Connect with us

উপকারিতা

পাকা পেঁপের উপকারিতা – পাকা পেঁপে খাওয়ার উপকারিতা

Published

on

পাকা পেঁপের উপকারিতা: বিশ্বের জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে একটি পেঁপে। স্বাদ ও গুনাগুণের কারণেই মানুষের কাছে এর এতো কদর। এতে প্রাকৃতিক ফাইবার হিসাবে পুষ্টি এবং ভিটামিন এ, সি, এবং কে, যেমন নিয়াসিন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, প্রোটিন রয়েছে। চলুন তাহলে

জেনে নিই,পাকা পেঁপের উপকারিতা:-

 ব্রণ ও কালো দাগ তুলতে:


পাকা পেঁপে কালো দাগ দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। পাকা এক টুকরো পেঁপে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে ভালো করে ঘষে দিন। আধা ঘণ্টা রাখুন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এভাবে করতে থাকেন। পেঁপেতে থাকা প্যাপিন মরা কোষ দূর করে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে তোলে।

হজমশক্তি বাড়াতে:


হজমের গোলমাল একটি ব্যাপক সমস্যা। হজমশক্তি কমে গেলে অম্বল হয়ে যায়, মুখে চোকা ঢেকুর ওঠে, পেট ব্যথা শুরু হয়। কখনো চিনচিনে ব্যথা, কখনো ভয়ঙ্কর ব্যথা হয়। কখনো কোষ্ঠ পরিষ্কার হয় না আর কখনো পেট খারাপ হয়। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীরে অবসাদ দেখা দেয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম আছে যা খাবার হজমে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও প্রচুর পানি ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে। যার ফলে হজমের সমস্যায় যে সকল মানুষ ভুগে থাকেন তাঁরা নিয়মিত পাকা বা কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। এক্ষেত্রে পেঁপে খুব উপকারি।

আরো পড়ুন:শিউলি পাতারপকারিতা

রক্ত আমাশয়:


রক্ত আমাশয় দেহের অনেক বড় সমস্যা। প্রত্যেহ সকালে কাঁচা পেঁপের আঠা ৫/৭ ফোঁটা ৫/৬ টি বাতাসার সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। ২/৩ দিন খাওয়ার পর রক্তপড়া কমতে থাকবে।

ক্রিমি:


যে কোনো প্রকারের ক্রিমি হলে, পেঁপের আঠা ১৫ ফোঁটা ও মধু ১চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এরপর আধা ঘন্টা পরে উঞ্চ পানি আধ কাপ খেয়ে তারপরে ১ চামচ বাখারি (শসা-ক্ষীরার মতো এর স্বাদ) চুনের পানি খেতে হয়। এভাবে ২ দিন খেলে ক্রিমির উপদ্রব কমে যাবে। ক্রিমি বিনাশের ক্ষেত্রে পেঁপে এটি ফলপ্রদ ওষুধ।

আমাশয়(পাকা পেঁপের উপকারিতা):


আমাশয় ও পেটে যন্ত্রনা থাকলে কাঁচা পেঁপের আঠা ৩০ ফোঁটা ও ১ চামচ চুনের পানি মিশিয়ে তাতে একটু দুধ দিয়ে খেতে হবে। একবার খেলেই পেটের যন্ত্রনা কমে যাবে এবং আমাশয় কমে যাবে । আমাশয় থেকে মুক্তি পাওয়ার অদ্ভুত শক্তি আছে কাঁচা পেঁপের আঠায়।

যকৃত বৃদ্ধিতে:


এই অবস্থা হলে ৩০ ফোঁটা পেঁপের আঠাতে এক চামচ চিনি মিশিয়ে এক কাপ পানিতে ভালো করে নেড়ে মিশ্রণটি সারাদিনে ৩বার খেতে হবে। ৪/৫ দিনের পর থেকে যকৃতের বৃদ্ধিটা কমতে থাকবে, তবে ৫/৬ দিন খাওয়ার পর সপ্তাহে ২ দিন খাওয়াই ভালো। এভাবে ১ মাস খেলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে:


পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও ই। এই ভিটামিন গুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। এছাড়া পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা চোখের জন্য উপকারী।

