Connect with us

ওজন

ওজন কমাতে চান তাহলে প্রতিদিন এই তিনটি নিয়ম মেনে চলুন – JanaJoruri

Published

on

প্রত্যেক মানুষের ওজনের প্রতি খেয়াল রাখা দরকার। দেহের ওজন কমাতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেন অনেকে। কেউ সফল হন আবার কেউবা সময়ের অভাবে চেষ্টা চালিয়ে যেতে ব্যর্থ হন। কিন্তু এমন কিছু অভ্যাস রয়েছে যেগুলো প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিট করলেই আপনার ওজন কমবে। অর্থাৎ কম সময় ব্যয়ে বেশি ফল পাওয়া যাবে। দেখে নিন তেমন কিছু অভ্যাস-

প্রতিদিন পাঁচ মিনিট হাঁটুন:

প্রতিদিন পাঁচ মিনিট হাঁটলে কিছুদিন পর আপনার ওজন কমতে শুরু করবে। অনেকেই ভাবছেন, মাত্র পাঁচ মিনিট হাঁটলে ওজন কমানো সম্ভব নাকি? আসলে ওজন কমাতে আপনাকে একটু অন্যভাবে হাঁটতে হবে। উঁচু-নিচু জায়গায় কিংবা সিঁড়িতে প্রতিদিন হাঁটুন, ফল পাবেন কিছুদিন পরই। তবে খেয়াল রাখতে হবে, একটি দিনও যেন বাদ না যায়।

খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি:

প্রতিবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পানের অভ্যাস করুন। এ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞ ব্রিগিটি জেটলিন বলেন, আমাদের শরীর মাঝে-মধ্যেই ভুল করে, তৃষ্ণাকে ভুল করে ক্ষুধা হিসেবে ইঙ্গিত দেয়। এ কারণে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হয়। কিন্তু ওই সময় হয়তো পানি পান করলেই হতো। তাই খাওয়ার আগে পানি পান করে বুঝতে চেষ্টা করুন আসলেই আপনার ক্ষুধা নাকি তৃষ্ণা পেয়েছে।


আরও পড়ুন| ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখবে মধু ও গুড়

                  লেবু ফ্রিজে জমিয়ে বরফ বানিয়ে খান, তারপর পাবেন আশ্চর্যজনক ফলাফল!

                  ধনিয়া পাতার উপকারিতা


 

ছোট-থালা বাটি ব্যবহার করুন:

ওজন কমাতে ছোট থালা-বাটি ব্যবহার করুন। যুক্তরাষ্ট্রের পেনিসালভেনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণা বলছে, বড় থালা-বাটি ব্যবহার করলে একজন মানুষ ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি খাবার খায়। তাই খাওয়ার জন্য এই পদ্ধতি মেনে চলুন। এটা নিশ্চয়ই বাড়তি কোনও পরিশ্রম নয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ওজন

মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট – মেয়েদের দ্রুত ওজন কমানোর উপায়

Published

on

By

মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট: মেয়েদের ওজন কামানোর উপায়গুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণে ঘুম, পরিমিত খাওয়া, সবসময় হাসি খুশি থাকা, শরীরের যত্ন নেয়া এবং কিছু ব্যায়াম করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া মেয়েদের সমস্যার শেষ নেই। শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক এমনি বন্ধুদের মধ্যেও সে হাসির পাত্র এবং বৈষম্যের শিকার। আর আমাদের দেশে এটা আরো ভয়াবহরূপে দেখা যায়। বিশেষকরে বিয়ের সময়, এমনকি চাকরির সময়ও মুটিয়ে যাওয়া মেয়েদের নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়।

মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট:

সকালের নাস্তা :


খাবারের নাম          পরিমাণ           ক্যালোরির পরিমাণ


সিদ্ধ ডিম                    ১                         ৮০


ডিম পোচ                     ১                         ৮০


ডিম ভাজি                     ১                        ১১০


ডিমের ওমলেট               ১                        ১২০


এক স্লাইস পাউরুটি          ১                        ৪৫


এক স্লাইস পাউরুটি + বাটার  ১                     ৯০


রুটি বা চাপাতি                 ১                       ৬০


পরোটা                            ১                     ১৫০


সবজি                          ১ কাপ                  ১৫০


আরো পড়ুন: উজ্জল ত্বক ধরে রাখতে আলুর চারটি ফেসপ্যাক!

লাঞ্চডিনার:


খাবারের নাম          পরিমাণ           ক্যালোরির পরিমাণ


সাদাভাত                ১ কাপ                     ১২০


ফ্রাইড রাইচ            ১ কাপ                      ১৫০


বিরিয়ানী                 ১ কাপ                      ২০০


চাপাতি                    ১                            ৬০


পুরি                        ১                           ৭৫


পরোটা                     ১                             ১৫০


নানরুটি                    ১                               ১৫০


ডাল                         ১ কাপ                     ১৫০


দই                            ১ কাপ                    ১০০


সবজির তরকারী            ১ কাপ                    ১৫০


মাংস                         ১ কাপ                    ১৭৫


সালাদ                       ১ কাপ                      ১০০


কাটলেট                     ১                             ৭৫


আচার                       ১ টে.চা.                    ৩০


ক্লিয়ার স্যুপ                ১ কাপ                       ৭৫


ঘন স্যুপ                   ১ কাপ                        ৭৫


ফল                          ১ টা                        ১৫০


 

এখন কি পরিমাণ ক্যালোরি খাবেন তা মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে। উপরের তালিকা অনুসারে প্রতিদিন ৫০০ ক্যালোরি কিংবা তার কম খাওয়ার চেস্টা করবেন। এবং শারিরিক ভাবে নিজেকে একটিভ রাখার।

ওজন কমানোর উপায়:

অ্যাভোকাডো:

অর্ধেকটা অ্যাভোকাডোতে রয়েছে ১০ গ্রাম মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট। মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং পেটে মেদ জমতে বাঁধা প্রদান করে। কলামবাস-এর ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখেছে যে, যারা তাদের সালাদে অ্যাভোকাডো রাখেন তারা ১৫ গুণ বেশি ক্যারটিনয়েড শোষণ করার ক্ষমতা রাখে।

 কলা:

একটি কলাতে ৪২২ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম রয়েছে, যা আপনার শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।

কাঠবাদাম:

কাঠাবাদাম আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখে। শুধু তাই নয়, এটি একটি উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার যা আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া এতে রয়েছে ওমেগা ৩ যা আপনাকে অ্যানার্জি দেওয়ার সাথে সাথে মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে। যেকোনো স্মুদিতে এক মুঠো কাঠাবাদাম দিয়ে দিন স্মুদি সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি আরো বেশি পুষ্টিকর হবে।

আরও পড়ুন: মাত্র একদিনে ব্রণ সারানোর উপায়

টকদই:

পেটের মেদ কমাতে বেশ কার্যকর একটি খাবার হলো টকদই। এতে রয়েছে কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়া যা আপনার হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। বৃটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশন-এর মতে, যারা নিয়মিত টকদই গ্রহণ করেন তারা দ্বিগুণ বেশি দ্রুত ওজন কমাতে পারে যারা টকদই গ্রহণ করেন না তাদের চেয়ে। প্রতিদিনের সালাদ কিংবা স্মুদিতে টকদই রাখুন।

ওটমিল:

ওটসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা হজম করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখবে। এরসাথে এটি আপনাকে অনেক বেশি অ্যানার্জি দিবে। সকালের নাস্তায় কাঠবাদাম দিয়ে এক কাপ ওটমিল রাখতে পারেন। ওটমিল কেনার সময় নন- ফ্লেভার ওটমিল কিনবেন, ফ্লেভারড ওটমিলে চিনি এবং কেমিক্যাল রয়েছে যা আপনার স্বাস্থ্যেরর জন্য ক্ষতিকর।

তরমুজ:

তরমুজের সময় চলছে।। বাজার ছেয়ে গেছে তরমুজ দিয়ে। এই তরমুজও আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। ইউনিভার্সিটি অফ কেনটাকি-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন তরমুজের জুস শরীরের মেদ কমানোর পাশাপাশি কোলেস্টেরল মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ডার্ক চকলেট:

চকলেট খেতে পছন্দ করেন? মোটা হওয়ার ভয়ে চকলেট খেতে পারছেন না? এবার এই চকলেট আপনার মেদ কমাবে। মিল্ক চকলেট খাওয়ার পরিবর্তে ডার্ক চকলেট খাওয়া শুরু করুন। ডার্ক চকলেটে ৬০%-এর চেয়ে বেশি কোকো থাকে। এটি আপনার ইনফ্লামেশন কমাবে এবং মিষ্টি খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস করবে।

শসা:

আপনি যদি স্ন্যাকস হিসেবে চিপস, কেক কিংবা মিষ্টি কোনো খাবার খেয়ে থাকেন, তবে সেটি আজই বন্ধ করুন। এটি আপনার পেটের মেদকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করছে। এর পরিবর্তে সাথে শসা রাখুন। এটি আপনার ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি দীর্ঘসময় পেট ভরিয়ে রাখবে।

 গ্রিন টি:

প্রতিদিন দুই কাপ গ্রিন টি পান করুন, এটি আপনার মেটাবলিজম বৃদ্ধি করবে এবং ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করবে, মেডিসিন অ্যান্ড সাইন্স ইন স্পোর্টস অ্যান্ড এক্সারসাইজ-এর গবেষণা থেকে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে। গ্রিন টিতে রয়েছে ইসিজিসি নামক উপাদান যা পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে।

পেঁপে:

চির পরিচিত পেঁপে ফলটিও আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। এতে রয়েছে প্রোটোলাইটিক এনজাইম যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। এছাড়া পেঁপেতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। যা মেদ কমিয়ে আপনাকে দিবে পারফেক্ট ফিগার।

এই তো জেনে নিলেন পেটের মেদ কমাবে এমন ১০টি মজাদার খাবারের কথা। আশা করছি একটু হলেও আপনাদের জন্য হেল্পফুল হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবন ফিট থাকুন।

আরও পড়ুন: শ্যাম্পুর সাথে চিনি ব্যবহারের উপকারিতা

সূত্রঃ shajgoj

লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

Continue Reading

উপকারিতা

যেভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখবে মধু ও গুড় – জানা জরুরি

Published

on

By

চিনি আমাদের শরীরের নানা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে দায়ী। ওজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি বড় কারণ। তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন তাদেরকে প্রথমেই চিনি বাদ দিতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। এর বদলে প্রাকৃতিক চিনি, গুড় কিংবা মধু খেতে বলা হয়।

মিষ্টি না খেয়ে কি থাকা যায়! তাই তো প্রতিদিনের চায়ের কাপে মধু বা গুড় মিশিয়ে খাচ্ছেন। মিষ্টি খাবার তৈরিতে ব্যবহার করছেন গুড়। কিন্তু এই দুই স্বাস্থ্যকর উপাদান অনিয়মিত গ্রহণ করে লাভ নেই, বরং তা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই কোনটা বেশি উপকারী এবং প্রতিদিন কতটুকু গ্রহণ করা যাবে তা জেনে রাখাও জরুরি। বিস্তারিত প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মধু এবং গুড় চিনির বদলে ব্যবহৃত হয়। বেশিরভাগক্ষেত্রেই আমরা এতে কতটা ক্যালোরি আছে তা খেয়াল করতে ভুলে যাই। আপনি যদি ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন তবে ক্যালোরি গণনা করা এবং ঝরানো দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

গুড় কীভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে:


গুড় আমাদের দেশীয় মিষ্টান্ন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিরা সাদা চিনির পরিবর্তে গুড় বেছে নেন। গুড় পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি ১, বি ৬ এবং সি প্লাসের সমৃদ্ধ উৎস, এতে ভালো পরিমাণ ফাইবার থাকে যা টক্সিন অপসারণ করে এবং পাচনতন্ত্রকে সহজে পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। দিনের শুরুতে এককাপ গরম পানি এবং গুড় দিয়ে শুরু করতে পারেন। এটি হজমশক্তি ভালো করে। গুড়ের মধ্যে বেশ কয়েকটি ফেনলিক যৌগও রয়েছে যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

আরও পড়ুন| লেবু ফ্রিজে জমিয়ে বরফ বানিয়ে খান, তারপর পাবেন আশ্চর্যজনক ফলাফল

চিনির তুলনায় গুড় কতটা স্বাস্থ্যকর:


যেহেতু স্বাদ চিনির তুলনায় কিছুটা কম, তাই বেশিরভাগ লোক প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পরিমাণে গুড় খেয়ে থাকেন। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি সাধারণত এককাপ চা বা কফিতে এক চামচ চিনি খেয়ে থাকেন তবে গুড়ের স্বাদে অভ্যস্ত না হলে প্রয়োজনের তুলনায় আরও কিছু যোগ করতে হবে।

গুড়ের মধ্যে চিনির মতো ক্যালোরি থাকে। তাই গুড় বাড়িয়ে খেলে আপনি ক্যালোরি গ্রহণও বাড়িয়ে তুলছেন। গুড়ে সুক্রোজ রয়েছে যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। হতে পারে পুরোনো গুড়ে প্রিজারভেটিভ মেশানো। যা আবার আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে সহায়ক নয়।

ওজন কমানোর জন্য মধু ব্যবহার:


চিনি এবং মধু উভয় মিষ্টি – প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া বলে মধুকে একটু বেশিই উপকারী মনে করা হয়। চিনিতে গ্লুকোজ এবং ফ্রুকটোজের অনুপাত হলো ৫০-৫০, যেখানে মধুতে কেবল ৩০% গ্লুকোজ এবং ৪০% এর চেয়ে কম ফ্রুক্টোজ থাকে। এতে আরও বেশ কয়েকটি অন্যান্য চিনির অণু রয়েছে যা শরীর দ্বারা হজম হতে বেশি সময় নেয় এবং সবসময় ফ্যাট হিসাবে সঞ্চিত হয় না। এর অর্থ এটি তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর। মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অসুস্থতা রোধকারী হিসাবে পরিচিত। এটি আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ট্রেস খনিজ, অ্যামাইনো অ্যাসিড, পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করতেও কাজ করে। হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে তার শরীরকে ডিটক্সাইফাই করে এবং বিপাকক্ষমতা অনেকাংশে বাড়িয়ে তোলে।

আরও পড়ুন| নকল ডিম বা প্লাস্টিকের ডিম চেনার সহজ উপায়

খরচ কমাতে: আপনি যদি সংযমের নিয়মটি না মেনে চলেন তবে বড় ক্ষতি করছেন। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, এক টেবিল চামচ মধুতে ৬০-৬৪ ক্যালোরি রয়েছে যা চিনির মতোই। চিনি বা গুড়ের চেয়ে একমাত্র মধু খেলে মিলবে বেশি উপকার কারণ এটি অন্যান্য সুবিধাযুক্ত।

উপসংহার: চিনির বদলে গুড় বা মধু খাওয়া একটি ভাল অভ্যাস-যতক্ষণ না আপনি এটি অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ না করেন। চিনি থেকে দূরে থাকার অভ্যাস আপনাকেই গড়ে তুলতে হবে। প্রাকৃতিক শর্করা বেছে নিতে পারেন। মিষ্টি ফলগুলো খেতে পারেন। স্টিভিয়া, দারুচিনি, খেজুর বা পাম চিনির মতো মশলাও চিনির বদলে ব্যবহার করা যেতে পারে।

Continue Reading

উচ্চতা

বয়স অনুযায়ী শিশুর ওজন ও উচ্চতা কত হওয়া উচিত?

Published

on

By

আপনার সদ্যজাত শিশুর কোনও কিছুই আপনার নজর এড়ায় না৷ আপনার শিশু রোগা বা মোটা হয়ে গেল কি না তা নিয়ে আপনি সবসময় চিন্তিত৷ কিন্তু চিকিতসকদের মতে রোগা বা মোটা দেখে শিশু সুস্থ কি না তা বোঝা যায় না৷ তবে শিশুর ওজন ঠিক আছে কি না তা নজরে রাখা প্রয়োজন৷ আপনি বাড়িতেও খেয়াল রাখতে পারেন সেই দিকে৷

আপনার জন্য একটি তালিকা দেওয়া হল৷ এই তালিকা দেখে শতাংশ বের করুন। শিশুর আদর্শ ওজনকে ১০০ শতাংশ ধরে ঐকিক নিয়মে যে কেউ শতাংশ বের করতে পারবেন। শিশুর ওজন আদর্শ ওজনের ৮০ শতাংশের কম হলে তাকে মোটামুটি অপুষ্টি বলে আর ৬০ শতাংশের কম হলে মারাত্মক অপুষ্টি বলে ধরে নিতে হবে।

 বয়স অনুযায়ী শিশুর গড় ওজন:

বয়স অনুযায়ী শিশুর ওজন ও উচ্চতা কত হওয়া উচিত

বয়স অনুযায়ী শিশুর ওজন

এছাড়াও অনেক কিছুর উপর ভিত্তি করেই শিশুর ওজন এবং উচ্চতার তারতম্য হতে পারে। তবে বয়সভেদে শিশুর যে স্বাভাবিক ওজন ও উচ্চতার একটি বিশেষ পরিমাপক রয়েছে তা প্রত্যেক বাবা-মায়ের জেনে রাখা জরুরি। কারণ, এ থেকেই বুঝবেন আপনার শিশু ঠিকমতো বেড়ে উঠছে কিনা। তাকে ডাক্তারের কাছে নেওয়া প্রয়োজন কিনা।

আরো পড়ুনঃ শিশুদের পড়ানোর কৌশল 

প্রথম বছর:

শিশুর জন্মের পর কয়েকদিনে তার ওজন প্রায় ১৫ শতাংশ কমে যায়। এটি স্বাভাবিক। এর পরেই আবার ৭-১০ দিনে শিশুর ওজন পুনরায় আগের মতো হয়ে যায় এবং তারপর থেকে গড়ে প্রায় প্রতিদিন ২৫ গ্রাম করে তিন মাস পর্যন্ত বাড়তে থাকে। এছাড়া বৈজ্ঞানিকভাবে শিশুর প্রথম বছরকে চার মাসের তিনটি অধ্যায়ে ভাগ করে ওজন বাড়ার একটি সূত্র রয়েছে। সূত্রটি নিচে দেওয়া হলো-

প্রথম চার মাস- জন্ম ওজন + (বয়স মাসের সংখ্যা x ০.৮

দ্বিতীয় চার মাস- জন্ম ওজন + (বয়স মাসের সংখ্যা x ০.৭)

তৃতীয় চার মাস- জন্ম ওজন + (বয়স মাসের সংখ্যা x ০.৬)

সর্বোপরি শিশু তার পাঁচ মাস বয়সে জন্ম ওজনের দ্বিগুন এবং এক বছর বয়সে জন্ম ওজনের তিনগুন ওজন স্বাভাবিকভাবে গ্রহন করবে।

এরপর থেকে শিশুর খাবার, জীনগত বৈশিষ্ট্য অনুপাতে শিশুর ওজনের তারতম্য লক্ষ্য করা যায়।

আরো পড়ুনঃ শিশুদের উচ্চতা বৃদ্ধির  খাবার গুলো

শিশুর উচ্চতা:

জন্মকালীন সময়ে শিশু ৫০ সেন্টিমিটার বা ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। ৬ মাসের মধ্যে স্বাভাবিক অনুপাতে এই উচ্চতা ৬৮ সেন্টিমিটার বা ২৭ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। এরপর বছরভেদে এই উচ্চতার স্বাভাবিক মাত্রা হলো-

এক বছর- ৭৫ সেন্টিমিটার বা ৩০ ইঞ্চি,

দুই বছর- ৮৫ সেন্টিমিটার বা ৩৪ ইঞ্চি,

তিন বছর- ৯৫ সেন্টিমিটার বা ৩৭ ইঞ্চি,

চার বছর- ১০০ সেন্টিমিটার বা ৩৯ ইঞ্চি।

এরপর আট বছর পর্যন্ত শিশুর উচ্চতা সাধারণত গড়ে ৫.৫ সেন্টিমিটার বা দুই ইঞ্চি করে বৃদ্ধি পায়। ওজনের মতো উচ্চতার ক্ষেত্রেও শিশুর খাবার, পুষ্টি, জিনগত বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি পরিমাপক হিসাবে কাজ করতে পারে।

Continue Reading

Trending