মাজু ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম। মাজু ফল অনেকে হয়তো চিনেন না। কিন্তু এর বেশ উপকারিতা রয়েছে। আজকে আমরা জানবো মাজু ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা ।

মাজু ফল কি?

মাজুফল এর ইংরেজি নাম হচ্ছে  gallnut বা marking nut । এটি মূলত একটি চাইনিজ ফল। গাছে হলেও এটি কিন্তু আসলে ফল না। এটি সাধারণত এক ধরনের পতঙ্গের কারনে হয়ে থাকে। গাল নামের এক ধরনের পতঙ্গের লার্ভা দিয়েই তৈরি। এটি ওক গাছে হয়ে থাকে। বিশ্বের ৯৫% মাজুফল চায়না থেকে আসে। তাই চাইনিজ মার্কেটে এটি বেশি পাওয়া যায়।

মাজু ফলের উপকারিতা:

১।এটি একটি প্রাকৃতিক ঔষধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

২।দাঁতের যত্নে, লিউকোরিয়ার সমস্যা, ভাঙ্গা হাড় জোড়ার কাজে ভালো কাজ করে থাকে।

৩। এতে রয়েছে গ্যালিক এসিড। যা আপনার রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করবে।

আরো পড়ুন: ড্রাগন ফলের উপকারিতা

৪। মাজুফলের পেস্ট বানিয়ে ভাঙ্গা যায়গায় লাগিয়ে রাখলে দ্রুত হাড় জোড়া লাগে।

৫।মাজুফল ইন্ডাস্ট্রিতেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে।(মাজু ফলের উপকারিতা) এটি থেকে কালি তৈরি করা হয়। টেক্সটাইল ও লেদার শিল্পে এর ব্যবহার রয়েছে।

৬। এন্টি এজিং থেকে শুরু করে ব্রেস্ট ক্যন্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে এই ফলের।

৭।ত্বকের যত্নে এইটি ব্যবহার করা হয়।পোর্স/ফেস এর গর্ত রিমূভ,মেসতার দাগ রিমূভ, মুখের কালো দাগ দূর করে,স্ক্রিনে ব্রাইটনেস বাড়ায়।
স্কিন টানটান করা।মুখের ছোপ ছোপ দাগ দুর।এটি এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট, যার কারনে এটি ব্যাবহারে ব্রনের সমস্যা দূর হয়।

৮।দাঁত ব্যথা নিরাময়,মুখের দূর্গন্ধ দূর করে।

মাজুফল ব্যবহারের নিয়ম:

এই ফল গুড়ো করে এবং পেস্ট বানিয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়।

তোক্ষণ তো মাজু ফলের উপকারিতা সম্পর্কে জানলাম।সাথে আমাদের অবশ্যই মাজুফলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে রাখতে হবে।

আরো পড়ুন: কমলার উপকারিতা

মাজু ফলের অপকারিতা:

১।প্রেগনেন্সি এর সময় এই ফল ব্যবহার করা উচিৎ নয়।

২। কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে এই ফল ব্যবহার করবেন না।

৩।এইফল বার বার ও বেশি পরিমাপ ব্যবহার করবেন না। এটি ব্যবহার করলে কোষ্ঠকাঠিন্য এর সমস্যা হতে পারে।

আশাকরি সবাইমাজুফলের উপকারিতা এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে উপকৃত হবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *