Connect with us

উপায়

কান পরিস্কারের সঠিক উপায় – Janajoruri

Published

on

আমাদের পঞ্চইন্দ্রিয়ের এরকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো কান। আমাদের কান যেহেতু বাইরের অংশে অবস্থিত, স্বাভাবিক ভাবেই এখানে অনেক ময়লা জীবাণুর সংক্রমণ তৈরি হয়। তাছাড়া যেহেতু আমরা সবসময়ই বাইরে যাই তাই দেহের ত্বক, মুখের ত্বকের মতো কানের ভেতরেও ময়লা গিয়ে থাকে।

আমরা হয়তো তা খুব বেশি গুরুত্ব দেইনা, মাঝে মাঝে শুধু কটনবাড নিয়ে কান পরিষ্কার করে থাকি। এইভাবে কিন্তু পুরো কান পরিষ্কার হয়না। কানের ভিতরের ভেজা ভাবটা হয়তো চলে যায় কিন্তু সঠিক ভাবে পরিষ্কার করতেও কিছু উপায় আছে। যা আপনি ঘরে বসেই করতে পারেন।

লবণ পানি
লবণ পানি হল ঘরোয়া উপায়ে কান পরিষ্কার করার সবচেয়ে সহজ উপায়। এটা কানের ময়লাকে নরম করে এবং সহজেই পরিষ্কার হয়ে যায়।

১. প্রথমে হালকা কুসুম গরম পানির সাথে পরিমাণ মতো লবণ মিশিয়ে নিন। এবং পানির সাথে একেবারে মিশে যেতে দিন।

২. একটি তুলোর টুকরো নিয়ে তা লবণ পানি সামান্য দিয়ে নিন। বসেই করতে পারেন।

৩. তারপর মাথা এক পাশে কাত করে কান থেকে একটু দুরুত্ব রেখে তুলো থেকে চিপে পানি কানে দিয়ে নিন যেন আস্তে আস্তে কানের ভেতরে পানি যায়।

৪. মাথা কাত করা অবস্থায় ৫ মিনিট থাকুন।

৫. এরপর কটনবাড বা কান পরিষ্কার করার এক ধরণের কিট পাওয়া যায় তা দিয়ে আস্তে আস্তে কানের ভিতরটা পরিষ্কার করে ফেলুন।

৬. একই ভাবে পাশের অন্য পাশের কানেও করুন।

বেবি অয়েল
কানের ময়লা পরিষ্কার করতে আপনি ব্যবহার করতে পারেন বেবি অয়েল।

১. বেবি অয়েল হাতে নিয়ে ২ কানে ভাল মতো লাগিয়ে নিন।

২. তারপর কয়েক ফোটা তেল আস্তে আস্তে কানের ভিতরে দিয়ে দিন।

৩. কিছুক্ষণ পরে কটনবাড বা কান পরিষ্কার করার কিট দিয়ে কান পরিষ্কার করে ফেলুন।

অলিভ অয়েল
কানের ময়লা পরিষ্কার করার অন্যতম সহজ উপায় হল অলিভ অয়েল। অলিভ অয়েলের কারণে কানের ময়লা নরম হয় এবং সহজে পরিষ্কার করা যায়।

১. সামান্য অলিভ অয়েল নিয়ে গরম করে নিন।

২. একটি ড্রপারে গরম তেল ভরে ২ কানের ভিতরে দিয়ে নিন।

৩. ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন কানের ভিতরের ময়লা নরম হতে।

৪. এরপর কটনবাড বা কান পরিষ্কার করার কিট দিয়ে কান পরিষ্কার করে নিন।

আরও পড়ুন| ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখবে মধু ও গুড়

                  লেবু ফ্রিজে জমিয়ে বরফ বানিয়ে খান, তারপর পাবেন আশ্চর্যজনক ফলাফল!

                  ধনিয়া পাতার উপকারিতা

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Calcium

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের উপায়

Published

on

By

ব্রোকলি,ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের উপায়

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের উপায়: আমাদের শরীরের কাঠামো তৈরি হয় হাড়ের মাধ্যমে। অথচ হাড়ের যত্নের বিষয়ে আমরা বেশির ভাগ মানুষই খুব উদাসীন বা তেমনভাবে কিছুই জানি না। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যেগুলো থাকে তাও যে হাড়ের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর তাও জানি না। লবণ অর্থাত্‍ সোডিয়াম ক্লোরাইড, সফট ড্রিংকস, চা ও কফির মধ্যে থাকা ক্যাফেইন, অতিরিক্ত প্রোটিন বা প্রাণীজ প্রোটিন ইত্যাদি হাড়ের জন্য ক্ষতিকর।

তবে এমন অনেক খাবার বা খাদ্য উপাদান রয়েছে যেগুলো নিয়মিত খেতে পারলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হবে, হাড় হয়ে উঠবে মজবুত! আর হাঁটতে-বসতে হাঁটুর ব্যথাও কমবে।

জেনে নিন, ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের উপায় গুলো:

১. কমলালেবু, পাতিলেবুর মতো যে কোন লেবুতেই থাকে সাইট্রিক অ্যাসিড আর ভিটামিন সি। যা শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দ্রুত মেটাতে সাহায্য করে।

২. কাঠ বাদামে প্রচুর পরিমাণে থাকে ক্যালসিয়াম। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, ১০০ গ্রাম কাঠ বাদামে প্রায় ২৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে প্রতিদিন খেতে পারেন এক মুঠো কাঠ বাদাম

৩. ব্রোকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই সবজি শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দ্রুত মেটাতে সাহায্য করে।

৪. ৫০ গ্রাম ঢ্যাড়স বা ভেন্ডিতে প্রায় ১৭২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে প্রতিদিন খেতে পারেন ঢ্যাড়স। উপকার পাবেন।

৫. শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে সয়াবিন অত্যন্ত কার্যকর। এক কাপ সয়াবিনে প্রায় ১৭৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই নিয়মিত খাবারে রাখতে পারেন সয়া।

৬. তিলের বীজে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, ১০০ গ্রাম কাঁচা তিলের বীজে ১,০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তিলের বীজ ভেজে নিয়মিত খান। উপকার পাবেন।

এছাড়া সবুজ শাক-সবজি খেলেও উপকার পাবেন। শরীর-স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে।

Image by Shutterbug75 from Pixabay

Continue Reading

উপায়

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সহজ কয়েকটি উপায়

Published

on

By

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সহজ কয়েকটি উপায়:

বয়সের সঙ্গে মানুষের স্মৃতিশক্তিও কমতে থাকে। ধীরে ধীরে হারাতে থাকে মনে রাখার ক্ষমতা। তবে এমন কিছু নিয়ম রয়েছে যা মেনে চললে আপনার বুদ্ধি বাড়তে সহায়তা করবে।

  • ব্যায়ামে মস্তিষ্কের আকার বাড়ে

শরীরচর্চা করলে দেহের পেশির সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের আকারও বৃদ্ধি পায়। ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের সিন্যাপসের সংখ্যা বাড়ে। এর ফলে মগজে নতুন নতুন কোষ তৈরি হয়।

  • হাঁটাচলায় বাড়ে স্মৃতিশক্তি

বাগান করার মধ্য দিয়ে শরীরের ব্যায়াম হয়, তেমনি মনেরও ব্যায়াম হয়। বহু গবেষণায় এটা প্রমাণিত। অভিনেতারাও এই কাজটা করে থাকেন। কোনো শব্দ বা বাক্য যদি আপনি হেঁটে হেঁটে মুখস্থ করার চেষ্টা করেন, তাহলে সেটা বহুদিন ধরে আপনার মনে থাকবে।

  • মগজের শক্তির জন্য বেছে নিন সঠিক খাবার

আপনার পাকস্থলী ঠিক মানে আপনার মগজও ঠিক। আপনার খাবারের ২০ শতাংশ শর্করা এবং শক্তি আপনার মস্তিষ্কে যায়। মস্তিষ্কের কাজের পুরোটাই নির্ভর করে তার গ্লুকোজের মাত্রার ওপর। শরীরে গ্লুকোজের মাত্রায় হেরফের হলে আপনার মনেও দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। যেসব খাবার আপনারা খুব পছন্দ সেগুলো খেলে আপনার মস্তিষ্কের ‘রিওয়ার্ড এরিয়ায়’ ডোপামিন রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আপনার মনে খুশি খুশি ভাব হয়।

কিন্তু মস্তিষ্কের শক্তিবৃদ্ধির পাশাপাশি আপনার পেটের দিকেও নজর রাখতে হবে। মানুষের দেহের পরিপাকতন্ত্রে একশো ট্রিলিয়নেরও বেশি অণুজীব বসবাস করে। এরা আপনার মস্তিষ্কের সঙ্গেও সংযোগ রক্ষা করে। মগজের সুস্থতার জন্য এই অণুজীবগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা খুব জরুরি। আসলে পাকস্থলীকে অনেক সময় ‘দ্বিতীয় মগজ’ বলে ঢাকা হয়। পেটে নানা ধরনের স্বাস্থ্যকর খাবার ঢুকলে এসব অণুজীবের মাধ্যমে তার সুফল মস্তিষ্কে পর্যন্ত পৌঁছায়।

  • খুঁজে নিন অবসর

স্বল্প মাত্রার মানসিক চাপ আসলে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এতে বিপদের সময় বা জরুরি প্রয়োজনে পরিস্থিতিকে দ্রুত মোকাবেলার শক্তি পাওয়া যায়। কর্টিসল বলে হরমোনের কারণে দেহ-মন চাঙা হয় এবং মনোযোগের একাগ্রতা বাড়ে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ মস্তিষ্কের জন্য খুবই খারাপ। সুতরাং কাজের ফাঁকে অবসরের সময় বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মস্তিষ্ককে অবসর দিয়ে, এবং নিজেকে মূলত সুইচ অফ করে, আপনি আপনার মগজের ভিন্ন একটি অংশকে ব্যায়াম করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। এরপর যদি কেউ দেখে যে আপনি কাজের মধ্যে বসে দিবাস্বপ্ন দেখছেন, তখন আপনি বলতে পারবেন যে আপনি মস্তিষ্কের ভ্ন্নি একটি অংশের ব্যায়াম করছিলেন। এগুলো আপনার দেহের স্ট্রেস হরমোন কমাতে সাহায্য করবে।

  • নতুন কিছু করুন

মগজের শক্তি বৃদ্ধির একটা পথ হলো নতুন কোনো কাজ করার জন্য মস্তিষ্ককে চ্যালেঞ্জ করা। ছবি আঁকা কিংবা বিদেশি ভাষা শিক্ষার মধ্য দিয়ে এটা করা সম্ভব।

  • সুরের মাঝে শক্তি

সুরের মাধ্যমে জেগে ওঠে মস্তিষ্ক। বাড়ে মেধা। সঙ্গীত যে মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করতে পারে, তার প্রমাণ রয়েছে। কেউ গান শোনার সময় যদি তার মস্তিষ্কের ছবি তোলা যায়, তাহলে দেখা যাবে পুরো মস্তিষ্ক সুরের প্রভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

মস্তিষ্ক সঙ্গীতের স্মৃতি দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারে। এটা ডিমেনশিয়ার মত মানসিক অবস্থা ঠেকাতে বেশ কার্যকরী।

  • বিছানায় শুয়ে পরীক্ষার পড়া

বিছানার ওপর শুয়ে-বসে পড়ার সুফল রয়েছে। দিনের বেলা যখন আপনি নতুন কিছু শিখছেন, তখন আপনার মস্তিষ্কে এক স্নায়ুকোষের সঙ্গে নতুন একটি স্নায়ুকোষের সংযোগ তৈরি হয়। আপনি যখন ঘুমিয়ে পড়েন তখন সেই সংযোগ আরো জোরদার হয়। আর যা শিখেছেন তা স্মৃতি হিসেবে জমা হয়।

এক পরীক্ষায় জানা যাচ্ছে, আপনি যদি শোবার আগে কাউকে একটা লিস্ট দিয়ে বলেন সেটা মুখস্থ করতে, তাহলে পরদিন সকালে সে সেটা খুব সহজেই মনে করতে পারবে। কিন্তু যদি সেই একই লিস্ট সকাল বেলা দিয়ে বলেন সন্ধ্যের সময় মুখস্থ বলতে তাহলে সেটা মনে করা বেশ কঠিন হবে।

তবে কোনো দুঃখের স্মৃতি নিয়ে শোবার সময় চিন্তাভাবনা না করাই ভালো। এতে মস্তিষ্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। একই কারণে শোবার আগে হরর ছবি দেখাও বারণ। এর বদলে সারা দিনের যেসব ভালো ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো মনে করার চেষ্টা করুন।

  • ঘুম যখন ভাঙল

দিনের শুরুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠুন। ঘুমের গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। দৈনিক পাঁচ ঘণ্টার কম ঘুম হলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর ১০ ঘণ্টার বেশি ঘুম হলে মস্তিষ্ক সজাগ হওয়ার সময় পায় না। কিন্তু দিনের পুরোটাকে ভালোভাবে কাজে লাগানোর চাবিকাঠি লুকিয়ে রয়েছে কীভাবে আপনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন তার মধ্যে।

সবচেয়ে ভালো হয় ঘুমাতে যাওয়ার সময় ঘর অন্ধকার থাকলে এবং প্রভাতে দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেগে উঠতে পারলে। সূর্যের কিরণ যখন আপনার বন্ধ চোখের পাতা ভেদ করে ঢুকে পড়ে, তখন সেটা মস্তিষ্ককে কর্টিসল হরমোন ছড়িয়ে দিতে উদ্বুদ্ধ করে।

Continue Reading

Trending