Connect with us

উপকারিতা

ওলের উপকারিতা

Published

on

ওল একধরনের ভেষজ সবজি।এইটি খুবই উপকারি। অনেকে ওলের উপকার সম্পর্কে জানেনা।আমাদের অবশ্যই উচিত এর উপকার সম্পর্কে জানা।এইটি অশ্বরোগের জন্য অনেক উপকারী। আজকে আমরা জানবো, ওল কচুর উপকারিতা সম্পর্কে। এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ।

চলুন তাহলে জেনে নিই,ওলের উপকারিতা

ওলের পুষ্ঠিগুণঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম ওলে খাওয়ার অংশে রয়েছে:

  • কার্বোহাইড্রেট-১৮.৫ গ্রাম
  • ফ্যাট-০.২ গ্রাম
  • প্রোটিন-১.৩ গ্রাম
  • থায়ামিন-০.০৬ মিগ্রা
  • লোহা- ০.৬ মিগ্রা
  • আঁশ-০.৮ গ্রাম
  • নিকোটিনিক অ্যাসিড-০.৭ মিগ্রা
  • ক্যালসিয়াম-৫০ মিগ্রা
  • ফসফরাস-৩৪ মিগ্রা
  • পটাশিয়াম-১৯৩ মিগ্রা
  • ভিটামিন ‘এ’-৪৩৪ মিগ্রা

ওলের উপকারিতা:

ফোঁড়া কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেঃ

ওলে আছে প্রোটিন, ক্যালশিয়াম ফসফরাস, আয়রণ এবং ভিটামিন এ । মিষ্টি ওলের স্বাদ তীব্র, শরীর গরম করে এবং যে কোন ফোড়া হলে তা ফাটিয়ে দেয় ।

আরো পড়ুন: শিমের উপকারিতা ও অপকারিতা

কফ নাশক হিসেবেঃ

ওল বায়ু ও কফ নাশ করে থাকে ।

তরকারি হিসেবেঃ

ওলের ডাটা ও ওলের কটি শাক দিয়ে সুস্বাদু তরকারি রান্না করা হয় , যা শরীরের পক্ষে খুব উপকারি ।

দাঁতের ব্যথার সারাতেঃ

বুনো ওল তেঁতুল পাতা দিয়ে একটু সিদ্ধ করে জল ফেলে টক দিয়ে রান্না করলে ভাল খেতে লাগে । বুনো ওল পা ফোলা, গোদ অখিদে, দাঁতের ব্যাথার মহৌষধ ।

বিভিন্ন ব্যথা সারাতেঃ

বুনো ওল আয়ুবেদ মতে মল রোধ করে , কষায় হালক তীক্ষ্ণ রুচিকর । কাশি বমি,বায়ু, শূল,ব্যাথা সারায়, কৃমি নাশ করে ।

আরো পড়ুন: কলমি শাকের উপকারিতা

রুচি বাড়াতেঃ

যদি খাবারে অরুচি হয় তাহলে ওল খেলে খাওয়ার রুচি উৎপন্ন হয়ে থাকে ।

অশ্ব রোগ সারাতেঃ

ওল পোড়ানো ঘিয়ে মেখে অল্প পরিমাণ লবণ দিয়ে খেলে অশ্ব রোগে উপকার পাওয়া যায়।

বাতের ব্যথাঃ

ওল পুড়িয়ে থেঁতলে নিয়ে অল্প ঘি অথবা এরেনডার তেল মিশিয়ে সহ্যমতো গরম করে পোটলা বেঁধে ব্যথার জায়গায় সেঁক দিলে যন্ত্রণাটা কমে যায়।

মুখের ক্ষতঃ

ওলকে কুচি কুচি করে কেটে শুকিয়ে নিয়ে মাটির কোনো পাত্রে মুখ বন্ধ করে লেপে সেটা শুকিয়ে নিয়ে পোড়াতে হবে। তারপর সে ওল-পোড়া ছাইকে একটুখানি ঘিয়ের সাথে মিশিয়ে দাঁত মাজলে মুখের ও দাঁতের মাঢ়ির ক্ষত সেরে যাবে।

শোথ:

এ রোগ সাধারণত প্রায় ক্ষেত্রে আমের দোষের জন্য হয়, তবে পায়ের দিকে এ শোথ দেখা যায়। এটা কিন্তু কিডনি বা হার্টের দোষে পায়ে যে শোথ হয় সে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়; এ ক্ষেত্রে ঝলসানো ওল ভালো কাজ দেয় (বুনো ওল বেশি উপকারী)।

গেঁটে বাত:

অনেক সময় এ রোগীর অর্শ্ব থাকে; কারো রক্ত পড়ে, কারো রক্ত পড়ে না। এ ক্ষেত্রে ঝলসানো ওল ঘি মেখে খেলে সেরে যাবে।

গ্রহণী রোগ:

এ রোগের প্রধান লক্ষণ হলো, দিনেই বার বার দাস্ত হয়। আর রাতে হয় না বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে ভাতের আমানির (পান্তা ভাতের পানি) সাথে ঝলসে পোড়া ওল খেতে হয়। এতে দোষটা চলে যায়; তবে পথ্য না মানলে রোগ সারে না।

দাদ:

দাদের উপর ঘি মেখে পোড়া ওল ঘষলে ২-৩ দিনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।

ছুলি:

এ রোগেও উপরের পন্থায় ব্যবস্থা নিলে ভালো ফল মিলে।

আঙ্গুল হাজা:

ওলের ডাঁটার রস আঙ্গুলের হাজায় লাগালে ২-৩ দিনেই আরাম হয়। তবে প্রতিনিয়ত চলতে থাকলে একেবারে বন্ধ করা সম্ভব হয় না।

মৌমাছি, বোলতা, ভিমরুল ও বিছার কামড় যন্ত্রণা কমাতে:

কামড়ানোর সাথে সাথে ওলের ডাঁটার আঠা দংশিত স্থানে ঘষে দিলে ৫-৭ মিনিটের মাঝে যন্ত্রণা চলে যায়।

পেটের পীড়া:

গলা চুলকায় না এমন ওল খেলে পেটের পুরনো পীড়া সেরে যায়।

আমাশয়:

ওল শুকিয়ে গুঁড়ো করে ঘিয়ে ভেজে চিনি মিশিয়ে খেলে আমাশয় সারে।

আরো পড়ুন: লাউয়ের উপকারিতা ও অপকারিতা

আশা করি,ওল কচুর উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আপনাদের অনেক উপকার হবে।এবং বাস্তব জীবনে এর ব্যবহারকে কাজে লাগাতে পারবেন।

Photo by bahumatrik

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উপকারিতা

শীতের সবজির উপকারিতা ও গুনাগুন

Published

on

By

শীতের সবজির উপকারিতা

শীতে সব রকমারী সবজির সমাহার। এই সবজির স্বাদ যেমন বেশি তেমনি এর রয়েছে নানা স্বাস্থ্যগুণও। শীতের সবজি খেলে নানা জটিল রোগ থেকে ভাল থাকা যায়। আবার এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়, যার ফলে রোগব্যাধি কাছে ঘেঁষতেও পারে না। এমনই বলছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়েট এন্ড নিউট্রিশন কনসালটেন্ট পুষ্টিবিদ তাসনিম আশিক।

শীতের সবজির উপকারিতা ও গুনাগুন:

বাঁধাকপি:
বাঁধাকপি ভিটামিন কে এবং ভিটামিন সি-এর খুব ভালো একটি উত্‍স। সেই সঙ্গে এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। এই ফাইবার ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে পরিমিত তেল ব্যবহার করে তা রান্না করে খেতে হবে।

ভিটামিন সি থাকায় তা এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ত্বক সুন্দর রাখে। তবে যাদের ইউরিক এসিড এবং ক্রিয়েট্নিনের মাত্রা বেশি তাদের জন্য এই সবজি খেতে কিছুদিন নিষেধ করা হয়, তবে ইউরিক এসিড ও ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিক হয়ে গেলে অবশ্যই খেতে পারবেন।

ফুলকপি:
শীতের সবজির মূল আকর্ষণ কিন্তু ফুলকপি। এই আকর্ষণীয় সবজিটিতে আছে ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনিসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম। যা আমাদের শরীরের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

আরও পড়ুন: ফুলকপির উপকারিতা ও অপকারিতা

সেই সঙ্গে ফুলকপিতে রয়েছে কোলিন, যা গর্ভকালীন সময়ে খেলে গর্ভস্থ শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ভালো হয়। এছাড়াও এতে রয়েছে এন্টি-ইনফ্লেমেটরি নিউট্রিয়েন্ট যা শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে থাকে। তবে এই সবজিটি যাদের ইউরিক এসিড এবং ক্রিয়েটিনিন বেশি তারা এসব স্বাভাবিক মাত্রায় না আসা পর্যন্ত এড়িয়ে চলবেন

গাজর:

প্রথমত গাজরের বিটা-ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। গাজর এমন একটি সবজি যা ত্বককে অনেক বেশি উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও রক্ত পরিস্কার রাখে গাজর।

টমেটো:
টমেটো কিন্তু শীতের সবজি, তবে সারাবছরই পাওয়া যায়। তবে শীতের টমেটোর স্বাদই আলাদা। এই টমেটোতে রয়েছে থায়ামিন ও রাইবোফ্লাভিন। যা স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থি ও পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে থাকে। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে থাকে। অস্ট্রিওম্যালেয়শিয়া, অস্ট্রিওপোরোসিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে টমেটো।

আরও পড়ুন: টমেটোর উপকারিতা

ব্রকলি:
সবুজ রঙের ফুলকপির মতো দেখতে এই সবজিটির নাম ব্রকলি। এর রয়েছে শক্তিশালী কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। ব্রকলিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাড়ের সুস্থতা প্রদান করে থাকে। মানুষিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে থাকে এই সবজি এবং এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, যা কোলেস্টেরল কমিয়ে থাকে।

শালগম:
শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে শালগম। রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়ার সমস্যা দূর করতে দারুন কার্যকর এই সবজি। শুধু তাই নয়, আরথ্রাইটিসের সমস্যাও দূর করে থাকে শালগম।

পেঁয়াজকলি:
খুবই সুস্বাদু একটি পাতা এটি যা তরকারি, সবজি বা ভাজি এবং সালাদের স্বাদ বাড়তে সাহায্য করে। এটি শরীরের ব্যাথা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। কোন ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে, হজমশক্তি ভালো রাখে এবং হার্ট সুস্থ্য রাখতেও সাহায্য করে পেঁয়াজকলি।

শীতের সবজির উপকারিতা | পুষ্টিবিদএর মতে, এসব সবজি যদি অনেক বেশি তেলে অর্থাত্‍ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেলে অনেকক্ষণ কষিয়ে রান্না করা হয় তবে তা ওজন আরও বৃদ্ধি করে থাকে। এজন্য কম তেল ব্যবহার করে সতেজ সবজিগুলো সব মসলা মাখিয়ে জল দিয়ে ঢেকে রান্না করা যায়, কিংবা ভাব দিয়ে বাগারের মাধ্যমে রান্না করা গেলে তা হবে বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।

Image by Jerzy Górecki from Pixabay

Continue Reading

আচার

লেবুর আচার খাওয়ার উপকারিতা ও গুনাগুন

Published

on

By

লেবুর আচার

লেবুর আচার খাওয়ার উপকারিতা: বাঙালির খাবারগুলি তার স্বাদ এবং গন্ধের জন্য পরিচিত। বেশিরভাগ মশলা খাবারে স্বাদ এবং গন্ধ যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। খাবারটি যদি মশলাদার না হয় তবে আপনি তা আচারের সহ খেতে পারেন। পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবাকর একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে আচার সম্পর্কিত অস্বাস্থ্যকর প্রাচীন পুরাণটি প্রকাশ করেছেন।

আচার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন যে এগুলি ভিটামিন এ, ভিটামিন কে এবং প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ায় সমৃদ্ধ। লেবু আচার স্বাস্থ্যকর বিকল্পগুলির মধ্যে একটি। লেবু আচার কেন আপনার ডায়েটের একটি অংশ হওয়া উচিত্‍ তা জানতে পেরে আপনি খুশি হবেন।

জেনে নিন,লেবুর আচার খাওয়ার উপকারিতা ও গুনাগুন:

রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে :

সুস্থ জীবনের জন্য ভাল রক্ত ​​প্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রক্ত প্রবাহে ওঠানামা কম বেশি রক্তচাপের কারনে হতে পারে তাই উভয় অবস্থাই বিপজ্জনক। আপনার ডায়েটে অল্প পরিমাণে লেবুর আচার অন্তর্ভুক্ত করা রক্তের প্রবাহকে উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে। এটি তামা, পটাসিয়াম, আয়রন এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ।

আপনার হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে :

বিশেষত মহিলাদের মধ্যে হাড়গুলি বার্ধক্যের সাথে খারাপ হতে শুরু করে। ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের অভাবে এটির জন্য ঘটে। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, এ, পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের ব্যবহার আপনার হাড়কে সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে।

আরও পড়ুন: বরই আচার রেসিপি

ইমিউন সিস্টেমকে স্বাস্থ্যকর রাখে :

মহামারীটি কীভাবে আমাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে হয় তা শিখিয়েছে। পরিপূরক গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখার সর্বোত্তম উপায় হ’ল স্বাস্থ্যকর খাওয়া। লেবু আচার সহ অনেকগুলি খাবার রয়েছে যা আপনার প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে।

হজমের সমস্যা দূরে রাখে:

লেবুর আচারে এমন এনজাইম রয়েছে যা শরীর থেকে টক্সিনগুলি সরিয়ে ফেলে। স্বাস্থ্যকর হজম ব্যবস্থা থাকা অনেক ক্ষেত্রে যেমন পিম্পলগুলি হ্রাস করা এবং ওজন হ্রাস প্রচারকে সহায়তা করে।

Photo by little plant on Unsplash

Continue Reading

উপকারিতা

বরই এর উপকারিতা

Published

on

By

বরই

আসসালামু আলাইকুম, আজকে আমরা জানবো বরই এর উপকারিতা নিয়ে।

বরই  শীতে ধরে। বরই গোলাকার, আকারে ছোট, কমবেশী ২.৫ সেন্টিমিটার। ফল পাকলে রঙ হলুদ থেকে লাল বর্ণ হয়। কাচা ও পাকা উভয় খাওয়া হয়। স্বাদ টক ও কাঁচামিঠা জাতীয়।

বরই এর পুষ্টিগুণ:

প্রতি ১০০ গ্রাম খাবার উপযোগী বরইয়ে রয়েছে

  1. খাদ্যশক্তি ৭৯ কিলোক্যালরি
  2. শর্করা ২০.২৩ গ্রাম
  3. চর্বি ০.২ গ্রাম
  4. আমিষ ১.২ গ্রাম
  5. জলীয় অংশ ৭৭.৮৬ গ্রাম
  6. ভিটামিন এ ৪০ আইইউ
  7. থায়ামিন ০.০২ মিলিগ্রাম
  8. রিবোফ্লাভিন ০.০৪ মিলিগ্রাম
  9. নিয়াসিন ০.৯ মিলিগ্রাম
  10. ভিটামিন বি৬ ০.০৮১ মিলিগ্রাম
  11. ভিটামিন সি ৬৯ মিলিগ্রাম
  12. ক্যালসিয়াম ২১ মিলিগ্রাম
  13. আয়রন ০.৪৮ মিলিগ্রাম
  14. ম্যাগনেসিয়াম ১০ মিলিগ্রাম
  15. ম্যাংগানিজ ০.০৮৪ মিলিগ্রাম
  16. ফসফরাস ২৩ মিলিগ্রাম
  17. পটাশিয়াম ২৫০ মিলিগ্রাম
  18. সোডিয়াম ৩ মিলিগ্রাম
  19. জিংক ০.০৫ মিলিগ্রাম।

আরো পড়ুন: কাঠ লিচুর উপকারিতা

বরই এর উপকারিতা:

ক্যান্সার প্রতিরোধ:

বরই এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বিদ্যমান, যারা টিউমারের উপর সাইটোটক্সিক প্রভাব বিস্তার করে। যার ফলে শরীরে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

রক্ত পরিশুদ্ধি:

শুকনো বরই এর মধ্যে স্যাপোনিন, অ্যাল্কালয়েড এবং ট্রাইটারপেনয়েড উপাদান থাকে যারা রক্ত পরিশুদ্ধ করে এবং হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

দুশ্চিন্তা:

এরা অবসাদ এবং দুশ্চিন্তা দুর করে।

আরো পড়ুন: এপ্রিকট ফলের উপকারিতা

দুশ্চিন্তা বা অনিদ্রা:

বরই এর শক্তিশালী কেমিক্যালগুলো অনিদ্রা এবং দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ:

এর ভিটামিন সি, এ, বি২, ফাইটোকেমিক্যাল ইত্যাদি পাওয়া যায় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

লিভারের সুরক্ষা:

বরই এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি লিভারকে সুরক্ষা প্রদান করে।

হাড় মজবুত :

এই ফলে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদি সহ আরো অনেক ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায় যা হাড় শক্ত ও মজবুত করতে সাহায্য করে।

রক্ত সঞ্চালন:

আয়রন ও ফসফরাস শরীরে রক্ত উৎপাদন এবং রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করে।

আরো পড়ুন: মাল্টার উপকারিতা

এছাড়াও বিভিন্ন দেশে পেটের সমস্যা দূর করতে, মাংসপেশি শক্তিশালী করতে এই ফলের ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সূত্র: সময় টিভি | Photo by Simon John-McHaffie on Unsplash

Continue Reading

Trending

Copyright © 2017 Zox News Theme. Theme by MVP Themes, powered by WordPress.