Connect with us

ডাল

বিয়ে বাড়ির মুগ ডালকে হার মানাবে, মুগ ডালের দুর্দান্ত এই রেসিপি!

Published

on

উপাদান:

মুগ ডাল 1কাপ, আদাবাটা হাফ চামচ,গোটা জিরা সামান্য,চিনি স্বাদমতো, মুগ ডাল রান্না তে একটু মিষ্টি দিতে হয়, আপনারা চাইলে দিতে পারেন। তেজপাতা একটা,দুটো শুকনো লঙ্কা ( দু ভাগ করে নিতে হবে),পরিমাণ মতন নুন, ঘী আধ চা চামচ,সাদা তেল, হলুদ গুঁড়ো, দুটো কাঁচালঙ্কা,তিনটে এলাচ,এক টুকরো দারুচিনি, লবঙ্গ তিনটে।

বানানোর জন্য:

কড়াইতে তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে মুগ ডাল দিতে হবে। অনবরত মুগ ডাল নাড়াতে হবে যাতে পুড়ে না যায়। ভাজা হয়ে গেলে দিতে হবে হলুদ,তারপর এক কাপ জল।

তাতে পরিমান মতন নুন দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। কড়াইতে সেদ্ধ করতে সময় লাগে তাই কুকারে সেদ্ধ করা সহজ। ডালটা প্রেসার কুকারে দুটো সিটি দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে।

এবার আলাদা করে কড়াইতে তেল দিতে হবে। তেল গরম হয়ে গেলে এলাচ দারচিনি লবঙ্গ দিয়ে ভাজতে হবে। তাতে তেজপাতা শুকনো লঙ্কা দিয়ে ভাজার হওয়ার পর দিতে হবে আদা বাটা ও কাঁচা লঙ্কা।

এবার সেদ্ধ করা মুগ ডাল টাকে কড়াই এর মধ্যে ঢেলে দিতে হবে। তারপর দিতে হবে গরমজল। জল দেওয়ার পর চিনি ও নুন দিতে হবে। মনে রাখবেন, ডাল সিদ্ধ হওয়ার সময় নুন দেওয়া হয়েছিল,এই সময় তা পরিমাণ বুঝে দিতে হবে।

সব উপকরণ কড়াইতে মিলিয়ে নিয়ে ভালো করে ফোটানোর জন্য দিতে হবে। ফোটানোর মাঝেই দিতে হবে ঘী। তারপর ডালটি নামিয়ে নিতে হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উপকারিতা

মসুর ডালের উপকারিতা ও অপকারিতা

Published

on

By

আসসালামু আলাইকুম। আজকে আমরা জানবো, মসুর ডালের উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে।

মসুর ডাল সারা পৃথিবী জুড়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। ডাল হচ্ছে শিম গোত্রের খাদ্যশস্য। এগুলো মূলত শুঁটিজাতীয় মৌসুমি ফলের শুকনো বীজ। ডাল মূলত রবি শস্য কিন্তু সারা বছরই সব ধরনের ডাল পাওয়া যায়। অন্যান্য ডালের তুলনায় মসুর ডালটাই বেশি জনপ্রিয়।

মসুরের পুষ্টিগুণ:

প্রতি ১00 গ্রাম মসুর ডালের পুষ্টিগুণ 

জলীয় অংশ ১২.৪ গ্রাম

খনিজ পদার্থ ২.১ গ্রাম

আঁশ ০.৭ গ্রাম

খাদ্যশক্তি ৩৪৩ কিলোক্যালরি

আমিষ ২৫.১ গ্রাম

চর্বি ০.৭ গ্রাম

ক্যালসিয়াম ৬৯ মিলিগ্রাম

লৌহ ৪.৮ মিলিগ্রাম

ক্যারোটিন ২৭০ মাইক্রোগ্রাম

ভিটামিন বি-২ ০.৪৯ মিলিগ্রাম

শর্করা ৫৯.০ গ্রাম

মসুর ডালের উপকারিতা:

ত্বক সতেজ করতে:

মসুরির ডাল পিষে তার মধ্যে মধু এবং দই মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর হালকা ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার ত্বক সতেজ হবে।

মুখের কালচে ভাব দূর করতে:

মসুর ডালকে রাতে দুধের মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন। সকাল বেলায় ডালটা পিষে মুখে লাগান। রোজ যদি মুখে এই প্যাকটা লাগান আপনার চেহারায় কালো ভাবটা দূর হয়ে যাবে। তবে মনে রাখবেন, ডালটা রোজ তাজা তাজা পিষতে হবে আর কাঁচা দুধ ব্যবহার করবেন।

মুখে এবং পিঠের দাগ দূর করতে:

যদি মুখে বা পিঠে দাগ হয়, তাহলে মসুরের ডালের সাথে পোলাও চাল মিশিয়ে পেস্ট করুন। এর সাথে চন্দন পাউডার, মুলতানি মাটি, কমলা লেবুর শুকনো গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ৪ চামচ শশার রসও দিন। মুখে এবং শরীরের নানা স্থানে ঐ পেস্টটা লাগান। শুকিয়ে যাওয়ার পরে ধুয়ে ফেলুন।

পায়ের পাতা পরিষ্কারে মসুর ডাল:

পায়ের পাতা বা আঙুলের কালচে, হাঁটু, পায়ের গোড়ালির ময়লা ও রুক্ষভাব দূর করতে প্রাচীনকাল থেকে মসুর ডাল বাটা, হলুদ বাটা, লেবুর রস বা লেবুর খোসার ব্যবহার হয়ে আসছে। মসুর ডাল বাটা, হলুদ বাটা, লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে পায়ের পাতায় লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।

আরো পড়ুন: চিয়া সিড এর উপকারিতা

গোপন অঙ্গের দাগ দূর করতে:

গোপন অঙ্গের যেমন- বোগল, রানের দুই পাশের, কোমরের কাল দাগ দূর করতে মসুরের ডালের সাথে কমলা লেবুর শুকনো গুঁড়ো, ৪ চামচ শশার রসও মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

বলিরেখা দূর করতে:

বলিরেখা দূর করতে কাঁচা হলুদের সাথে মসুর ডাল বাটা দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাখুন ফেস প্যাক হিসাবে। নিয়মিত লাগালে অবশ্যই দারুন উপকার পাবেন।

কনুইর রুক্ষভাব এবং কালো দাগ দূর করতে:

দুধে মসুর ডাল ভিজিয়ে রাখুন,পরে পাটাই বেটে নিন। মসুর ডাল বাটা, হলুদ বাটা, পালংশাক বাটা, টমেটোর রস, সূর্যমুখীর তেল একসঙ্গে মিশিয়ে কনুইয়ে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

রোদে পোড়া দাগ দূর করতে:

রোদেপোড়া দাগ কমাতে মসুর ডালবাটা, কাঁচা হলুদবাটা ও মধু একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগান।

ডার্ক সার্কেল সারাতে:

  • ক্লান্তি, স্ট্রেস, টেনশন, অসুস্থতা সবার আগে ছাপ ফেলে চোখের চারপাশে যা আমরা ডার্ক সার্কেল হিসেবে দেখতে পায়।
  • এর সমাধানে একমুঠো মসুরডাল ভিজিয়ে রাখতে হবে ঘণ্টাখানেক।
  • এরপর মিহি করে বেটে নিয়ে।
  • পাতলা সুতি কাপড়ের ভেতর মসুরডাল বাটা দিয়ে পুঁটুলির মতো তৈরি করে নিয়ে।
  • এই পুঁটুলি চোখের ওপর দিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিট।
  • এটা ডার্ক সার্কেল দূর করতে খুবই উপকার করে।

মেছতা দূর করতে:

  • মেছতা এক ধরনের চর্মরোগ। ত্বকের রঙের সামঞ্জস্য নষ্ট করে ফেলে এই মেছতা।
  • মেছতার বিশ্রী দাগ একবার ত্বকে দেখা দিলে তা বাড়তেই থাকে।
  • মসুরডাল ভিজিয়ে রেখে বেটে নিতে হবে। এর সাথে অ্যালোভেরার রস মিশিয়ে।
  • মিশ্রণটি মেছতার ওপর লাগিয়ে রাখতে হবে আধা ঘণ্টা ধরে। এরপর ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের দাগ দূর হবে।

ক্ষতের দাগ সারাতে:

  • ব্রণ, বসন্ত, ফোঁড়া, ঘা বা যেকোনো ধরনের ক্ষতের দাগ দূর করতে সাহায্য করে মসুরডাল।
  • আক্রান্ত স্থান ভালো করে শুকাবার আগেই তা ব্যবহার করলে ভালো ফল দেয়।
  • মসুরডাল বাটা ও কচি ডাবের পানি একসাথে মিশিয়ে দাগের ওপর পুরু প্রলেপ দিতে হবে।
  • শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে।
  • এরপর ঘষে ঘষে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • নিয়মিত ব্যবহারে যেকোনো ধরনের ক্ষতের দাগ দূর হয়ে যাবে।

মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করতে:

  • খুশকি, ময়লা, ফাঙ্গাসের আক্রমণ ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে মাথার ত্বক চুলকাতে থাকে।
  • মসুরডাল বেটে চুলের গোড়া ও মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে।
  • আধা ঘণ্টা রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • চুল ঝলমলে করে তুলতে চাইলে মাথার ত্বকসহ পুরো চুলেই মসুরডাল বেটে লাগাতে হবে।
  • আধা ঘণ্টা রেখে চুল ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • ফলাফল দেখে চমকে যাবেন।

আরো পড়ুন: পাকা পেঁপের উপকারিতা

ত্বক ফেটে যাওয়া রোধ করতে:

আবহাওয়া বা চর্মরোগের কারণে ত্বক ফেটে গেলে তা সারাতেও মসুরডালের জুড়ি নেই। মসুরডাল মিহি করে বেটে নিয়ে ত্বকে পুরু করে প্রলেপ লাগিয়ে রেখে। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে। পায়ের গোড়ালি ফাটা সারাতেও একইভাবে মসুরডাল ব্যবহার করতে পারেন।

কলেস্টেরল কমায়:

মসুর ডালে উচ্চ মাত্রার এটা দ্রবণীয় ফাইবার থকে যা রক্তের কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এটা আপনার শরীরের কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে দিয়ে আপনার ধমনীকে পরিষ্কার রাখে।

হজমে সহায়তা করে:

মসুর ডালে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আঁশ রয়েছে। ফলে এটি হজমে সহায়তা করে। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের জন্য এটি একটি আদর্শ খাবার।

হার্ট ভালো রাখে:

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত মসুর ডালের মতো উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেলে হার্টের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। তাছাড়া মসুর ডাল ফলেট (folate) এবং ম্যাগনেসিয়াম এর একটা বিরাট উৎস, যা হার্টকে আরও বেশি তারুন্য পেতে সহায়তা করে। ম্যাগনেসিয়াম শরীরের সর্বত্র রক্ত, অক্সিজেন এবং পুষ্টি প্রবাহ করতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কমায়:

মসুর ডালের ফাইবারে আরো অনেক উপকারিতা রয়েছে। এটি শরীরের চিনির পরিমাণ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, তাছাড়া এটি উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপকারী:

ডালে একসঙ্গে আয়রন ও ফলেট দুটিই পাওয়া যায়। গর্ভবতী মায়েদের জন্য এই দুটি উপাদান বেশ প্রয়োজনীয়। সেই সঙ্গে আয়রন রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

আরো পড়ুন: ত্বকের যত্নে  মুলতানি মাটি

ওজন কমাতে:

যাঁরা শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে চান তাঁরা ভাতের পরিমাণ কমিয়ে তার বদলে নিয়মিত ডাল খেতে পারেন।

এছাড়াও মসুর ডাল খারাপ কোলেস্টেরলকে কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

মসুর ডালের অপকারিতা:

১. মসুর ডাল রান্না করার আগে খুব ভালো করে ধুয়ে নেবেন কারণ এতে অনেক সময় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পোকা জন্মাতে পারে যা পেটের জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকারক।এছাড়া কাঁচা বা অর্ধেক সেদ্ধ করা মসুর ডাল খেলে হজমের সমস্যা দেখা দেয়। ভালো করে সেদ্ধ করার ফলে এটি ভালো করে হজম করা যায় ও ছোটোখাটো পোকা মাকড় থাকলে বা কোনো কৃত্রিক রং থাকলে সেগুলির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলি নষ্ট হয়ে যায়।

২. অতিরিক্ত পরিমানে মসুর ডাল খেলে কিডনির ওপর অত্যাধিক চাপ সৃষ্টি হয় যার ফলে কিডনি স্টোনের সম্ভাবনা থাকে। এর কারণ হল মসুর ডালে রয়েছে উচ্চ পরিমানে ফাইবার ও প্রোটিন যা শরীরে অত্যাধিক প্রবেশ করলে ক্ষতি হতে পারে।

৩. মসুর ডাল যদিও গ্লুটেন মুক্ত, তবুও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তাররা এটি ব্যারন করে থাকেন। যেমন যাদের শরীর একেবারেই গ্লুটেন নিতে পারেনা, বা যাদের উচ্চ পরিমানে ইউরিক এসিডের সমস্যা রয়েছে তাদের মসুর ডাল না খাওয়াই ভাল(1)।

Photo Credit: pixabay.com

Continue Reading

Trending

Copyright © 2017 Zox News Theme. Theme by MVP Themes, powered by WordPress.