Connect with us

অন্যান্য

চালতার উপকারিতা – Jana Joruri

Published

on

চালতার উপকারিতা: ফল টক বলে চালতার আচার, চাটনি, টক ডাল অনেকের প্রিয় খাদ্য। পাকা ফল পিষে নিয়ে লবণ-মরিচ দিয়ে মাখালে তা বেশ লোভনীয় হয়। ইতিমধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করেছে চালতা। শুধু খেতে লোভনীয়ই নয় এর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা

চলুন জেনে নেওয়া যাক চালতার উপকারিতা ও পুষ্টিগু :

চালতার পুষ্টিগুণঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম চালতা ফলে রয়েছে:

  • আমিষ ০.৮ গ্রাম
  • শ্বেতসার ১৩.৪ গ্রাম
  • চর্বি ০.২ গ্রাম
  • খনিজ লবন ০.৮ গ্রাম
  • ক্যালসিয়াম ১৬ মি.গ্রা.
  • খাদ্যশক্তি ৫৯ কিলো ক্যালরী

চালতার স্বাস্থ্য উপকারিতা:–

১। কুসুম গরম পানিতে চালতার রস আর একটু চিনি মিশিয়ে খেয়ে নিন, এটি রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করবে।

২। এই ফল হাড়ের সংযোগস্থলের ব্যথা কমাতেও খেতে পারেন।

৩। পাকস্থলীতে যাদের আলসার আছে, তাদের জন্য দাওয়াই হতে পারে চালতা।

৪। স্কার্ভি(ভিটামিন সি এর অভাবজনিত একটি রোগ) থেকে সুরক্ষা পেতেও চালতা খেতে পারেন।

৫। চালতা হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ডায়রিয়া ও বদহজমে চালতা খান, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

৬। গলা ব্যথা, বুকে কফ জমা, সর্দি প্রতিরোধে চালতার আছে এক অনন্য গুণ।

৭। হৃদযন্ত্র এবং যকৃৎ ভালো রাখার প্রয়োজনীয় সব উপাদান আছে চালতায়।

৮। অন্ত্রে বাসা বাঁধা কৃমির বিরুদ্ধে লড়ার এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে চালতার।

৯। কানের যেকোনো সমস্যায়ও চালতা খেতে পারেন।

১০। নিয়মিত চালতা খেলে কিডনি যেমন ভালো থাকে, তেমনি কিডনির রোগগুলোও থাকে দূরে।

আরো পড়ুন: সাগুর উপকারিতা
Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য

শাহী জর্দা রান্নার রেসিপি

Published

on

By

শাহী জর্দা রান্নার রেসিপি

শাহী জর্দা রেসিপি: শাহী জর্দা খেতে কার না ভালো লাগে।আর তা যদি হয় বিয়ে বাড়ির শাহী জর্দা।তাই আজ চলে এলাম বিয়ে বাড়ির শাহী জর্দা নিয়ে।

শাহী জর্দা রান্নার রেসিপি

উপকরণ :

বাসমতী চাল/চিনি গুরা পোলার চাউল -৫০০ গ্রাম
চিনি-২০০ গ্রাম
ঘি-(৫ টেবিল চামচ)
জাফ্লং /জর্দা রঙ – সামান্য
তেয়াজ পাতা- ২ টা
এলাচ – ৪ টা
দারুচিনি- ২ টা
পেস্তা বাদাম কুচি -২ টেবিল চামচ
কাঠ বাদাম – ২ টেবিল চামচ
কাজুবাদাম কুচি -২ টেবিল চামচ
কিসমিস – ৭-১০ টি
মোরব্বা -২ টেবিল চামচ
ড্রাই ফ্রুটস -২ টেবিল চামচ
কেওড়া জল – টেবিল চামচ
ছোট ছোট মিষ্টি -১কাপ
গুড়ো দুধ -১ কাপ

আরও পড়ুুন: চকলেট কেক রেসিপি

শাহী জর্দা রান্নার প্রস্তুত প্রনালীঃ

১।একটি পাতিল বা কড়াইতে পানি গরম বসিয়ে চাল ধুয়ে জরিয়ে ফুটন্ত পানিতে ভাতের মতন বেশ কিছুক্ষন রান্না করতে হবে।

২।কিন্তু ফুল রান্না না করে ৮০% চাল ফুটলে নামাতে হবে চাল ঢেলে দেয়ার পরেই জর্দা রঙ বা জাফ্লং দিয়ে দিতে হবে।

৩।এইবার আধা সিদ্ধ ভাত পানি জরিয়ে ছরিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে।

৪।অপর পাত্র নিয়ে ঘি গরম করে এতে তেয়াজপাতা,এলাচ,দারুচিনি এবং চিনি দিয়ে বেশ কিছুক্ষন জাল দিতে হবে।

আরও পড়ুন: চিকেন রোস্ট রেসিপি 

৫।১ কাপ গুরো দুধ দিয়ে নেরে চেরে বাসমতী বা পোলাও চাউল দিয়ে চিনির পানি না শুখানো পযন্ত নাড়তে হবে।

৬।এখন চুলার আচ কমিয়ে এক এক করে কিসমিস,বাদাম, ড্রাই ফ্রুস ও কেওড়া জল, মিষ্টি ছিটিয়ে দিয়ে হালকা ভাবে নেরে ছড়ানো পাত্র মধ্যে ঢেলে ঠাণ্ডা করতে হবে নেড়ে নেড়ে।

৭।এইবার একটা টাইট বক্সে করে উঠিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। যত বেশি দিন ঘরে থেকে ঠাণ্ডা হবে ততই বেশি মজা বাড়বে জর্দার।

৮।জর্দাতে সব সময় ড্রাই ফ্রুস দেয়ার চেষ্টা করবেন।

আরও পড়ুন,বিয়ে বাড়ির মুগ ডালকে হার মানাবে, মুগ ডালের দুর্দান্ত এই রেসিপি!

ব্যস গরম গরম পরিবেশন করুন জর্দা ভাত।

সূত্রঃঃ অনলাইন

Continue Reading

অন্যান্য

পোলাও রান্নার রেসিপি

Published

on

By

পোলাও রান্নার রেসিপি

পোলাও আমাদের সবার প্রিয় খাবার।কম বেশি সবাই আমরা পোলাও খেয়ে থাকি।আজকে আমরা জানবো,পোলাও রান্নার রেসিপি।

উপকরণঃ

১।পোলাওয়ের চাল- ৩ কাপ

২।তেল- ১/৩ কাপ

৩।সবুজ এলাচ- ৪টি

৪।দারুচিনি- ৩ টুকরো

৫। লবঙ্গ- কয়েকটি

৬।তেজপাতা- ২টি

৭।পেঁয়াজ- আধা কাপ

৮।আদা বাটা- ১ চা চামচ

৯।তরল দুধ- ১ কাপ

১০।আস্ত কাঁচা মরিচ- কয়েকটি

১১। লবণ- স্বাদ মতো

১২।ঘি- ২ টেবিল চামচ

১৩। আলুবোখারা- কয়েকটি

আরও পড়ুন: রোস্ট রান্নার রেসিপি

পোলাও রান্নার রেসিপিঃ

১।পোলাওয়ের চাল ভালো করে ধুয়ে ঝুড়িতে রেখে দিন ৩০ মিনিটের জন্য। এতে বাড়তি পানি ঝরে যাবে।

২।তেল গরম করে গরম মসলা ও পেঁয়াজ ভেজে নিন। সুগন্ধ বের হলে পোলাওয়ের চাল দিয়ে নাড়ুন। আদা বাটা দিয়ে সময় নিয়ে ভাজুন।

৩।একপর্যায়ে চালের রঙ সামান্য পরিবর্তন হয়ে গেলে ৫ কাপ ফুটন্ত গরম পানি ও ১ কাপ দুধ দিয়ে দিন।

আরও পড়ুন: ভার্জিন মোহিতো রেসিপি

৪।কাঁচা মরিচ ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে নেড়ে মাঝারি টু হাই করে দিন চুলার আঁচ।

৫।কিছুক্ষণ পর পানি একটু কমে আসলে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। ঢাকনার ছিদ্র বন্ধ করে দেবেন।

৬।চুলার আঁচ মিডিয়াম টু লো থাকবে। ৮ থেকে ৯ মিনিট অপেক্ষা করুন। ঘি দিয়ে নেড়ে কয়েকটা আলুবোখারা দিয়ে মৃদু আঁচে দশ মিনিট ঢেকে রাখুন।

আরও পড়ুন: শিম ভর্তা রেসিপি

৭।গরম গরম পরিবেশন করুন।

Continue Reading

অন্যান্য

মাল্টার উপকারিতা

Published

on

By

মাল্টার উপকারিতা

মাল্টা খুবই জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য ফল।ভিটামিন সি এর আরেক উৎস। সারাবছর এই ফল পাওয়া যায়।ভিটামিন সি ছাড়াও  রয়েছে আরও অনেক উপকারিতা। যা।আমাদের জানা প্রয়োজন।মাল্টা এর রয়েছে নানা ধরনের গুনাগুন।

জেনে নিই,মাল্টার উপকারিতা:

১। মাল্টা সর্দি, নাক বন্ধ থাকা, টনসিলের সমস্যা, গলাব্যথা, জ্বর জ্বর ভাব, হাঁচি-কাশি, মাথাব্যথা, ঠান্ডাজনিত দুর্বলতা-এজাতীয় সমস্যাগুলো দূর করে মাল্টা ।

২। মাল্টা পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত কমলা খাওয়ার অভ্যাস পাকস্থলীর আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সুরক্ষা দেবে। পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে।

আরও পড়ুন: আমের উপকারিতা ও অপকারিতা

৩। মাল্টা ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল যা এন্টি অক্সিডেন্ট সমুহের উৎস। এটি ত্বকে সজীবতা বজায় রাখে এবং ত্বকের বলি রেখা প্রতিরোধ করে লাবণ্য ধরে রাখে।

৪। মাল্টা ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি প্রদাহ জনিত রোগ সারিয়ে তোলে।

৫। মাল্টা দাঁত, চুল, ত্বক, নখের পুষ্টি জোগায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত মাল্টা খায় তাদের দাঁতের রোগ অনেক কম হয়।

আরও পড়ুন: চিরতার উপকারিতা ও অপকারিতা

৬। জিহবায় ঘা, ঠোঁটের ঘা, জ্বরের সময় জ্বর ঠোসাসহ ত্বক, জিহবার অনেক রোগ ভালো করে। নিয়মিত মাল্টা খেলে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।

৭। মাল্টার ভিটামিন সি উপাদান আমাদের শরীরে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এটি আমাদের শরীরের কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের অন্যতম প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।

৮। প্রতিদিন একটি করে কমলা খাওয়ার অভ্যাস আপনার দৃষ্টিশক্তিকে ভাল রাখে। কারণ, কমলায় রয়েছে ভিটামিন এ,সি ও পটাসিয়াম। এ ভিটামিনগুলো আপনার দৃষ্টিশক্তির জন্য বেশ উপকারী।

৯। মাল্টার জুসকে ভিটামিন সি এর সবচেয়ে কার্যকর উৎস বলে মনে করা হয়। মাল্টাকে ভিটামিন সি ট্যাবলেট সিহেবেও গ্রহণ করা যায়।

১০। এছাড়াও চোখে ঘা, দেহে যে কোনো ঘা, কাটা, সেলাইজনিত ত্বককে ভালো হতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ভিটামিন-সি। আর মাল্টায় আপনি পাচ্ছেন পর্যাপ্ত ভিটামিন-সি। তাই এসব রোগ সারাতে মাল্টার জুড়ি নেই।

১১। যাদের রক্তে চর্বির পরিমাণ বেশি তাদের রক্তের চর্বির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে মাল্টা।

১২। প্রবীণ, গর্ভবতী নারী, মাতৃদুগ্ধদানকারী মহিলাদের নিয়মিত মাল্টা খাওয়া উচিত, কারণ এতে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন: ক্যাপসিকামের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্যকর রেসিপি

আশা করি,মাল্টার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আপনেরা উপকৃত হবেন এবং বেশি বেশি মাল্টার জুস খাবেন।

সূত্রঃঃ অনলাইন

Image by HardyS from Pixabay

Continue Reading

Trending