 ডায়াবেটিস প্রতিরোধে:


চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে একটি আর্দশ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া প্রতিরোধ করে।

আরো পড়ুন:বেদানা ফলের উপকারিতা

হাড়ের ব্যথা রোধে:


পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার রয়েছে, নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার ফলে শরীরে ক্যালসিয়াম তৈরি হয় যা হাড় মজবুত করে ব্যথা হ্রাস করে।

স্ট্রেস হ্রাস করতে:


সারাদিন ক্লান্তি এক নিমিষে দূর করে দিতে পারে এক প্লেট পেঁপে। এতে থাকা ভিটামিন সি স্ট্রেস হ্রাস করে। University of Alabama এর মতে প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

পেঁপে ক্যান্সার প্রতিরোধক:


কাঁচা পেঁপে শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে রয়েছে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম। এই উপাদানটি প্রটিন হজম করতে সাহায্য করে । ক্যান্সার নিরাময়েও ভূমিকা রাখে, এই জন্য পেঁপে রান্নার পরিবর্তে কাঁচা খাওয়াটাই উত্তম। পেঁপেতে আরও রয়েছে প্রচুর পরিমাণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনোক্সিড যা দেহে ক্যান্সারের কোষ তৈরিতে বাঁধা দেয়। Harvard School of Public Health’s Department এক গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁপের বিটা কেরোটিন উপাদান কোলন ক্যান্সার, প্রোসটেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

শরীর শুকিয়ে গেলে:


কোনো কারণ নেই অযথা শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে, এমন অবস্থায় মুখোমুখি অনেককেই হতে দেখা যায়। বিশেষ করে অল্পবয়সীদের ক্ষেত্রে এ উপসর্গের প্রকোপ বেশি। শরীরে অবসাদজনিত ক্লান্তি, একটা মনমরা ভাব, পড়াশোনা বা কাজকর্মে অনীহা প্রভৃতি উপসর্গ এর সাথেই আসে। প্রায়ই এর সাথে জড়িয়ে থাকে কোষ্ঠকাঠিন্য। এক্ষেত্রে পেঁপে খুবই ফলপ্রসূ। কাঁচা বা পাকা যে অবস্থায়ই হোক। সকালে ও বিকেলে প্রতিদিন কয়েক টুকরো করে খেতে হবে। অন্তত এক মাস নিয়মিত খেতে হবে।

উচ্চরক্তচাপ কমাতে:


কাঁচা পেঁপে আমাদের দেহের সঠিক রক্ত সরবরাহে কাজ করে। আমাদের দেহে জমা থাকা সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে যা হৃদপিণ্ডের রোগের জন্য দায়ী। বেশিভাগ চল্লিশ-পঁয়তাল্লিশ বছরের পর থেকে মানুষের রক্তচাপসংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়। হয়তো রক্তচাপ বাড়ে নয়তো কমে। রক্তচাপ বাড়লে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। হঠাৎ পড়ে গেলে শরীরের কোন অংশ অকেজো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, শরীরে অসাড়তা দেখা যায়। উচ্চরক্তচাপ আক্রান্তরা কাঁচা বা পাঁকা পেঁপে ব্যবহার করতে পারেন। দুটোই উপকারী। তবে খাবেন কয়েক টুকরো এবং নিয়মিত। কয়েক মাস খেয়ে যেতে হবে। আশা করা যাই নিয়মিত পেঁপে খেলে উচ্চ রক্ত চাপের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। এমনকি এতে করে হৃদপিণ্ড জনিত যে কোনো সমস্যার সমাধান হয়।

ফাইলেরিয়া রোগ হলে:


ফাইলেরিয়া মশাবাহিত রোগ। ফাইলেরিয়ার বিভিন্ন উপসর্গ নিরাময়ে পেঁপে গাছকে ব্যবহার করা যায়। কয়েকটি পেঁপে পাতা সংগ্রহ করে সেগুলোকে গরম পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। এবার পাতাগুলোকে গরম অবস্থায় সেঁকে নিয়ে নিয়মিত কয়েক দিন সেঁক দিলে ফাইলেরিয়ার উপসর্গ অনেকটা কমে যাবে।

অনিয়মিত মাসিক পরিএাণ করতে:


পেঁপে খাওয়ার ফলে আপনার অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত হয়ে যাবে। সুতরাং যাদের মাসিকের সমস্যা আছে, তারা নিয়মিত পেঁপে খেতে পারেন।

আরো পড়ুন: লাউ এর উপকারিতা

শ্বাস- প্রশ্বাসের আরোগ্য:


শ্বাস- প্রশ্বাসের আরোগ্য ক্ষেত্রে পেঁপের ভূমিকা অনেক। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার ফলে শ্বাস- প্রশ্বাসের সমস্যা কমে যায়।

কোলেস্টেরল হ্রাস করে:


পেঁপেতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা ধমনীতে কোলেস্টেরল জমতে বাঁধা প্রদান করে। ধমনীতে চর্বি জমার কারণে হার্ট অ্যাটাকের মত ঘটনাও ঘটতে পারে। সাথে কাঁচা পেঁপে খেলে মেদ কমে, এতে কোনো খারাপ কোলস্টেরল, চর্বি বা ফ্যাট নেই। মোটা মানুষ দুশিন্তা মুক্ত হয়ে খেতে পারেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উপকারিতা

শীতের সবজির উপকারিতা ও গুনাগুন

Published

on

By

শীতের সবজির উপকারিতা

শীতে সব রকমারী সবজির সমাহার। এই সবজির স্বাদ যেমন বেশি তেমনি এর রয়েছে নানা স্বাস্থ্যগুণও। শীতের সবজি খেলে নানা জটিল রোগ থেকে ভাল থাকা যায়। আবার এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়, যার ফলে রোগব্যাধি কাছে ঘেঁষতেও পারে না। এমনই বলছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়েট এন্ড নিউট্রিশন কনসালটেন্ট পুষ্টিবিদ তাসনিম আশিক।

শীতের সবজির উপকারিতা ও গুনাগুন:

বাঁধাকপি:
বাঁধাকপি ভিটামিন কে এবং ভিটামিন সি-এর খুব ভালো একটি উত্‍স। সেই সঙ্গে এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। এই ফাইবার ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে পরিমিত তেল ব্যবহার করে তা রান্না করে খেতে হবে।

ভিটামিন সি থাকায় তা এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ত্বক সুন্দর রাখে। তবে যাদের ইউরিক এসিড এবং ক্রিয়েট্নিনের মাত্রা বেশি তাদের জন্য এই সবজি খেতে কিছুদিন নিষেধ করা হয়, তবে ইউরিক এসিড ও ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিক হয়ে গেলে অবশ্যই খেতে পারবেন।

ফুলকপি:
শীতের সবজির মূল আকর্ষণ কিন্তু ফুলকপি। এই আকর্ষণীয় সবজিটিতে আছে ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনিসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম। যা আমাদের শরীরের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

আরও পড়ুন: ফুলকপির উপকারিতা ও অপকারিতা

সেই সঙ্গে ফুলকপিতে রয়েছে কোলিন, যা গর্ভকালীন সময়ে খেলে গর্ভস্থ শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ভালো হয়। এছাড়াও এতে রয়েছে এন্টি-ইনফ্লেমেটরি নিউট্রিয়েন্ট যা শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে থাকে। তবে এই সবজিটি যাদের ইউরিক এসিড এবং ক্রিয়েটিনিন বেশি তারা এসব স্বাভাবিক মাত্রায় না আসা পর্যন্ত এড়িয়ে চলবেন

গাজর:

প্রথমত গাজরের বিটা-ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। গাজর এমন একটি সবজি যা ত্বককে অনেক বেশি উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও রক্ত পরিস্কার রাখে গাজর।

টমেটো:
টমেটো কিন্তু শীতের সবজি, তবে সারাবছরই পাওয়া যায়। তবে শীতের টমেটোর স্বাদই আলাদা। এই টমেটোতে রয়েছে থায়ামিন ও রাইবোফ্লাভিন। যা স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থি ও পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে থাকে। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে থাকে। অস্ট্রিওম্যালেয়শিয়া, অস্ট্রিওপোরোসিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে টমেটো।

আরও পড়ুন: টমেটোর উপকারিতা

ব্রকলি:
সবুজ রঙের ফুলকপির মতো দেখতে এই সবজিটির নাম ব্রকলি। এর রয়েছে শক্তিশালী কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। ব্রকলিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাড়ের সুস্থতা প্রদান করে থাকে। মানুষিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে থাকে এই সবজি এবং এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, যা কোলেস্টেরল কমিয়ে থাকে।

শালগম:
শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে শালগম। রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়ার সমস্যা দূর করতে দারুন কার্যকর এই সবজি। শুধু তাই নয়, আরথ্রাইটিসের সমস্যাও দূর করে থাকে শালগম।

পেঁয়াজকলি:
খুবই সুস্বাদু একটি পাতা এটি যা তরকারি, সবজি বা ভাজি এবং সালাদের স্বাদ বাড়তে সাহায্য করে। এটি শরীরের ব্যাথা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। কোন ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে, হজমশক্তি ভালো রাখে এবং হার্ট সুস্থ্য রাখতেও সাহায্য করে পেঁয়াজকলি।

শীতের সবজির উপকারিতা | পুষ্টিবিদএর মতে, এসব সবজি যদি অনেক বেশি তেলে অর্থাত্‍ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেলে অনেকক্ষণ কষিয়ে রান্না করা হয় তবে তা ওজন আরও বৃদ্ধি করে থাকে। এজন্য কম তেল ব্যবহার করে সতেজ সবজিগুলো সব মসলা মাখিয়ে জল দিয়ে ঢেকে রান্না করা যায়, কিংবা ভাব দিয়ে বাগারের মাধ্যমে রান্না করা গেলে তা হবে বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।

Image by Jerzy Górecki from Pixabay

Continue Reading

আচার

লেবুর আচার খাওয়ার উপকারিতা ও গুনাগুন

Published

on

By

লেবুর আচার

লেবুর আচার খাওয়ার উপকারিতা: বাঙালির খাবারগুলি তার স্বাদ এবং গন্ধের জন্য পরিচিত। বেশিরভাগ মশলা খাবারে স্বাদ এবং গন্ধ যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। খাবারটি যদি মশলাদার না হয় তবে আপনি তা আচারের সহ খেতে পারেন। পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবাকর একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে আচার সম্পর্কিত অস্বাস্থ্যকর প্রাচীন পুরাণটি প্রকাশ করেছেন।

আচার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন যে এগুলি ভিটামিন এ, ভিটামিন কে এবং প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ায় সমৃদ্ধ। লেবু আচার স্বাস্থ্যকর বিকল্পগুলির মধ্যে একটি। লেবু আচার কেন আপনার ডায়েটের একটি অংশ হওয়া উচিত্‍ তা জানতে পেরে আপনি খুশি হবেন।

জেনে নিন,লেবুর আচার খাওয়ার উপকারিতা ও গুনাগুন:

রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে :

সুস্থ জীবনের জন্য ভাল রক্ত ​​প্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রক্ত প্রবাহে ওঠানামা কম বেশি রক্তচাপের কারনে হতে পারে তাই উভয় অবস্থাই বিপজ্জনক। আপনার ডায়েটে অল্প পরিমাণে লেবুর আচার অন্তর্ভুক্ত করা রক্তের প্রবাহকে উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে। এটি তামা, পটাসিয়াম, আয়রন এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ।

আপনার হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে :

বিশেষত মহিলাদের মধ্যে হাড়গুলি বার্ধক্যের সাথে খারাপ হতে শুরু করে। ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের অভাবে এটির জন্য ঘটে। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, এ, পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের ব্যবহার আপনার হাড়কে সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে।

আরও পড়ুন: বরই আচার রেসিপি

ইমিউন সিস্টেমকে স্বাস্থ্যকর রাখে :

মহামারীটি কীভাবে আমাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে হয় তা শিখিয়েছে। পরিপূরক গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখার সর্বোত্তম উপায় হ’ল স্বাস্থ্যকর খাওয়া। লেবু আচার সহ অনেকগুলি খাবার রয়েছে যা আপনার প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে।

হজমের সমস্যা দূরে রাখে:

লেবুর আচারে এমন এনজাইম রয়েছে যা শরীর থেকে টক্সিনগুলি সরিয়ে ফেলে। স্বাস্থ্যকর হজম ব্যবস্থা থাকা অনেক ক্ষেত্রে যেমন পিম্পলগুলি হ্রাস করা এবং ওজন হ্রাস প্রচারকে সহায়তা করে।

Photo by little plant on Unsplash

Continue Reading

উপকারিতা

বরই এর উপকারিতা

Published

on

By

বরই

আসসালামু আলাইকুম, আজকে আমরা জানবো বরই এর উপকারিতা নিয়ে।

বরই  শীতে ধরে। বরই গোলাকার, আকারে ছোট, কমবেশী ২.৫ সেন্টিমিটার। ফল পাকলে রঙ হলুদ থেকে লাল বর্ণ হয়। কাচা ও পাকা উভয় খাওয়া হয়। স্বাদ টক ও কাঁচামিঠা জাতীয়।

বরই এর পুষ্টিগুণ:

প্রতি ১০০ গ্রাম খাবার উপযোগী বরইয়ে রয়েছে

  1. খাদ্যশক্তি ৭৯ কিলোক্যালরি
  2. শর্করা ২০.২৩ গ্রাম
  3. চর্বি ০.২ গ্রাম
  4. আমিষ ১.২ গ্রাম
  5. জলীয় অংশ ৭৭.৮৬ গ্রাম
  6. ভিটামিন এ ৪০ আইইউ
  7. থায়ামিন ০.০২ মিলিগ্রাম
  8. রিবোফ্লাভিন ০.০৪ মিলিগ্রাম
  9. নিয়াসিন ০.৯ মিলিগ্রাম
  10. ভিটামিন বি৬ ০.০৮১ মিলিগ্রাম
  11. ভিটামিন সি ৬৯ মিলিগ্রাম
  12. ক্যালসিয়াম ২১ মিলিগ্রাম
  13. আয়রন ০.৪৮ মিলিগ্রাম
  14. ম্যাগনেসিয়াম ১০ মিলিগ্রাম
  15. ম্যাংগানিজ ০.০৮৪ মিলিগ্রাম
  16. ফসফরাস ২৩ মিলিগ্রাম
  17. পটাশিয়াম ২৫০ মিলিগ্রাম
  18. সোডিয়াম ৩ মিলিগ্রাম
  19. জিংক ০.০৫ মিলিগ্রাম।

আরো পড়ুন: কাঠ লিচুর উপকারিতা

বরই এর উপকারিতা:

ক্যান্সার প্রতিরোধ:

বরই এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বিদ্যমান, যারা টিউমারের উপর সাইটোটক্সিক প্রভাব বিস্তার করে। যার ফলে শরীরে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

রক্ত পরিশুদ্ধি:

শুকনো বরই এর মধ্যে স্যাপোনিন, অ্যাল্কালয়েড এবং ট্রাইটারপেনয়েড উপাদান থাকে যারা রক্ত পরিশুদ্ধ করে এবং হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

দুশ্চিন্তা:

এরা অবসাদ এবং দুশ্চিন্তা দুর করে।

আরো পড়ুন: এপ্রিকট ফলের উপকারিতা

দুশ্চিন্তা বা অনিদ্রা:

বরই এর শক্তিশালী কেমিক্যালগুলো অনিদ্রা এবং দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ:

এর ভিটামিন সি, এ, বি২, ফাইটোকেমিক্যাল ইত্যাদি পাওয়া যায় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

লিভারের সুরক্ষা:

বরই এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি লিভারকে সুরক্ষা প্রদান করে।

হাড় মজবুত :

এই ফলে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদি সহ আরো অনেক ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায় যা হাড় শক্ত ও মজবুত করতে সাহায্য করে।

রক্ত সঞ্চালন:

আয়রন ও ফসফরাস শরীরে রক্ত উৎপাদন এবং রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করে।

আরো পড়ুন: মাল্টার উপকারিতা

এছাড়াও বিভিন্ন দেশে পেটের সমস্যা দূর করতে, মাংসপেশি শক্তিশালী করতে এই ফলের ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সূত্র: সময় টিভি | Photo by Simon John-McHaffie on Unsplash

Continue Reading

Trending