপান ও মাদকদ্রব্য থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।

10.অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি খাদ্য ও বাইরের খাদ্যকে নিজ খাদ্য তালিকা থেকে বিদায় দিতে হবে।

আরো পড়ুন: চুল ঘন করার উপায়

11.অতিরিক্ত তেল ও মসলা জাতীয় খাবার খাওয়া যাবেনা।

12.তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পরপরই পানি পান না করে, অন্তত ৩০মিনিট পর পানি পান করতে হবে।

13.ভারী খাবার যেমন, মাংস, বিরিয়ানি, চাইনিজ রাতে না খেয়ে সকালে বা দুপুরের মেন্যুতে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।

14.বাসি, পঁচা খাবার খাওয়া যাবেনা।
Continue Reading

Trending