Connect with us

নারী

আপনি কি সিজার ডেলিভারি সম্পর্কে জানেন -কতবার সিজার করা নিরাপদ?

Published

on

আপনি কি সিজার ডেলিভারি সম্পর্কে জানেন -কতবার সিজার করা নিরাপদ?

স্বাভাবিক ডেলিভারি ঝুঁকিপূর্ণ হলে মা ও শিশুর সুস্থতার স্বার্থে সিজারিয়ান পদ্ধতিতে ডেলিভারির প্রয়োজন হয়। সিজারিয়ান করানো খুব সাধারণ বিষয় হলেও এটা একটা বড় অপারেশন তাই এর নিজস্ব কিছু ঝুঁকি থাকে।

 

মা ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক সাইট প্যারেন্টস ফেরারিল্যান্ড এক প্রতিবেদনে সিজারের কারণ ও ঝুঁকি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে।

সিজার করার কারণ

•    নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরও যদি প্রসব ব্যথা শুরু না হয়

•    কোনো কারণে শিশুর স্বাস্থ্যের অবনতি হলে

•    প্রসব ব্যথা ৮-১২ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পরেও যদি প্রসবের উন্নতি না হয়

•    গর্ভফুলের অবস্থান জরায়ুর মুখে থাকলে

•    প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে মা ও শিশুর জীবনের ঝুঁকি থাকলে

•    গর্ভের শিশুটি যদি অস্বাভাবিক অবস্থানে থাকে

•    প্রথম এক বা দুটি শিশুর জন্ম যদি এই পদ্ধতিতে হয়ে থাকে।

সিজার ডেলিভারির ঝুঁকি

•    একাধিকবার সিজারের কারণে মায়ের ইউটেরাইন ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে

•    শিশুর জন্মের পরও ব্লিডিং হলে অনেক ক্ষেত্রে গর্ভ অপসারণ করে ফেলতে হয় একে হিস্টেরেক্টমি বলে
•    হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে
•    অচেতন অবস্থা সৃষ্টি করতে যেসব ড্রাগ ব্যবহার করা হয় সেগুলো অনেক সময় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে
•    অপারেশনের পর প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে
•    স্বাভাবিক ডেলিভারিতে অক্ষম হওয়ায় মানসিক অবসাদ হতে পারে
•    আর্থিক দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
•    প্রতিবার সিজারিয়ানে আগেরবারের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে
•    বেশ কয়েকবার সিজার করা হলে ক্ষতের কারণে অপারেশনের সময় ঘণ্টা ছাড়িয়ে যেতে পারে
•    এভাবে প্রতিটি সিজারিয়ানের সঙ্গে মায়ের জীবনে ঝুঁকি বাড়তে থাকে

•    শিশুরও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে
•    শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে বা শিশু দুর্বল হয়।

স্কটিশ বিজ্ঞানীদের করা সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, সিজারিয়ান পদ্ধতিতে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্কুলের পারফরম্যান্স স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের চেয়ে খারাপ হয়৷ এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে, অপারেশন করে বাচ্চা বের করা হয় মায়ের প্রসব ব্যথা হওয়ার আগে, অর্থাৎ বাচ্চার মস্তিষ্ক পরিপূর্ণ হওয়ার আগেই৷

গর্ভাবস্থায় কোনো জটিল সমস্যা যদি সৃষ্টি না হয় তাহলে ভ্যাজাইনাল বার্থ বা নরমাল ডেলিভারি নিরাপদ। নরমাল ডেলিভারি শুধু বর্তমান গর্ভাবস্থার জন্যই ভালো নয় বরং পরবর্তীতে গর্ভধারণের জন্যও ভালো।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, তিন বারের বেশি সিজার করা যাবে না

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ওজন

মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট – মেয়েদের দ্রুত ওজন কমানোর উপায়

Published

on

By

মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট: মেয়েদের ওজন কামানোর উপায়গুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণে ঘুম, পরিমিত খাওয়া, সবসময় হাসি খুশি থাকা, শরীরের যত্ন নেয়া এবং কিছু ব্যায়াম করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া মেয়েদের সমস্যার শেষ নেই। শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক এমনি বন্ধুদের মধ্যেও সে হাসির পাত্র এবং বৈষম্যের শিকার। আর আমাদের দেশে এটা আরো ভয়াবহরূপে দেখা যায়। বিশেষকরে বিয়ের সময়, এমনকি চাকরির সময়ও মুটিয়ে যাওয়া মেয়েদের নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়।

মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট:

সকালের নাস্তা :


খাবারের নাম          পরিমাণ           ক্যালোরির পরিমাণ


সিদ্ধ ডিম                    ১                         ৮০


ডিম পোচ                     ১                         ৮০


ডিম ভাজি                     ১                        ১১০


ডিমের ওমলেট               ১                        ১২০


এক স্লাইস পাউরুটি          ১                        ৪৫


এক স্লাইস পাউরুটি + বাটার  ১                     ৯০


রুটি বা চাপাতি                 ১                       ৬০


পরোটা                            ১                     ১৫০


সবজি                          ১ কাপ                  ১৫০


আরো পড়ুন: উজ্জল ত্বক ধরে রাখতে আলুর চারটি ফেসপ্যাক!

লাঞ্চডিনার:


খাবারের নাম          পরিমাণ           ক্যালোরির পরিমাণ


সাদাভাত                ১ কাপ                     ১২০


ফ্রাইড রাইচ            ১ কাপ                      ১৫০


বিরিয়ানী                 ১ কাপ                      ২০০


চাপাতি                    ১                            ৬০


পুরি                        ১                           ৭৫


পরোটা                     ১                             ১৫০


নানরুটি                    ১                               ১৫০


ডাল                         ১ কাপ                     ১৫০


দই                            ১ কাপ                    ১০০


সবজির তরকারী            ১ কাপ                    ১৫০


মাংস                         ১ কাপ                    ১৭৫


সালাদ                       ১ কাপ                      ১০০


কাটলেট                     ১                             ৭৫


আচার                       ১ টে.চা.                    ৩০


ক্লিয়ার স্যুপ                ১ কাপ                       ৭৫


ঘন স্যুপ                   ১ কাপ                        ৭৫


ফল                          ১ টা                        ১৫০


 

এখন কি পরিমাণ ক্যালোরি খাবেন তা মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে। উপরের তালিকা অনুসারে প্রতিদিন ৫০০ ক্যালোরি কিংবা তার কম খাওয়ার চেস্টা করবেন। এবং শারিরিক ভাবে নিজেকে একটিভ রাখার।

ওজন কমানোর উপায়:

অ্যাভোকাডো:

অর্ধেকটা অ্যাভোকাডোতে রয়েছে ১০ গ্রাম মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট। মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং পেটে মেদ জমতে বাঁধা প্রদান করে। কলামবাস-এর ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখেছে যে, যারা তাদের সালাদে অ্যাভোকাডো রাখেন তারা ১৫ গুণ বেশি ক্যারটিনয়েড শোষণ করার ক্ষমতা রাখে।

 কলা:

একটি কলাতে ৪২২ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম রয়েছে, যা আপনার শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।

কাঠবাদাম:

কাঠাবাদাম আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখে। শুধু তাই নয়, এটি একটি উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার যা আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া এতে রয়েছে ওমেগা ৩ যা আপনাকে অ্যানার্জি দেওয়ার সাথে সাথে মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে। যেকোনো স্মুদিতে এক মুঠো কাঠাবাদাম দিয়ে দিন স্মুদি সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি আরো বেশি পুষ্টিকর হবে।

আরও পড়ুন: মাত্র একদিনে ব্রণ সারানোর উপায়

টকদই:

পেটের মেদ কমাতে বেশ কার্যকর একটি খাবার হলো টকদই। এতে রয়েছে কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়া যা আপনার হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। বৃটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশন-এর মতে, যারা নিয়মিত টকদই গ্রহণ করেন তারা দ্বিগুণ বেশি দ্রুত ওজন কমাতে পারে যারা টকদই গ্রহণ করেন না তাদের চেয়ে। প্রতিদিনের সালাদ কিংবা স্মুদিতে টকদই রাখুন।

ওটমিল:

ওটসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা হজম করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখবে। এরসাথে এটি আপনাকে অনেক বেশি অ্যানার্জি দিবে। সকালের নাস্তায় কাঠবাদাম দিয়ে এক কাপ ওটমিল রাখতে পারেন। ওটমিল কেনার সময় নন- ফ্লেভার ওটমিল কিনবেন, ফ্লেভারড ওটমিলে চিনি এবং কেমিক্যাল রয়েছে যা আপনার স্বাস্থ্যেরর জন্য ক্ষতিকর।

তরমুজ:

তরমুজের সময় চলছে।। বাজার ছেয়ে গেছে তরমুজ দিয়ে। এই তরমুজও আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। ইউনিভার্সিটি অফ কেনটাকি-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন তরমুজের জুস শরীরের মেদ কমানোর পাশাপাশি কোলেস্টেরল মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ডার্ক চকলেট:

চকলেট খেতে পছন্দ করেন? মোটা হওয়ার ভয়ে চকলেট খেতে পারছেন না? এবার এই চকলেট আপনার মেদ কমাবে। মিল্ক চকলেট খাওয়ার পরিবর্তে ডার্ক চকলেট খাওয়া শুরু করুন। ডার্ক চকলেটে ৬০%-এর চেয়ে বেশি কোকো থাকে। এটি আপনার ইনফ্লামেশন কমাবে এবং মিষ্টি খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস করবে।

শসা:

আপনি যদি স্ন্যাকস হিসেবে চিপস, কেক কিংবা মিষ্টি কোনো খাবার খেয়ে থাকেন, তবে সেটি আজই বন্ধ করুন। এটি আপনার পেটের মেদকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করছে। এর পরিবর্তে সাথে শসা রাখুন। এটি আপনার ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি দীর্ঘসময় পেট ভরিয়ে রাখবে।

 গ্রিন টি:

প্রতিদিন দুই কাপ গ্রিন টি পান করুন, এটি আপনার মেটাবলিজম বৃদ্ধি করবে এবং ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করবে, মেডিসিন অ্যান্ড সাইন্স ইন স্পোর্টস অ্যান্ড এক্সারসাইজ-এর গবেষণা থেকে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে। গ্রিন টিতে রয়েছে ইসিজিসি নামক উপাদান যা পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে।

পেঁপে:

চির পরিচিত পেঁপে ফলটিও আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। এতে রয়েছে প্রোটোলাইটিক এনজাইম যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। এছাড়া পেঁপেতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। যা মেদ কমিয়ে আপনাকে দিবে পারফেক্ট ফিগার।

এই তো জেনে নিলেন পেটের মেদ কমাবে এমন ১০টি মজাদার খাবারের কথা। আশা করছি একটু হলেও আপনাদের জন্য হেল্পফুল হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবন ফিট থাকুন।

আরও পড়ুন: শ্যাম্পুর সাথে চিনি ব্যবহারের উপকারিতা

সূত্রঃ shajgoj

লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

Continue Reading

ঘরোয়া উপায়

চুল ঘন করার উপায় – Jana Joruri

Published

on

By

চুল ঘন করার উপায়: প্রতিদিনের নানা ভুলের কারণে এবং অযত্ন-অবহেলায় আমরা এই সৌন্দর্যের প্রতীকটি নষ্ট করে ফেলি। আগের মতো ঘন কালো লম্বা চুলের অধিকারিণী নজরে পড়ে না। চুল ঘন করার মূল কৌশলগুলো কিন্তু আপনার হাতেই।

চলুন জেনে নিই, চুল ঘন করার ঘরোয়া কয়েকটি  উপায় –

তেল:

চুলের যত্নে সবচেয়ে বেশি উপকারী হচ্ছে তেল। তেল বলতে সাধারণত আমরা নারিকেল তেলকেই বুঝে থাকি। তবে চুল ঘন করার জন্য কিছু তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করলে কার্যকরী ফল পাবেন।

১. আমণ্ড অয়েল ও ক্যাস্টর অয়েল

২. তিলের তেল ও সরিষার তেল

৩. অলিভ অয়েল ও ক্যাস্টর অয়েল

* রাতে ঘুমানোর আগে এই তেলের মিশ্রণ হালকা গরম করে মাথার তালুতে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। চুলের প্রতিটি গোঁড়ায় যেন তেল পৌঁছায় সেজন্য একটু সময় নিয়ে দিবেন। যদি সারারাত রাখা সম্ভব না হয় তাহলে গোসলের ১ ঘণ্টা আগে চুলে তেল দিয়ে তারপর শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে ২ বার করুন। দেখবেন ১ মাসের মধ্যেই চুল পড়া বন্ধ হয়ে চুলের পাতলা ভাব কমে আসবে।

জবা ফুলের তেল:

জবা ফুলের তেল মাথায় লাগালে চুল পড়া চিরতরে বন্ধ হবে এবং খুব তাড়াতাড়ি নতুন চুল গজাতে শুরু করবে।

উপকরণঃ

  • লাল জবা ফুল ১২-১৫টি
  • কারি পাতা ১ কাপ
  • নারকেল তেল ৫০০ গ্রাম

পদ্ধতি:

ফুলের পাপড়িগুলি ও কারি পাতা ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। এবার পাত্রে নারেকেল তেল গরম করে তাতে জবা ফুলের পাপড়ি ও কারি পাতা সাবধানে দিয়ে আঁচ কম করে নাড়তে থাকুন। যাতে পুড়ে না যায়।

১০ মিনিট কম আঁচে নাড়ার পর গ্যাস বন্ধ করুন। তেল ঠান্ডা হয়ে গেলে একটি পাত্রে ছেঁকে রেখে দিন।

প্রতিদিন রাতে শোবার আগে ভালো করে ৫ মিনিট ধরে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন।

পেঁয়াজ এ চুল ঘন করার উপায়

উপকরণঃ

  • ২টি ছোটো পেঁয়াজ
  • ৪টি রসুনের কোয়া
  • ১ কাপ নারকেল তেল

পদ্ধতি:

  • পেঁয়াজ স্লাইস করে কেটে নিন।
  • রসুনের কোয়াগুলি ছুলে নিন।
  • নারকেল তেল একটি পাত্রে গরম করে তাতে রসুন ও পেঁয়াজের স্লাইসগুলো দিন।
  • এবার কম আঁচে নাড়তে থাকুন।
  • যতক্ষণ না পেঁয়াজ বাদামী রঙের হচ্ছে ততক্ষণ ক্রমাগত তেল নাড়তে থাকুন।
  • ১৫ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করুন। ঠান্ডা হয়ে গেলে একটি পাত্রে বা বোতলে ছেঁকে রাখুন।
  • প্রতিদিন রাতে এই তেল আপনার স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন। সকালের আগে হালকা গরম জলে মাথা ধুয়ে তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

অ্যালোভেরা দিয়ে চুল ঘন করার উপায় :

  • অ্যালোভেরা থেকে জেল বের করে নিন।
  • ৪ চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে চুলের প্রতিটি গোঁড়ায় লাগিয়ে নিন।
  • চুল ঘন করার সাথে এটি আপনার চুলের আগা ফেটে যাওয়াও রোধ করবে।

ডিম দিয়ে চুল ঘন করার উপায়:

  • একটি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে ভালো ভাবে ফেটিয়ে নিন।
  • তারপর পরিষ্কার চুলে হাত অথবা ব্রাশের সাহায্যে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত লাগাতে হবে।
  • তারপর একটি মোটা দাঁতের চিরুনির সাহায্যে সাবধানে চুল আঁচড়ে নিন।
  • ২০-৩০ মিনিট রেখে নরমাল পানিতে শ্যাম্পু করে নিন।
  • যেদিন চুলে ডিম দিবেন সেদিন আর কন্ডিশনার দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এভাবে সপ্তাহে ১ বার করুন।

মধু  দিয়ে চুল ঘন করার উপায়:

মাথার ত্বকের জন্য খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে মধু। তবে চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে মধু খুবই আঠালো, সেজন্য খুব অল্প পরিমাণে (৪-৫ চামচ এর বেশি না) মধু নিয়ে চুলের গোঁড়ায় ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট রেখে দিন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

চুল ঘন করার জন্য যে বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত্‍:

প্রতিবার গোসলের সময় শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না

চুল পরিষ্কার রাখা জরুরী, কিন্তু তা বলে প্রতিবার গোসলের সময় চুলে শ্যাম্পুর ব্যবহার চুলের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। অতিরিক্ত শ্যাম্পুর ব্যবহারে চুলের প্রাকৃতিক তেল চলে যায়, যার ফলে চুল সহজে বাড়তে চায় না। তাই অন্তত ১ দিন পরপর চুল শ্যাম্পু করুন।

 ভেজা চুল তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখবেন না

চুল শুকানোর জন্য অনেকেই গোসল শেষে ভেজা চুল তোয়ালেতেই পেঁচিয়ে রাখেন যা চুলের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে চুলের গোঁড়া একেবারেই নরম হয়, যার কারণে চুল পড়া বাড়ে। চুল বৃদ্ধি একেবারেই কমে যায়। গোসল সেরে ফ্যানের বাতাসে চুল ছড়িয়ে শুকিয়ে নিন। এবং অবশ্যই চুল ঝাড়ার কাজটিও করবেন না।

খাবারের দিকে নজর দিন

শুধু বাহ্যিকভাবেই নয় চুলের বৃদ্ধি হয় ভেতরের পুষ্টিগুণ থেকে। আপনি যদি খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর এবং চুল বৃদ্ধিতে সহায়ক খাবার রাখেন তাহলে চুলের বৃদ্ধি দ্রুতই হবে। দ্রুত চুল বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ই, এ, ফলিক অ্যাসিড, ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়।

চুল আঁচড়ানোর সময় মনোযোগ দিন

চুল অনেক জোরে ঘষে আঁচড়ানো, চুলে টান লাগা, চুলের জট এক টানে ছাড়িয়ে ফেলার মতো ভুল করবেন না। এতে করে চুলের গোঁড়া নরম হয়, চুল পড়া বাড়ে এবং চুল ভেঙেও যায়। চুল খুব ভালো করে সময় নিয়ে আঁচড়ান

কেমিক্যাল থেকে দূরে থাকুন

চুল রঙ করা, সটীক করা, কেমিক্যাল দিয়ে স্ট্রেইট করা, চুলে জেল ব্যবহার, গেয়ার স্প্রে ইত্যাদি ধরণের কেমিক্যাল বন্ধ করে দিন মাস দুয়েকের জন্য। চুলকে স্বাভাবিক নিয়মে বাড়তে দিন।

 দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন

মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার কারণে আমাদের দেহে হরমোনের ভারসাম্যে তারতম্য ঘটে যার কারণে অতিরিক্ত চুল পড়তে দেখা যায়। তাই অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়া থেকে বিরত থাকুন।

বাঙালি নারীর সৌন্দর্য প্রকাশের অন্যতম হল তার চুল। তাই চুলের প্রতি যত্নশীল হউন। রাসায়নিক উপাদান এড়িয়ে চলুন। ধুলাবালি থেকে সাবধানে থাকুন।

Continue Reading

চিনি

শ্যাম্পুর সাথে চিনি ব্যবহারের উপকারিতা জানলে আপনি এখনই তা করতে চাইবেন

Published

on

By

এমন কেউ কি আছে যারা চুলে শ্যম্পু ব্যবহার করেনা!! শ্যাম্পুর গুনাগুন সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। কিন্তু শ্যাম্পুর সাথে চিনি মিশিয়ে ব্যাবহার করলে কি হয় তা কি জানি??

শুনতে খুব অদ্ভূত শোনালেও শ্যাম্পুর সাথে চিনি মিশিয়ে ব্যবহারের উপকারিতা শুনলে আপনি নিজেই চমকে যাবেন। চলুন দেখি কি হয় এতে :

  • বিশেষজ্ঞদের মতে চিনি মাথার স্কাল্পের সারকুলেশন ভাল রাখে এবং গভীর থেকে পরিষ্কার হতে সাহায্য করে।
  • শ্যাম্পুর সাথে চিনি মিশিয়ে ব্যাবহার করলে ক্যাপিলারির সারকুলেশন ভাল থাকে ফলে হেয়ার গ্রওথ ভালো হয়।

আরও পড়ুন| চুল পড়া রোধ করে যে খাবার গুলি জেনে নিন

  • মাথার স্কাল্পের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর করে
  •  চুলের স্বাস্থ্য এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়
  • এটা ব্যাবহারের পরে চুলে কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুলের উজ্জ্বলতা অনেক বেশি বাড়ে।

চলুন দেখে নেই কিভাবে ব্যাবহার করতে হয় এই মিশ্রণটিঃ

১ টেবিল চামচ চিনি পরিমাণ মত শ্যাম্পুর সাথে মিশিয়ে সরাসরি স্কাল্পে আঙ্গুলের মাথার সাহায্যে সুন্দরভাবে ম্যাসাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন| চুলের যত্নে পেঁয়াজ রস

সতর্কতাঃ

চর্ম বিশেষজ্ঞরা অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। এতে করে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল রিমোভ হয়ে যায়। কিন্তু নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল চুল রক্ষার জন্য প্রয়োজন হয়। এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে যেন অতরিক্ত তেল কেটে যেয়ে স্কাল্পের প্রাকৃতিক তেল ব্যালেন্স অনুযায়ী বজায় থাকে।

আমরা সবাই চিনি এবং শ্যাম্পু দুটোর সাথেই পরিচিত। সবার ঘরে ঘরে থাকা এই দুইটি উপকরণ একসাথে মিশিয়ে ব্যবহার করে আপনি চুল কে করতে পারেন আরও উজ্জল,মস্রিন এবং মজবুত।

Continue Reading

Trending