আত্মকর্মসংস্থান কাকে বলে?

আত্মকর্মসংস্থান কাকে বলে?

সহজ অর্থে, নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে।

পৃথিবীতে যতগুলো দেশ আছে তার মধ্যে আত্মকর্মসংস্থান একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পেশা।

দেশ বিদেশের অনেক শিক্ষিত বেকার এখন আর সরকারি বা বেসরকারি চাকরির দিকে না তাকিয়ে নিজেরাই নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে উপার্জনের চেষ্টা করে থাকে।

আত্মকর্মসংস্থান এর মাধ্যমে অনেক বেশি উপার্জন করা সম্ভব এবং অন্যের দাসত্ব মেনে না নিয়ে নিজের মতো করে বাঁচা সম্ভব। ‌

একটি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য আত্মকর্মসংস্থানের অনেক বেশি প্রয়োজনীয়তা রয়েছে:
কর্মসংস্থান কে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায় –

১. মজুরি বাবদ ভিত্তিক চাকরি,

২. আত্মকর্মসংস্থান ও

৩. ব্যবসায়

আরো পড়ুন: নবম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট 

কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে শ্রমজীবী ও চাকরিজীবী লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। কর্মসংস্থানের চাহিদা যে হারে বৃদ্ধি পায় সে কর্মসংস্থানের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় না।

অন্য পেশায় এর সম্ভাবনার সীমিত। কিন্তু আত্মকর্মসংস্থান থেকে প্রাপ্ত আয় প্রথমদিকে সীমিত ও অনিশ্চিত হলেও পরবর্তীতে এই পেশা থেকে আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা অসীম।

বর্তমানে আত্মকর্মসংস্থান এর আওতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের তুলনায় বর্তমান আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আত্মকর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় মূলধন হলো নিজের দক্ষতা। কর্ম সম্পাদনের জন্য যে যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল প্রয়োজন তার অর্থ সংস্থান করা ও অনেকটা সহজ।

আত্মকর্মসংস্থান একটি স্বাধীন পেশা। আর এ ব্যবসায় যেহেতু অনেক সময় নিজের বাড়িতে বা জমিতে করা যায় সে তো আলাদা খরচ হয় না।

আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত থাকলে তরুণসমাজ নানা সমাজ বিরোধী কাজে লিপ্ত না থেকে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

বাংলাদেশের জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় এখানে মজুরির পরিমাণ অনেক কম।

আবার আমাদের দেশে মৌসুমী বেকারত্ব সমস্যা প্রকট: এসকল সমস্যার সমাধানে আত্ম-কর্মসংস্থানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে শহর মুখে জলস্রোত নিয়ন্ত্রণের গ্রামীণ সমাজ এবং অর্থনীতির উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

আত্ম-কর্মসংস্থানের মানসিকতা যুব সমাজকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে এবং স্বেচ্ছাসেবক মূলক কাজে উৎসাহিত করে।

আত্মকর্মসংস্থানের জন্য বয়স কোনো সমস্যা নয় এর মাধ্যমে যে কোনো বয়সের মানুষের দক্ষতা অনুযায়ী অর্থ উপার্জন করতে পারে।

আরো পড়ুন: 

ঢাকা ও টোকিওর স্থানীয় সময়ের ব্যবধান ৩ ঘন্টা ১৭ মিনিট ১৬ সেকেন্ড। টোকিওর দ্রাঘিমা ১৩৯° ৪৫ পূর্ব হলে ঢাকার দ্রাঘিমা কত?

কৈ মাছের জন্য দ্রবীভূত অক্সিজেন প্রয়োজন কেন ব্যাখা কর?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *