Connect with us

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস মুক্ত থাকতে চাইলে – ৩০ বছর বয়স এর পরে এই নিয়ম গুলি মেনে চলুন

Published

on

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, শরীরচর্চার অভাব, ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া না করা, অনেক রাত পর্যন্ত জাগা, ওবেসিটি প্রভৃতি আরও কারণ ডায়াবেটিস হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এ কারণেই ডায়াবেটিসকে প্রথম সারির লাইফস্টাইল ডিজিজ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন চিকিৎসক মহল।

এখন প্রশ্ন হল, এমন রোগের খপ্পরে না পড়তে চাইলে তার জন্য কী করা যেতে পারে? জীবনযাত্রার সঙ্গে যেহেতু এই রোগের সরাসরি যোগ রয়েছে, তাই যে কোনও নিয়ম মানা শুরু করার আগে জীবন শৈলীতে পরিবর্তন আনাটা জরুরি। না হলে কিন্তু কোনও উপকারই পাবেন না। তাই ঘুম থেকে খাওয়া-দাওয়া, এইসব ছোটখাট বিষয়গুলির দিকে আগে নজর দিতে হবে। সেই সঙ্গে মেনে চলতে যে নিয়মগুলি, সেগুলি হল-

  •  প্রতিদিন বাদাম খেতে হবে:

এতে উপস্থিত আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, প্রোটিন এবং একাধিক ভিটামিন, শরীরে প্রবেশ করে একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে,
তেমনি ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

  •  কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার কম খেতে হবে:

ভাতের মতো কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেলে শরীরে হঠাৎ করে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কারণ কার্বোহাইড্রেট শরীরে প্রবেশ
করার পর দেহ তাকে ভেঙে চিনিতে রূপান্তরিত করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সুগার এর মাত্রা বেড়ে যায়। সেই কারণেই তো পরিবারে ডায়াবেটিস রোগের ইতিহাস থাকলে ভাত খেতে মানা করেন চিকিৎসকেরা।

  •  প্রতিদিন বার্লি খাওয়া মাস্ট:

এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা দীর্য সময় পেট ভরিয়ে রাখে। সেই সঙ্গে শর্করার মাত্রা যাতে ঠিক থাকে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। তাই তো ডায়াবেটিকদের এই খাবারটি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

  •  ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি যেন না হয়:

শরীরে এই ভিটামিনটির ঘাটতি দেখা দিলে ইনসুলিন রেজিসটেন্সের আশঙ্কা থাকে। আর এমনটা হলে রক্ত সুগারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। তাই আজ থেকেই ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- মাছ, দুধ, কমলা লেবুর রস, সোয়া দুধ এবং ডিম খাওয়া শুরু করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে একবার এই বিষয়ে পরামর্শ করে নিতে পারেন।

  •  প্রতিদিন হাঁটতে হবে:

প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে ১৫ মিনিট করে হাঁটলেই দেখবেন সুগার লেভেল নর্মাল হয়ে যাবে। তাই ডায়াবেটিকদের এই একটি বিষয়ে নজর রাখতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না যে শরীরচর্চার সঙ্গে এই রোগের বাড়া-কমা অনেকাংশেই নির্ভর করে।

  •  ফাইবার জাতীয় খাবার বেশি করে খেতে হবে:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেশি মাত্রায় ফাইবার রয়েছে এমন খাবার বেশি মাত্রায় খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার যেমন উন্নতি ঘটে, তেমনি ওজনও কমতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, ডাল, ব্রকলি, স্প্রাউট, জাম, অ্যাভোকাডো, হোল হুইট পাস্তা এবং ওটস মিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে।

  •  মেথি খাওয়া জরুরি:

প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস গরম দুধে ১ চামচ মেথি পাউডার মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন। অল্প দিনেই দেখবেন ডায়াবেটিস একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। কারণ মেথিতে উপস্থিত বিশেষ কিছু উপাদান দ্রুত শর্করার মাত্রা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

  •  সবুজ শাক-সবজি:

যেসব সবজিতে স্টার্চের পরিমাণ কম রয়েছে, তেমন সবজি বেশি করে খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা কমতে শুরু করে। এক্ষেত্রে পালং শাক, কর্নফ্লাওয়ার, লেটুস প্রভৃতি দারুন কাজে আসে।

  •  অ্যালো ভেরা, সঙ্গে হলুদ:

পরিমাণ মতো হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে অ্যালো ভেরা জুস, অল্প করে তেজপাতা এবং পানি মিশিয়ে একটা পানীয় বানিয়ে ফেলুন। প্রতিদিন রাতে খাবারের আগে এই পানীয়টি খেলে ডায়াবেটিস একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে

  •  রোজের ডায়েটে ফল থাকতে হবে:

জুস না খেয়ে ফল খাওয়া শুরু করুন। আসলে ফল খেলে শরীরে যে পরিমাণ ফাইবার যায়, তার থেকে অনেক কম যায় জুস খেলে। আর একথা তো সবাই
জানেন যে শরীরে ফাইবারের পরিমাণ যত বাড়বে, তত নানাবিধ রোগ দূরে থাকবে। সেই সঙ্গে কমবে শর্করার মাত্রাও।

  •  দৈনিক ৩-৪ লিটার পানি পান করতে হবে:

রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বেশি করে পানি পান করতে হবে। কারণ শরীরে পানির পরিমাণ যত কমবে, তত কিন্তু পরিস্থিত হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়বে। তাই ডায়াবেটিকদের এই বিষয়টি মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিসের প্রথম পর্যায়ে ১০ টি লক্ষণ – জানা জরুরি

Published

on

By

ডায়াবেটিস একটি জীবনধারা বা বংশগত রোগ। শরীরে ইনসুলিন নামক হরমোন বেশি পরিমাণে উৎপাদন শুরু হয় বা শরীরে উৎপাদিত হরমোন নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, তখন এই ডায়াবেটিস হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডায়াবেটিস রোগটি যখন সঠিকভাবে নির্ণয় এবং চিকিৎসা করা হয় না, তখনই স্বাস্থ্য ঝুঁকির দিকে নিয়ে যেতে পারে। অনেক গবেষণা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে ডায়াবেটিসের লক্ষণ প্রথম পর্যায় বুঝে যদি চিকিৎসা করা যায় তাহেল জীবনের অনেকটাই ঝুঁকি হ্রাস করা যায়।

আজকের আর্টিকেলে আমরা ১০ টি প্রাথমিক লক্ষণের আপনাদের বলব যা ডায়াবেটিসের আগে শরীরে এই লক্ষণগুলি আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

ডায়াবেটিসের লক্ষণ :

আপনি কি জানেন আমাদের দেশে অনেকেই রয়েছে যারা বুঝতে পারেন না তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এটিকে অবেহেলা করে নিজেদের জীবন নিয়ে খেলা করে। তাই ডায়াবেটিসের লক্ষণ আগে জেনে রাখা দরকার।

১. ক্ষুধা ও ক্লান্তিঃ 

অতিরিক্ত পরিমাণে খিদে পাওয়া বা ক্লান্তি লাগা ডায়াবেটিসের লক্ষণ হতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের দিনের মধ্যে বার বার খিদে পায় এবং তারা সবসময় ক্লান্তি অনুভব করে।

আপনার শরীরে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ ইনসুলিন তৈরি না হয়, তাহলে শরীরের কোষগুলিতে গ্লুকোজ প্রবেশ করতে পারে না এবং আপনার শরীরে শক্তি হ্রাস পায়। যার কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা সাধারণ মানুষের চেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত বোধ করেন এবং ক্লান্তি অনুভব করেন।

২.ঘন ঘন প্রস্রাবঃ 

একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি দিনে ৬-৭ বার প্রস্রাব করে। তবে আপনার যদি দিনে এর থেকে বেশি প্রস্রাব পায়, তাহলে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন।

আরও পড়ুন| ডায়াবেটিস মুক্ত থাকতে চাইলে – এই নিয়ম গুলি মেনে চলুন

ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে রক্তে চিনির মাত্রা বেশি থাকে। এই অতিরিক্ত চিনি, কিডনি প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। তাই কিডনি রক্ত ​​পরিশোধন করার জন্য ঘন ঘন প্রস্রাব পায়। ঘন ঘন প্রস্রাব ডায়াবেটিস রোগের একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ। 

.অতিরিক্ত তৃষ্ণার্ত বোধঃ

ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় রোগীরা তৃষ্ণার্ত বোধ করে। বার বার পিপাসা পাওয়া ডায়াবেটিসের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ। কারণ ডায়াবেটিস রোগীদের ঘন ঘন প্রস্রাব পায়। যার ফলে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায় এবং ঘন ঘন তৃষ্ণা পায়। এই লক্ষণ বুঝতে পারলে অবশ্যই পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

৪. হঠাৎ মাত্রাতিরিক্ত ওজন হ্রাসঃ

ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে হঠাৎ মাত্রাতিরিক্ত ওজন কমে যায়। আপনার যদি এরকম লক্ষণ দেখা যায় অবহেলা একদমই না করে চিকিৎসা করান।

কারণ মাত্রাতিরিক্ত ওজন কমে যাওয়া ডায়াবেটিসের একটি প্রাথমিক লক্ষণ।
ইনসুলিনের অভাবের কারণে রক্তে উপস্থিত গ্লুকোজ শরীরের কোষগুলিতে পৌঁছতে পারে না এবং কোষগুলি শক্তি হিসাবে গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে না। যার ফলে ওজন হ্রাস হয়।

৫.ঝাপসা দৃষ্টিঃ

আমরা প্রায় সবাই জানি ডায়াবেটিস রোগে প্রথম এফেক্ট পড়ে দৃষ্টিতে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ না করলে চোখের দৃষ্টি কমে যায়। ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে চোখের দৃষ্টি কমতে শুরু করে এবং রোগের শুরুতে ঝাপসা দেখা দেয়।

৬. ইনফেকশনঃ

ডায়াবেটিসে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। যার জন্য ডায়াবেটিসে ঘন ঘন ইনফেকশন হয়। ঘন ঘন ইনফেকশন একটি ডায়াবেটিসের লক্ষণ

৭. ক্ষত দেরিতে নিরামিয়ঃ

আপনার কি কোন আঘাত লাগলে বা ক্ষত সারতে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটা সময় লাগে? তাহলে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন।

আরও পড়ুন| যে ফল গুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে

কারণ এই লক্ষণটি ডায়াবেটিসে লক্ষণ।ডায়াবেটিসের কারণে রক্তে গ্লুকোজের বর্ধিত পরিমাণ ধীরে ধীরে আপনার শিরাগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে, যার কারণে শরীরে রক্ত ​​সঞ্চালন সঠিকভাবে হচ্ছে না। যার কারণে ক্ষত সারতে বেশি সময় নেয়।

৮.অসাড়তাঃ

ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে চিনির মাত্রা বেশি থাকায় স্নায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে। মাথা ঘোরে এবং অসাড় অনুভব হয়। তাই আপনার যদি এই লক্ষণ বুঝতে পারেন তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৯. স্কিনে জ্বালা বা শুকিয়ে যাওয়াঃ

ত্বকে জ্বালা বা ত্বক শুকিয়ে যাওয়া ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ। ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার স্কিন আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে।

১০. মেজাজে পরিবর্তনঃ

যেহেতু রক্তে শর্করার মাত্রা অবিচ্ছিন্নভাবে বৃদ্ধি এবং হ্রাস পাচ্ছে, তাই কিছু ব্যক্তির মধ্যে মেজাজ পরিবর্তনের লক্ষণ ধরা পড়ে। রোগী বিরক্তবোধ করে।

আপনি যদি শরীরে এই ১০ টি লক্ষণ বুঝতে পারেন তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং চিকিৎসা করান। ডায়াবেটিস সম্পূর্ণভাবে নির্মূল না করা গেলেও এটি নিয়ন্ত্রণে রেখে আমরা আমদের হেলথ সুস্থ রাখতে পারি।

Continue Reading

অল্পতেই ক্লান্ত

জানতে চান অল্পতেই ক্লান্ত হওয়ার আসল কারণ? – জানা জরুরি

Published

on

By

আপনি নিজেকে সুস্থ মনে করলেও অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে উঠছেন? কিছুতেই ক্লান্তি সারাতে পারছেন না? তাহলে জেনে নিন আপনার এই অবস্থার জন্য কোন বিষয়গুলো দায়ী-

রক্তস্বল্পতা:
ডাক্তারের কাছে ক্লান্তির কথা বললে তারা প্রথমেই পরীক্ষা করে দেখবে আপনার রক্তস্বল্পতা আছে কী না। এই সমস্যা থাকলে যে কেউ অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিত্‍সক অ্যামি শাহ বলেন, যখনই কেউ এসে আমাদের বলে তিনি ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন এবং শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে তাহলে আমরা ধরে নিই সেই ব্যক্তি রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন। রক্তস্বল্পতার কারণে ঠাণ্ডা লাগা, মাথা ব্যথাসহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

থাইরয়েড সমস্যা:
থাইরয়েড সমস্যা থাকলে ক্লান্তিবোধের পাশাপাশি আপনার ত্বকের রুক্ষতাও অনুভব করবেন। এই সমস্যা থাকলে শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু হরমোন উত্‍পন্ন হয় না। ফলে শরীর অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে ওঠে।

ডায়াবেটিস:
ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিস থাকলে ক্লান্তি সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ সম্পর্কে ডায়াবেটিস সেলফ ম্যানেজমেন্ট ডট কমের এক প্রবন্ধে বলা হয়, রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকলে সেলগুলো যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন পায় না। এ কারণে আপনি ক্লান্তি অনুভব করতে পারেন।

Continue Reading

ডায়াবেটিস

যে রসালো ফল গুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে

Published

on

By

যে রসালো ফল গুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে:

শরীরে ইনসুলিন এর ঘাটতি হলে ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। এতে রক্তের সুগার লেভেল বেড়ে যায়। মিষ্টি ফলে অনেক সুগার থাকে বলে বেশির ভাগ মানুষই
মনে করেন যে ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মিষ্টি ফল খাওয়া উচিত নয়। যদিও এমন কিছু ফল আছে যারা রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

বিশেষ করে রসালো কিছু ফল আছে যারা ডায়াবেটিস এর জন্য উপকারি। যেসব ফলের গ্লিসামিক ইনডেক্স কম থাকে সে সব ফল ডায়াবেটিস এর জন্য উপকারি

আসুন জেনে নেই সেই ফল গুলোর পরিচয়ঃ

  •  জাম্বুরা

ডায়াবেটিস এ আক্রান্তদের জন্য জাম্বুরা একটি নিরাপদ ফল। ভিটামিন সি এ সমৃদ্ধ এই ফলে উচ্চ মাত্রার দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যার গ্লিসামিক ইনডেক্স ২৫
এবং পানির পরিমাণ থাকে ৯১%। এছাড়াও জাম্বুরাতে নারিঞ্জেনিন নামক ফ্ল্যাভনয়েড থাকে যা শরীরের সংবেদনশীলতাকে উদ্দীপিত করে ইন্সুলিন বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন অর্ধেক পরিমাণ জাম্বুরা খেতে পারেন যা আপনার রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

  •  স্ট্রবেরি

স্ট্রবেরিতে ভিটামিন,অ্যান্টিওক্সিডেন্ট ও ফাইবার থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এতে শর্করা কম থাকে, ৯২% পানি থাকে এবং এর গ্লিসামিক
ইনডেক্স ৪০। স্ট্রবেরি পাকস্থলি ভরা রাখে, এনার্জি প্রদান করে ও রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে। আপনি এক কাপের ৪ভাগের ৩ ভাগ পরিমাণ স্ট্রবেরি খেতে পারেন।

  • কমলা

পুষ্টিকর এই ফলটিতে পানি থাকে ৮৭% যার গ্লিসামিক ইন্ডেক্স খুবই কম। এছাড়াও এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, চিনি কম থাকে এবং ভিটামিন সি ও থায়ামিন থাকে যা রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রতিদিন ১টা কমলা খেতে পারেন।

  •  চেরি

চেরির গ্লিসামিক ইন্ডেক্স মাত্র ২২ এবং এতে ভিটামিন সি,অ্যান্টিওক্সিডেন্ট,আয়রন,বিটা ক্যারোটিন,পটাশিয়াম,ফলেট,ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার থাকে। চেরিতে অ্যান্থসায়ানিন থাকে যা ইনসুলিন এর নিঃসরণ বৃদ্ধি করে রক্তের সুগার লেভেল কমায়।তাই দিনে ১ কাপ বা আধা কাপ চেরি খেতে পারেন।

  •  তরমুজ

তরমুজে বিটা ক্যারোটিন,ভিটামিন বি ও সি,লাইকোপেন এবং পটাশিয়াম আছে। এতে পানি থাকে ৯২%। দিনে ১ স্লাইস তরমুজ খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।

  • আপেল

রসালো ও সুস্বাদু ফল আপেল এ ভিটামিন সি,অ্যান্টিওক্সিডেন্ট ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে।এতে পেক্টিন থাকে যা শরীরের টক্সিন বের হয়ে যেতে সাহায্য করে এবং ডায়াবেটিক্সের ইনসুলিন চাহিদা ৩৫% কমায়। তাই দৈনিক ১টা আপেল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ফলের জুসে সুগার বেশি থাকে কারণ আস্ত ফলের চেয়ে এতে ফাইবার কম থাকে। এজন্য ফলের জুস না খেয়ে আসল ফল খেতে হবে ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের

Continue Reading

Trending